অর্থ ও বাণিজ্যশিরোনাম

আসছে নির্বাচনি বাজেট

ডেক্স রির্পোট: নির্বাচনকে সামনে রেখে  আসছে বাজেট ,এই বাজেট হবে নির্বাচনি বাজেট । এতে নতুন উদ্যোগের চেয়ে গুরুত্বপাবে পুরোনো প্রকল্পগুলোই।  আগামী ৭ ই জুন পেশ হতে যাচ্ছে ২০১৮-২০১৯ সালের বাজেট  এবং ৩০ জুন জাতীয় সংসদে বাজেট পাস হবে । অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতের দ্বাদশ এ বাজেট হতে যাচ্ছে বর্তমান সরকারের দ্বিতীয় মেয়াদের শেষ বাজেট। এ বাজেটের মাধ্যমে সরকারের রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নের সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে বলে অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়।

আগামী অর্থবছরের সম্ভাব্য বাজেট হতে যাচ্ছে চার লাখ ৬৮ হাজার ২০০ কোটি টাকা । নির্বাচনের বছর হওয়ায় এ বছর ঘোষিত বাজেটে কিছু ক্ষেত্রে বাড়তি ব্যয় যোগ হচ্ছে  । আগামী বাজেট হবে সর্ববৃহৎ হবে বলে  জানিয়েছেনএনবিআর চেয়ারম্যান  ।

বাজেট ব্যয়ের এক-তৃতীয়াংশ তথা এক লাখ ৭৯ হাজার ৮২৪ কোটি টাকা ব্যয় হবে সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা, ঋণের সুদ পরিশোধ, ভর্তুকি ও প্রণোদনা এবং সেবা- এ চারটি খাতে। উৎপাদনশীল না হলেও এসব খাতের ব্যয় যেহেতু অপরিহার্য, তাই এগুলোসহ সব খাতে সরকারের ব্যয় ও আয়ের মাঝে ভারসাম্য থাকতে হবে। একইসঙ্গে উন্নয়নশীল দেশ হওয়ায় অনুৎপাদনশীল খাতের তুলনায় উৎপাদনশীল খাতের ব্যয় হতে হবে বেশি। অন্যথায় কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব হবে না।

আগামী অর্থবছরের বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতা বাবদ ব্যয় হবে ৬৬ হাজার ২২৪ কোটি টাকা; যা বর্তমান অর্থবছরের ৫৩ হাজার ৮৩৩ কোটি টাকা থেকে ১২ হাজার ৩৯১ কোটি টাকা বেশি। এরপরই রয়েছে ঋণের সুদ পরিশোধ বাবদ ৫১ হাজার ৩৩৫ কোটি টাকা ব্যয়, যা বর্তমান অর্থবছরের তুলনায় ৯ হাজার ৮৭৮ কোটি টাকা বেশি। দেখা যাচ্ছে একদিকে সরকারের ঋণ নেয়া ও সুদ পরিশোধের পরিমাণ বাড়ছে, অন্যদিকে বিভিন্ন খাতে বাজেটের বরাদ্দ অর্থ ব্যয় সম্ভব হচ্ছে না। ফলে অহেতুক ঋণ নিয়ে কাজে লাগানো ছাড়াই সরকারকে সুদ পরিশোধ করতে হচ্ছে কিনা, তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া দরকার।

অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী বাজেটে মানবসম্পদ, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, স্যানিটেশন ইত্যাদি বিষয়ে গুরুত্ব দেয়া হবে।
অর্থমন্ত্রী আশা ব্যাক্ত করে বলেন, চলতি অর্থবছর শেষে বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়বে। দেশে করপোরেট ট্যাক্স বেশি এটি এ বছরের বাজেটে কমানো হবে। তবে ট্যাক্সের পরিধি বাড়বে। আমরা আশা করছি, ২০২৫ সালের মধ্যে দেশের ৫০-৬০ শতাংশ লোক ট্যাক্স দেবে। আছে । জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া বলেছেন, ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেট হবে জনকল্যাণমুখী ও ব্যবসাবান্ধব। এবারের বাজেটে ব্যবসায়ীদের স্বার্থ দেখা হবে । ব্যক্তি পর্যায়ে আয়করের সীমা আড়াই লাখ টাকার পরিবর্তে সাড়ে তিন লাখ টাকা, বিদেশ ভ্রমণ কর প্রত্যাহার করা যায় কিনা তা বিবেচনাধীন আছে বাংলাদেশের মতো ছোট একটি দেশের বাজেট এখন চার লাখ কোটি টাকা, যা প্রতিবছরই বৃদ্ধি পাচ্ছে।বাজেটে রপ্তানি বাড়াতে নেয়া হবে নানা পদক্ষেপ।

বরেন্দ্র বার্তা /অপস

 

Close