শিরোনাম-২স্বাস্থ্য বার্তা

শিশুর জন্য ক্ষতিকর খাবার

স্বাস্থ্য বার্তা ডেস্ক : শিশুদের খাবাদের অনেক ক্যালোরির দরকার নেই, যেটা দরকার তা হল পুষ্টি। তারপরো আমরা অনেকেই শিশুদের প্রায়ই জাঙ্ক ফুড দিয়ে থাকি যাতে থাকে প্রচুর ক্যালোরি, চিনি এবং টেস্টিং সল্ট। এসব খাবারে পুষ্টিগুন নেই বললেই চলে।
জাঙ্ক ফুড খেলে শিশুদের ছোট্ট পেট খুব দ্রুতই ভরে যায়। সুতরাং রেগুলার জাঙ্ক ফুড খেলে দেখা যায় পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার মত আর জায়গা থাকে তাদের পেটে। পুষ্টিবিদের মতে এ ধরণের পুষ্টি ঘাটতি শিশুদের নিয়মিত যে শারীরিক এবং মানসিক বিকাশ তার ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।
সে জন্যই বাবা মায়ের জানাটা খুবই জরুরী কোন খাবারটি শিশুর জন্যে ভাল আর কোনটি ক্ষতিকর। আমরা এখানে প্রকাশ করছি শিশুদের জন্যে সবথেকে ক্ষতিকর যে খাবারগুলি তার নাম। পুষ্টির ব্যাপারটি ছাড়াও গলায় আটকে যাবার সম্ভাবনা থাকে যেসব খাবার খেলে তাও এড়ানো উচিৎ।
১। হট ডগ এবং অন্যান্যঃ
শক্ত, আঠালো, গোটা খাবার গুলি ছোট শিশুদের জন্যে এমনিতেই ভয়ংকর কারণ তা গলায় আটকে যাবার সম্ভাবনা থাকে। তাই হট ডগ, সসেজ, মাংসের বড় টুকরো, পপকর্ণ, আস্ত বাদাম বা আঙ্গুর ইত্যাদি শিশুদের না দেয়াই উচিৎ। শিশু যখন নিজে নিজে খাওয়া শুরু করবে তখন তাকে যেকেনো বড় টুকরোর খাবার কেটে বা ভেঙ্গে ছোট করে দিন।
২। সফট ড্রিংক্সঃ
কোক, পেপসি থেকে শুরু করে যেকোন সফট ড্রিংকস শিশুদের জন্যে অত্যন্ত ক্ষতিকর। এসব ড্রিংকসে রয়েছে প্রচুর সুগার, ক্যাফেইন, ফসফরিক এসিড, ফ্লেভারযুক্ত ক্যামিকেল, কার্বনেটেড ওয়াটার। কোকের একটি ক্যানে থাকে ৩৯ গ্রাম কার্বোহাইড্রেড যা ১০ চামুচ চিনির সমান, ৫০ গ্রাম সোডিয়াম আর ১৪০ ক্যালোরি। উপাদানগুলি যেখানে বড়দের জন্যেই ক্ষতিকর সেখানে ভেবে দেখুন শিশুদের জন্যে কতটা ক্ষতিকর পানীয় এটি।
৩। প্রসেসড ফুড বা প্রক্রিয়াজাত খাবারঃ
একটি খাবারকে যত প্রসেস করা হয় তার পুষ্টিগুন ততই কমতে থাকে আর চিনি, লবণ এবং ফ্যাটের পরিমাণ বাড়তে থাকে। রেডি-টু-ইট অর্থাৎ প্রসেসড খাবারগুলি সাধারণত বড়দের জন্যে। শিশুদের জন্যে ফ্রেশ রান্না করা খাবার উত্তম। যেমন, বাইরের চিকেন ফ্রাই, যেগুলিতে কিনা থাকে প্রচুর সোডিয়াম, শিশুকে খেতে না দিয়ে বাসায় নুডুলস সিদ্ধ করে উপরে একটু চিজ দিয়ে শিশুকে খেতে দিন। আলুর চিপস, সসেজ, চিকেন ফ্রাই এগুলো সবই প্রসেসড ফুড।
৪। জুসঃ
বাজারের কেনা জুসে ফল থাকলেও তা স্বাস্থ্যকর না। ফলগুলিকে যখন প্রসেসড করা হয় তখন তার ফাইবার সহ অন্যান্য পুষ্টিগুন হারিয়ে যায় এবং থাকে শুধু চিনি। এক বছরের নিচের বাচ্চাদের জুস খেতে দেয়া একেবারেই উচিৎ না। ফল কিনে যদি আপনি ঘরেই জুস তৈরি করতে পারেন তবে তা দিন শিশুকে। অথবা সরাসরি ফল খেতে দিন শিশুকে।বরেন্দ্র বার্তা/অপস

Close