বাগমারাশিরোনাম-২

বাগমারায় পুলিশ সোর্সের বিরুদ্ধে বেপারোয়া চাঁদাবাজির অভিযোগ

এসএম সামসুজ্জোহা মামুন বিশেষ প্রতিনিধিঃ রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার রামরামা আরঙ্গবাদ গ্রামের পুলিশের সোর্স নামধারী মজিদুল ওরফে কাসানীর বেপরোয়া চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে এলাকাবাসি ।

মজিদুল এলাকার সাধারন মানুষকে নানাভাবে হেনস্থা করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে ।

কয়েকদিন আগে কাসানী আরঙ্গবাদ গ্রামের মৎস্যব্যবসায়ী কাওসারের কাছে পাঁচ লক্ষ টাকা চাঁদাদাবি করে । দাবিকৃত চাঁদার টাকা কাওসার দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় গত  ১৪ ইমেতার পুকুরের মাছের খাবার ভর্তি ভ্যান নিয়ে যাওয়ার পথে রামরামা হিন্দুপাড়া বটতলা নামকস্থানে

ভ্যানচালক শাহাদ আলীকে আটকে দেয় মজিদুল  ।এ সময় ভ্যানচালককে আটকে কাওসারের কাছে থেকে চাঁদার ৫ লাখ টাকা এনে দিতে বলে ।একপর্যায় উভয়ের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়।এসময় কাসানী বড় হাসুয়া নিয়ে শাহাদকে তাড়া করে।এঘটনায় কাওছার আলী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।মজিদুল ওরফে কাসানীর বিরুদ্ধে ভয়ংকর সব চাদাবাজির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অনুসন্ধানেজানাযায়,কিছুদিন পূর্বে হাসনীপুর গ্রামের নুরুদ্দীনের ছেলে চান্দু মিয়ার কাছে মিথ্যে মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে ৫০হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। চান্দু চাদার টাকা দিতে অসম্মত হলে, তার মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে পুলিশ নিয়ে এসে বিয়ে ভেঙ্গে দেয়।এতে ঐমেয়ের বাবা অর্থনৈতিক ও সামাজিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।ভুয়া সোর্স মজিদুলের চাদার কাহিনী এখানেই শেষ নয়।

দক্ষিনসাজুড়িয়া গ্রামের ইসলামের ভাগ্নে-বউ এর পারিবারিক দ্বন্দকে কেন্দ্র করে সোর্স কাসানী ও ইব্রাহীম ইসলামের পরিবারকে মাদক মামলায় ফাসানোর ভয় দেখিয়ে ৪৮ হাজার টাকা চাদা আদায় করে

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সাজুড়িয়া গ্রামের একভ্যানচাল কজানান, সোর্সরা সাধারণ মানুষকে মিথ্যে মামলায় জড়ানোর ভয় দেখিয়ে মোটা অংকের চাদা আদায় করে।গ্রামের ছোট খাটো বিষয় নিয়ে পুলিশের ভয় দেখিয়ে চাদাবাজি করে।এদেরবিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসী।বরেন্দ্র বার্তা/হাপি

Close