বাগমারাশিক্ষাঙ্গন বার্তা

বাগমারায় এসএসসির ফরম পূরণে ব্যাপক অনয়িমরে অভযিোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি : রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় এস এস সি পরীক্ষার ফরম পূরণে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এস এস সি পরীক্ষার ফরম পূরণে উপজেলার ৬১ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় সবগুলোতেই মাত্রাতিরিক্ত ফি আদায় করা হচ্ছে। অধিকাংশ শিক্ষার্থীকে ফি গ্রহণের ক্ষেত্রে কোন রশিদ প্রদান করা হয়নি।

শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, এবারের এস এস সি পরীক্ষার ফরম পূরণের ক্ষেত্রে সরকার এবং বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত ফি বিজ্ঞান বিভাগ ১ হাজার ৮৩৫ টাকা এবং বাণিজ্য ও কলা বিভাগের জন্যে ১ হাজার ৭৩৫ টাকা করে ধার্য্য করা হয়েছে।
কিন্তু বাগমারার অধিকাংশ স্কুলে বিভিন্ন খাত সৃষ্টি করে প্রায় ২ হাজার ৪০০ টাকা থেকে ২ হাজার ৮০০ টাকা হারে ফি আদায় করা হচ্ছে। তবে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা বলছেন, ৩ মাসের বিশেষ ক্লাশ (কোচিং)বাবদ অগ্রিম বেতন, সেশন ,ব্যবহারিক খাতা ও স্কুলের উন্নয়ন ফি ছাড়াও বিভিন্ন খাত উল্লেখ করে নেওয়া হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার তাহেরপুর হাইস্কুল,চাঁইপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় ও হামিরকুৎসা উচ্চ বিদ্যালয়ে ফরম পূরণে মাত্রাতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ
পাওয়া গেছে। সেখানে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী প্রতি ২ হাজার ৮০০ টাকা, বাণিজ্য ও কলা বিভাগে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে নেওয়া হয়েছে।এ ব্যাপারে তাহেরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আতাউর রহমান অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বাগমারার অন্যান্য স্কুলে অনিয়ম হতে পারে আমার প্রতিষ্ঠানে কোন অনিয়ম হয়নি।

একই চিত্র পাওয় গেছে, তাহেরপুর পৌরসভার জামগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ঐ প্রতিষ্ঠানের একাধিক শিক্ষক অতিরিক্ত ফি আদায়ের সত্যতা স্বীকার করেন।তাহেরপুর হাইস্কুলের এক শিক্ষার্থীর অবিভাবক ক্ষোভ প্রকাশ
করে বলেন, আমার সন্তান মানবিক বিভাগে পড়ে। তার কাছে থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়া হয়েছে। তাহেরপুর হাইস্কুলের একাধিক আয়ের উৎস্য রয়েছে যা বাগমারার অন্য কোন স্কুলের নাই । তারপরও উনারা কেন এত অর্থ আদায় করছেন।
এভাবে বাগমারার গণিপুর ইউপির চান্দেরআড়া উচ্চ বিদ্যালয়,তাহেরপুর পৌরসভার জামগ্রাম হাইস্কুল,তাহেরপুর রিভার ভিউ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়,হমিরকুৎসা হাইস্কুল,চাঁইপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কনোপাড়া হাইস্কুল সহ অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়ম বহির্ভূতভাবে অর্থ আদায় করা হচ্ছে।

ইউ এনও জাকিউল ইসলাম এ বিষয়ে বলেন, ফি প্রদানের রশিদ সহ লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত পূর্বক ঐ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

বরেন্দ্র বার্তা/সাজোমা/মেহা

Close