উন্নয়ন বার্তা

বিশ্বের অধিকাংশ শিশু সীসাযুক্ত রঙের সংস্পর্শে আসার ঝুঁকিতে “সীসাযুক্ত রঙ নিষিদ্ধ করুন”

প্রেসবিজ্ঞপ্তি: ‘সীসাযুক্ত রঙনিষিদ্ধ করুন’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ২২ অক্টোবর ২০১৮ সোমবার এ্যাসোসিয়েশন ফর কম্যুনিটি ডেভেলপমেন্ট(এসিডি) রাজশাহীর আয়োজনে এবং আইপেন এর সহযোগিতায় ইন্টারন্যাশনাল লীড পয়জনিং প্রিভেনশন সপ্তাহ-২০১৮ উদযাপন উপলক্ষ্যে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও মানববন্ধন আয়োজন করা হয়। র‌্যালিটি এসিডি’র প্রধান কার্যালয় হতে শহরের মূলমূল সড়ক পদক্ষিণ শেষে সাগরপাড়া বটতলা মোড়ে এসে মানববান্ধন কর্মসূচি পালন করে। উক্ত কর্মসুচিতে এসিডি’র কর্মীবৃন্দসহ শিক্ষক, সুশিল সমাজের প্রতিনিধি, ছাত্রছাত্রী, কিশোর-কিশোরীসহ বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার মানুষ অংশগ্রহন করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন,আমরা বিভিন্ন কাজে রঙ এর ব্যবহার করে থাকি তার মাত্রা থাকা উচিত ৯০ পিপিএম বাস্তবেতা থাকেনা। একটি বেসরকারীসংস্থার ইএসডিও এর গবেষনা (২০১৫) অনুসাওে বাংলাদেশে প্রচলিত স্বনামধন্য ৫৬টি কোম্পানীর প্রচলিত রং ২৪ টি ব্রান্ডের রং এর মধ্যে জরিপে দেখা যায় ৭৭% শতাংশ রং এর মধ্যে ৯০ পিপিএম এর বেশি মাত্রায় সীসা এবং ৩৪ শতাংশ রং এরমধ্যে ১০০০০ পিপিএমএর বেশি মাত্রায় সীসা পাওয়াযায়।  যা মানুষের জন্য খুবইক্ষতিকর।

ডাব্লুএইচও এর তথ্য মতে বিশ্বের অর্ধেকের চেয়ে বেশী শিশু সীসাযুক্ত রঙের সংস্পর্শে আসার ঝুঁকি থেকে নিরাপদ নয়। আমাদেও ব্যবহিত রঙ এ মাত্রাতিরিক্ত বিষাক্ত সীসা থাকার কারনে বড়দেও কিডনী, লিবার এবং মতিস্ক বিভিন্ন ভাবে আক্রান্ত হতে পারে। এই রঙ ব্যবহার শিশুদেও জন্য আরোও বেশী ভয়াবহ। এর ফলে বড়দেও তুলনায় ৪ থেকে ৫ ভাগ বেশিক্ষতির সম্মুখিন হয় শিশুরা। এর প্রভাবে শিশুদেও মানুষিক বিকাশে প্রতিন্ধকতা সৃষ্টি কওে এবং তাদেও আচরনগত সমস্যার দেখা দিতে পারে।
এই সমস্যা সমাধানে ব্যাপক জনসচেতনতা সৃিষ্ট করতে হবে এবং আমা দেশে এখন পর্যন্ত সীসাযুক্ত রঙের প্রস্তুত, আমদানী, বিক্রয় এবং ব্যবহারের সুনিদ্দিষ্ট কোন আইন বা নীতিমালা নাই তাই এখনই এ বিষয়ে সুনিদ্দিষ্ট আইন প্রনয়ন ও বাস্তবায়নে পদক্ষেপ গ্রহন করা প্রয়োজন।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন এসিডি’র ফাইন্যান্স ডিরেক্টর পংকজ কর্মকার, প্রোগ্রাম ম্যানেজার মো. আলী হোসেন, প্রোজেক্ট কোঅডিনেটর ও চাইল্ড প্রোটেক্টশন ইউনিটে টিম লিডার মো. মনিরুল ইসলাম পায়েল, আব্দুর রাজ্জাক প্রমূখ।বরেন্দ্র বার্তা/হাপি

Close