মহানগরশিরোনাম

শেষ মুহূর্তের প্রচার প্রচারণায় সরগরম নগরী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ শেষ মুহূর্তের প্রচার প্রচারণায় সরগরম সারা দেশ। সকাল থেকেই প্রার্থীরা ছুটেছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে। কর্মী-সমর্থকরাও চালাচ্ছেন প্রচারণা। ভোটারদের মন জয়ে দিচ্ছেন উন্নয়নের নানারকম নতুন নতুন প্রতিশ্রুতি।

নির্বাচন ঘরের দুয়ারে কড়া নাড়ছে। বাঁকি আর মাত্র ৩দিন। তাই রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা শেষ মুহুর্তে গণসংযোগে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে। তবে প্রচারনায় মূলত বড় দুটি রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রার্থীদেরই দেখা যাচ্ছে বেশি।

রাজশাহী-২ আসনে এবার সংসদ সদস্য প্রার্থী রয়েছে মহাজোট মনোনীত ফজলে হোসেন বাদশ, ঐক্যফ্রন্টের মিজানুর রহমান মিনু, বাম গণতান্ত্রিক জোটের এনামুল হক, ইসলামী আন্দোলনের ফজলুল হক মনি। সকল প্রার্থীরাই নিজেদের মতো করে ভোটারদের কাছে নিজেকে তুলে ধরছেন এবং ভোট চাচ্ছেন।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী ৩০ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে
সেহিসেবে আগামীকাল শুক্রবার সকাল ৮টায়( ৪৮ঘন্টা পুর্বে) প্রচারনা শেষ হচ্ছে। এরপর তারা আর কোনোপ্রকার প্রচারনায় অংশ নিতে পারবেনা। তাই ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি।

মাইকিং এর মাধ্যমে চলছে নগরী সহ আশপাশের উপজেলায় নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা। উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি নিয়ে শেষ মুহূর্তের প্রচারণায় ব্যস্ত প্রার্থীরা।

মাইকে জোরকদমে চলছে প্রার্থীদের উন্নয়ন তালিকা প্রচারের মাধ্যমে ভোট চাওয়া। মাঝেমাঝে কমেডি গানের মাধ্যমে প্রার্থীদের উন্নয়ন প্রচারের মাধ্যমে ভোট প্রার্থনা। কখনো কখনো একই জায়গায় একাধিক মাইকের জোরালো প্রচারনায় বিকট শব্দদূষনসহ জনসাধারণের অসহনীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে।

সাহেববাজার এলাকার এক ব্যক্তি দোকানি জানান, একসাথে কয়েকটা মাইকের শব্দে কোনো ক্রেতার কথা শোনা যায়না। ফোনে কথা বলা যায়না।

ভোটারদের কয়েকজন বলেন, দেখে-শুনে বুঝে ভোট দেবেন তারা। যাকে যোগ্য মনে হবে, এলাকার এবং দেশের উন্নতি হবে তাকেই বেছে নেবেন তারা তাঁকেই ভোট দিবেন । যাকে দিয়ে এলাকার উন্নয়ন হবে, সবার সুখ-দু:খে পাশে থাকবে, তাকেই ভোট দিব আমরা।’

আর নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সব ধরণের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে নির্বাচনের কমিশেনর পক্ষ থেকে। নির্বাচন উপলক্ষে সেনাবাহিনী মাঠে নেমেছে। র‍্যাব, পুলিশের বিভিন্ন টিম, বিজিবি মাঠে থাকবে। এছাড়াও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটরাও দায়িত্ব পালন করবেন।

বরেন্দ্র বার্তা/ পাস/ নাসি

Close