নাগরিক মতামত

‘কুকুর সমাচার’- খোন্দকার আমিনুল হক

 

সুপ্রাচীনকাল থেকে পৃথিবীতে কুকুর-বিড়াল মানুষের সঙ্গে বসবাস করছে।  উন্নত দেশে এদের জন্য পরিচর্যার সুব্যবস্থা আছে। যেখানে হাসপাতাল ও রেস্তরা প্রতিষ্ঠা করে তাদের দেখভাল করা যায়। এমনকি ইন্সুরেন্সেরও ব্যবস্থা আছে।

আমাদের দেশে কিছুদিন পূর্বেও কুকুর নিধনের জন্য পৌর:ব্যবস্থায় বরাদ্দ ছিল। প্রতিবছর কুকুর নিধন করা হত। ফলে সংখ্যা বৃদ্ধি হত না। বর্তমানে কুকুর-বিড়াল নিধন শাস্তিযোগ্য অপরাধ। পত্রিকান্তরে প্রকাশ, ঢাকায় এক গৃহস্থের পাহারা দেয়া কুকুর ও তার বাচ্চাদের মেরে ফেলায় তিন মাসের জেল হয়েছে। অর্থ্যাৎ আইনের প্রয়োগ আছে।

পাড়ায়-পাড়ায় কুকুর বৃদ্ধি হয়ে চলেছে। এভাবে চলতে থাকলে তাদের আবাসন সংস্থান হবে না। আবাসনে ব্যবস্থা নিতে হবে। কুকুর-বিড়াল দুই শ্রেণির বেওয়ারিশ ও ওয়ারিশ। বেওয়ারিশ কুকুর-বিড়াল যত্রতত্র ঘুরে বেড়ায়। তাদের খাবার থাকে ডাস্টবিনে; যেখানে গিয়ে খেয়ে রাস্তার উপর ময়লা ছিটায়। ওয়ারিশ কুকুর-বিড়াল বাড়িতে খাবার পেলেও মলমূত্র ত্যাগ করে রাস্তায়। বেওয়ারিশ কুকুর-বিড়ালও রাস্তায় মলমূত্র ত্যাগ করে। সেসব ময়লা মানুষের জুতা-স্যান্ডেলে লেগে ধরে চলে যায়; নতুবা রোদে শুকিয়ে ধুলার সঙ্গে মিশে মানুষের শরীরে প্রবেশ করে।

কুকুর-বিড়ালের কামড়ে জলাতঙ্ক রোগ,ডিপথেরিয়া রোগের সৃষ্টি হয়। এর থেকে পরিত্রান পেতে হবে। এদের নিয়ন্ত্রনের ব্যবস্থা করতে হবে। মলমূত্র পরিষ্কারের ব্যবস্থা নিতে হবে। এগুলোর দায়ভার মূলত পৌর-পিতাদের। তারা দেখভাল করবেন আশা করি।

লেখক: অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক, শিশু সাহিত্যিক

 

Close