মহানগরশিরোনাম

নগরীর ক্লিনিকগুলোতে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে ২টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রনী খাতুন ও নাজিয়া হোসেন এবং ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. আলম ইফতে খায়ের, বেলায়েত এর নেতৃত্বে রাজশাহী মহানগরীর ক্লিনিকগুলোতে অভিযান চালায়।এ সময় বিভিন্ন ক্লিনিকের অভ্যন্তরীন মেশনারীজ ও চিকিৎসা ব্যবস্থায় ব্যবহৃত সরঞ্জাম পরীক্ষা করা হয়।
অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রনী খাতুন বলেন, লাইসেন্স না নিয়েই দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। বেআইনি কাজ করায় তাদের জরিমানা ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অভিযানে এইড প্লাস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড এজমা সেন্টার লিমিটেড ও সা’দ ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধের নির্দশ দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। লাইসেন্স না থাকায় অবৈধ এ প্রতিষ্ঠান দু’টি মঙ্গলবার (২১ মে) দুপুরে বন্ধ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এ সময় তাদেরকে জরিমানাও করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজের সামনে অবস্থিত সাদ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। এই ডায়াগনস্টিক সেন্টারেরও কোনো লাইসেন্স নেই। ডায়াগনস্টিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার উপযোগী পরিবেশও নেই।
সেখানে দেখা যা তারা দেখতে পান চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই রোগীদের বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। বিশেষ করে গ্রামের সহজ-সরল মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিল।পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত সাদ ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। লাইসেন্স না পাওয়া পর্যন্ত ডায়াগনস্টিক সেন্টারটির বন্ধ রাখারও নির্দেশ দেওয়া হয়।
লক্ষ্মীপুর এলাকার এইড প্লাস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড এজমা সেন্টার লিমিটেডে মঙ্গলবার দুপুরে হানা দেয় জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত সেখানে দেখা যায় সিভিল সার্জনের কার্যালয় থেকে কোনো অনুমতি বা লাইসেন্স ছাড়াই চলছে এর কার্যক্রম।
সেখানে ডায়াগনস্টিক সেন্টার স্থাপনের কোনো নিয়মই মানা হয় নি। নেই পর্যাপ্ত ও প্রশিক্ষিত জনবল। ফ্রিজে খাবারের সাথেই রাখা হয়েছে ওষুধ রিএজেন্ট (অন্য পদার্থের অস্তিত্ব জানার জন্য ব্যবহৃত বস্তু)। তবে বেশির রিএজেন্টের মোড়কেই লেখা নেই মেয়াদ। অভিযানের সময় সেখানে পাওয়া যায় নি চিকিৎসকও। ছিলেন না ম্যানেজারও।
পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্দেশে হাজির হন এইড প্লাসের ম্যানেজার সিরাজুর রহমান। ডায়াগনস্টিক সেন্টারটির লাইসেন্স না থাকা ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এ সময় ডায়াগনস্টিক সেন্টারটি বন্ধের নির্দেশ দেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রনী খাতুন।
জনস্বার্থে এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান এই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। বরেন্দ্র বার্তা/অপস

Close