মহানগরশিরোনাম

বিএনপি-জামায়াত আগুনসন্ত্রাস করলে প্রতিহত করা হবে : মেয়র লিটন

মহানগর প্রতিনি্ধিঃ ১৪   দল   রাজশাহীর   সমন্বয়ক,   মহানগর   আওয়ামী   লীগ   সভাপতি   ও সিটি   কর্পোরেশনের  মেয়র এএইচএম   খায়রুজ্জামান লিটন   বলেছেন,   ২০১৪   সালে   নির্বাচনের   পর   সারাদেশে   আগুনসন্ত্রাস  করা   হয়েছিল,  এবারের  নির্বাচনের  পর  সেই  বিএনপি-জামায়াত আগুন সন্ত্রাস করলে তা শক্তভাবে প্রতিহত করা হবে।আজ বুধবার সন্ধ্যায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশন বাজার এলাকায় রাজশাহী-২ আসনের প্রার্থী ফজলে হোসেন বাদশার পক্ষে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, একসময় এই স্টেশন বাজার, বুধপাড়া এলাকায় নৌকার কথা বলা যেতনা। আজ এখানে মেয়েদের উপস্থিতি ও করতালি, মুখরতা দেখে মনে হচ্ছে, সেই অন্ধকারের কীটেরা পরাজিত  হয়েছে। আমরাই বিজয়ী হয়েছি। নির্বাচনকে   ঘিরে নানা চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র   হচ্ছে। বিএনপি-জামায়াত-শিবির যতই ষড়যন্ত্র করুক, শেষ হাসি আমরাইহাসবো ইনশাল্লাহ। আমরাই মাথা উঁচু করে থাকবো।

তিনি আরো বলেন, বিএনপি ড. কামালকে সামনে রেখে বলছে, বিএনপি এখন মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের দল। কাকের গায়ে ময়ূরের পেখম লাগালে যেমন কাক ময়ূর হয় না, তেমনি বিএনপি-জামায়াত কখনো মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের দল হবে না। মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন আরো বলেন, নৌকায় ভোট দিলেআমাদের প্রধানমন্ত্রী হবেন শেখ হাসিনা। কিন্তু ধানের শীষে ভোট দিলে প্রধানমন্ত্রী কে হবেন কেউ জানে না। ট্রেনের ইঞ্জিন যদি ঠিক না থাকে, সেই ট্রেন চলে না। তেমনি বিএনপি দলের ইঞ্জিন ঠিক নাই, তারাও চলবে না। বিএনপিকে পড়েই থাকতে হবে। এখন সাধারণ মানুষেরাই বলছেন, উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে শেখ  হাসিনাকে আরেকটিবার ক্ষমতায় আনতে হবে। রাজশাহীর বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরে মেয়র লিটন বলেন, রাজশাহীতে ব্যাপক শিল্পায়ন করা হবে। শিল্পায়ন ও কল-কারখানাপ্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আগামী পাঁচ বছরে আমি ও বাদশা ভাই মিলেদুই লাখ চাকরি সুযোগ সৃষ্টি করতে চাই। প্রধানমন্ত্রীর কাছথেকে রাজশাহীর উন্নয়নের জন্যে ১০ হাজার কোটি টাকা আনতেচাই। বাদশা ভাই   এমপি হলে উন্নয়ন কাজ করা সহজ হবে। রাজশাহীর উন্নয়নের স্বার্থে আগামী ৩০ডিসেম্বর   বাদশা ভাইকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করুন। নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, উন্নয়নের ধারা দেখে মিনুরা এখন অপপ্রচার করছে। আমরা কোনো মানুষের বাড়িঘর উচ্ছেদ করিনি। আগামীতেও মানুষের বাড়ি-ঘর উচ্ছেদ করে কোনো উন্নয়ন কাজ হবে না।তিনি আরো বলেন, বিএনপি-জামায়াত অনেক ষড়যন্ত্র করছে।আমরা জানতে পেরেছি তারা গোপনে ভূয়া ব্যালট পেপার ছাপিয়েছে। আগামী ৩০ ডিসেম্বর ভোটকেন্দ্র মুক্তিযোদ্ধাদেরমতো পাহারা দিতে হবে। মতিহার থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আব্দুলমান্নানের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য দেন মহানগর আওয়ামীলীগের   সহ-সভাপতি   অধ্যক্ষ   শফিকুর   রহমান   বাদশা,   ওয়ার্কাস পার্টির   মহানগরের সভাপতি লিয়াকত আলী লিকু প্রমুখ। আরো উপস্থিত ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাইমুল   হুদা রানা, সাংগঠনিক   সম্পাদক   এ্যাড। আসলাম   সরকারসহ   ১৪   দল   ও   মহাজোটের   নেতৃবৃন্দ।   সভারসঞ্চালনায়   ছিলেন   মতিহার   থানা   আওয়ামী   লীগের   সাধারণ সম্পাদক মো. আলাউদ্দিন। বরেন্দ্র বার্তা/নাশি/এই

 

Close