শিরোনাম-২স্বাস্থ্য বার্তা

হিট স্ট্রোক

স্বাস্থ্য ডেস্ক: গ্রীষ্মকার চলছে, উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে বিশ্বের তাপমাত্রা। আর গরম যত বাড়ছে, ততই বাড়ছে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকিও। তাই এই গরমে ঘরের বাইরে পা রাখার আগে হিট স্ট্রোকের লক্ষণগুলো সম্পর্কে জেনে নিয়ে সতর্ক হওয়া জরুরি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জিনিউজের প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে হিট স্ট্রোকের বেশ কিছু লক্ষণ। একই সঙ্গে দেওয়া হয়েছে একাধিক সতর্কতা…
হিট স্ট্রোকের লক্ষণ
* ঘাম বন্ধ হয়ে যাওয়া হিট স্ট্রোকের একটি অন্যতম লক্ষণ।
* হিট স্ট্রোকের আগে ত্বক শুষ্ক আর লালচে হয়ে ওঠে।
* হিট স্ট্রোকের আগে রক্তচাপ অস্বাভাবিক ভাবে কমে যায়।
* এ সময় শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে প্রস্রাবের পরিমাণ অনেকটাই কমে যায়।
* হিট স্ট্রোকের সময় নাড়ির স্পন্দন অত্যন্ত ক্ষীণ ও দ্রুত হয়ে যায়।
* হিট স্ট্রোকের আগে মাথা ঝিমঝিম করা, শরীরে খিঁচুনি হতে পারে।
* হিট স্ট্রোকের আগে বমি বমি ভাব বা বমি হতে পারে।
* শরীরের তাপমাত্রা অস্বাভাবিক মাত্রায় বেড়ে যায়। হিট স্ট্রোকের সময় শরীরের তাপমাত্রা ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট (৪০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড) বা তার চেয়ে বেশি হতে পারে।

হিট স্ট্রোকের
হিট ষ্ট্রোকে আক্রান্ত হলে যা করনীয়

হিট স্ট্রোক প্রতিরোধে করণীয়
*গরমে হালকা ঢিলেঢালা পোশাক পড়ুন। এতে সহজেই বাতাস চলাচল করতে পারে। খুব আঁটোসাটো পোশাক না পরাই ভাল।
*হিট স্ট্রোক হলে আক্রান্তকে যত দ্রুত সম্ভব ঠাণ্ডা পরিবেশে সরিয়ে আনতে হবে। সম্ভব হলে হিট স্ট্রোকে আক্রান্তকে বাতানুকুল (এয়ারকন্ডিশন্ড) ঘরে রাখতে হবে।
* যে কোনো উপায়ে হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের তাপমাত্রা কমানোর চেষ্টা করতে হবে। হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীর জলে ভেজানো কাপড় দিয়ে মুছিয়ে দিতে হবে। প্রয়োজনে ভেজা কাপড় দিয়ে কিছুক্ষণ জড়িয়ে রাখতে হবে। সেই সঙ্গে ঘরের পাখা চালিয়ে রাখতে হবে।
* যাদের দিনের বেশির ভাগ সময় বাইরে খোলা আকাশের নীচে কাটাতে হয় বা রোদে ঘোরাঘুরি করতে হয়, তাদের একটানা বেশিক্ষণ পরিশ্রমের কাজ না করাই ভালো। ছোট ছোট বিরতি নিয়ে কাজ করাই ভালো।
* প্রাথমিক পর্যায়ে হিট স্ট্রোকের মোকাবিলা করার পর যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসকের কাছে যান। চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলুন।বরেন্দ্র বার্তা/অপস

Close