বাগমারাশিরোনাম

বাগমারায় ইউপি চেয়ারম্যান আটকের পনের ঘন্টা পর জামিনে মুক্ত

আব্দুল মতিন, বাগমারা প্রতিনিধি: পনের ঘন্টা হাজত বাসের পর আদালত থেকে জামিন পেয়েছেন, রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার ১৬ নম্বর যোগীপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারন সম্পাদক মোস্তফা কামাল। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজশাহীর একটি আদালত থেকে তিনি জামিন লাভ করেন বলেন জেলা পরিষদের সদস্য ও উপজেলা তরুন লীগের সভাপতি মাষ্টার আবু জাফর জানিয়েছেন।
ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তফা কামালের পরিবারের অভিযোগ, গত বুধবার সন্ধ্যায় (ইফতারের) পর ভাগনদী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ তাকে চা পানের আমন্ত্রন জানান। ইনচার্জের কথামত ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল ভাগনদী পুলিশ ফাঁড়িতে যান এবং চা পান করেন। তিনি বাড়িতে ফিরে আসতে চাইলে তাকে সেখানে বসে রাখা হয়। কিছুক্ষন পরেই বাগমারা থানার সেকেন্ড অফিসার মনিরুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ভাগনদী পুলিশ ফাঁড়িতে যান এবং ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তফা কামালকে ওসি সাহেব ডেকেছেন বলে পুলিশের পিকআপ ভ্যানে তুলে থানাতে নিয়ে আসেন। বিষয়টি নিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল বার বার তার অপরাধ সর্ম্পকে ওসি আতাউর রহমান কাছে জানতে চান। ওসি আতাউর রহমান ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তফা কামালকে এসপি সাহেবের দোহাই দিয়ে আটক রাখে। এক পর্যায়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে তদবীর বেড়ে গেলে রাতেই ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তফা কামালকে বাগমারা থেকে মোহনপুর থানায় স্থান্তর করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারন সম্পাদক মোস্তফা কামালকে আদালতে হাজির করলে আদালত তাকে জামিনে মুক্তি দেন। মুক্তি পেয়ে ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল অভিযোগ করে বলেন, আমি চক্রান্তের শিকার। তিনি আরো অভিযোগ করে বলেন আ’লীগ করা ও অন্যায়ের প্রতিবাদ করার কারনেই আজ আমাকে হাজত খাটতে হয়েছে। যে হেতু আমাদের কেউ নেই। আল্লাহ আছেন, তার উপর বিচার দিলাম। তিনিই একদিন এদের বিচার করবেন।
এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে বাগমারা থানার ওসি আতাউর রহমান বলেন, চলতি মাসের ৩ তারিখে যোগীপাড়ায় এক শিশু ধর্ষনের চেষ্টার ঘটনা স্থানীয় ভাবে মিটমাট করেছেন। ওই ঘটনায় মামলা হলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ভাগনদী পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) বজলুর রহমান ইউপি চেয়ারম্যান ও আ’লীগের সাধারন সম্পাদক মোস্তফা কামালের জড়িত থাকার প্রমান পান। ওই ঘটনায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।বরেন্দ্র বার্তা/অপস

Close