নওগাঁশিরোনাম-২

সাধন মজুমদারকে মন্ত্রী হিসেবে চান নওগাঁবাসী

নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁ-১ আসনে (সাপাহার-পোরশা-সিয়ামতপুর) হেবী ওয়েট প্রার্থী ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা সাধন চন্দ্র মজুমদার। শুরু থেকেই তার বিজয় নিয়ে দৃঢ আত্ন প্রত্যয়ী ছিলো আওয়ামী লীগ।

নওগাঁ থেকে এবারো ৬ টি আসনেই আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন।

স্থানীয় নেতা কর্মিরা জানান, নওগাঁ-১ আসন থেকে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হবার পর সাধন চন্দ্র মজুমদার তৃনমূলে সাংগঠনিক কার্যক্রম শক্ত করার কাজে হাত দেন। নির্বাচনী এলাকায় দলের কর্মি সমর্থকদের ঐক্যবন্ধ করে সামনে এগিয়ে নেন। আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগসহ অন্যান্য অঙ্গ সংগঠন সূমহের প্রতিটি সাংগঠনিক কমিটি গঠন নিয়মিত করার জন্য তিনি নিরলস শ্রম দিয়েছেন।

প্রতিটি কমিটি গঠনে সাধন চন্দ্র মজুমদার বিচক্ষনতার সাথে নেতৃত্ব দিয়ে যাচাই-বাছাই করে যোগ্য নেতৃত্বের মূল্যায়ন করেছেন। পরিশ্রমি মেধাবী ও ত্যাগী নেতা কর্মিরা দ্বায়িত্ব পেয়েছেন আসনটির প্রতিটি কমিটিতে। সংগঠন সুসংগঠিত করতে গিয়ে একসময় নিজেই অপ্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠেছেন সাধন মজুমদার।নির্বাচনেও সেই ঐক্য ছিলো চোখে পরার মত। অবাধ সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে সাধারন মানুষ আবারো সাধন চন্দ্র মজুমদারকে এমপি হিসেবে বেছে নিয়েছেন। বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন তিনি।

সাধারন ভোটাররা জানান, একসময় আসনটি বিএনপি-জামায়াতের শক্ত দূর্গ ছিলো। কিন্তু এলাকার তথা এলাকার মানুষের উন্নয়নে কখনই কেউ কাজ করেনি। সাধন চন্দ্র মজুমদার নির্বাচিত হবার পর থেকে শুরু হয় উন্নয়ন। ১০ বছরে তিনি এলাকার যেগাযোগ ব্যবস্থা, গ্রামীন অবকাঠামো, বিদ্যুৎ, দারিদ্র বিমোচনসহ সব ধরনের উন্নয়নে অন্য যে কোন এলাকার চেয়ে এগিয়ে।

স্থানীয়রা জানান, সাধারন মানুষের সুখে-দু:খে সাধন চন্দ্র মজুমদার ১০ বছর মিলে মিশে ছিলেন। বন্যা, খড়া ও অন্যান্য প্রতিকুল সময়ে তিনি নেতা কর্মিদের নিয়ে প্রতিকুলতা মোকাবেলা করেছেন। ২০১৭ সালের ভয়াবহ বন্যার পর কৃষকের উন্নয়নে তিনি নিজ উদ্যোগে বিভিন্ন উপজেলায় ধান বীজতলা তৈরী করে সারাদেশে আলোচনায় আসেন। কৃষকরা তার অবদানের কথা কোনদিন ভূলবেনা। সরকারী সহযোগিতার পাশাপাশি তিনি নিজস্ব্ উদ্যোগে বাড়ি-ঘর নির্মান ও কর্মসংস্থানে সাধরন মানুষের পাশে ছিলেন।

সমানতালে তিনি জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম ত্বরান্বিত করতে ভূমিকা রেখেছেন। জেলা কমিটির সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হবার পর শক্ত অবস্থানে নওগাঁ জেলা আওয়ামী লীগ। যা পরবর্তীতে উপজেলা পরিষদ, ইউনিয় পরিষদ ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা জয়লাভের মধ্য দিয়ে প্রমান করেছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সভানেত্রীর কাছে নওগাঁবাসী সবকটি আসন উপহার দিয়েছেন। তাই চাওয়া রয়েছে মন্ত্রীত্ব। তাদের দাবি সাধন চন্দ্র মজুমদারকে যে কোন মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী হিসেবে পেতে চান এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে নওগাঁ-১ আসনের সংসদ সদস্য ও নওগাঁ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন- বিপুল ভোটের বিনিময়ে নওগাঁর ৬ টি আসন নেত্রীকে উপহাড় দিয়েছে সাধারন ভোটাররা। চাওয়া পাওয়ার প্রশ্নে তিনি বলেন- আমরা আশাবাদী। নেত্রী মন্ত্রনালয়ের দ্বায়িত্ব দিয়ে নওগাঁর মানুষের চাওয়া পূরন করবেন।

বঙ্গবন্ধু কন্য জননেত্রী শেখ হাসিনা যে দ্বায়িত্বই দিবেন সেই দ্বায়িত্বই যথাযথ ভাবে পালন করার প্রতিশ্রতি ব্যাক্ত করেন সাধন চন্দ্র মজুমদার। বরেন্দ্র বার্তা/কাকাহো/অপস

Close