গোদাগাড়িশিরোনাম

আ’লীগ নেতা ইসমাইল হত্যায় জড়িত আরো ২ আসামী রিমান্ডে এবং ৮ জন কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক: গোদাগাড়ীর দেওপাড়া ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ নেতা ইসমাইল হত্যার সাথে জড়িত দুই এজাহারভূক্ত মালিগাছা গ্রামের মৃতলায়েব আলীর ছেলে মাসুম আকতার স্বাধীন(৪৩) এবং ধরমপুর গ্রামের মৃত আব্দুল জলিলের ছেলে বুলবুলকে (৪৫) আজ সোমাবার ২দিনের রিমান্ড দেওয়া হয়। চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এ রায় দেন। এনিয়ে মোট সাতজনকে রিমান্ড দিলেন বিচারক। আসামীগণের এ্যাডভোকেট জামিন আবেদন করলে বিচারক জামিন না মঞ্জুর করেন। এদিকে বাদী উকির আসামীদের পাঁচদিনের রিমান্ড আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানী শেষে বিচারক রাসেল মাহমুদ প্রত্যেককে ২দিন করে রিমান্ড প্রদান করেন।
এদিকে জেলা দায়রা জজ আদালতে একই মামলার এজাহার ভুক্ত ১-১০ জনের মধ্যে ১ নং আসামী পালপুরের আবু সুফিয়ান (৫০) ও ৩নং আসামী ধরমপুরের শেখ সামাদের ছেলে জাহির (৪৫) বাদে অন্যান্য আসামী মালিগাছা গ্রামের মৃত জকিমুদ্দিন এর ছেলে অসীম রেজা, জকিমুদ্দিন এর ছেলে মোস্তাক আহম্মেদ ওরফে মেজরা(৩৫), মালিগাছা গ্রামের গোলাম মোস্তফার ছেলে শরীফ দুলাল ওরফে সেতু (৩৬), মৃত জকিমুদ্দিন এর ছেলে সাখাওয়াত হোসেন (৪০). মৃত সাজাহান এর ছেলে মীর কাশিম ওরফে সাহেব (৪৮), ইমাম মন্ডলের ছেলে লাভলু (৫০), মৃত সাজাহান আলীর ছেলে ভকত আলী ( ৪২), রায়হান আলীর ছেলে আমিনুল ইসলাম ( ৪৫) আসামীরা কোর্টে হাজিরা দেন। তারা হাইকোর্ট থেকে দুই সপ্তাহের জামিনে ছিলেন। আজ সোমাবার তারা পুণরায় অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ-৩ আদালতে আত্ম সমর্পন করে জামিন চাইলে বিচারক এমদাদুল হক রিপন তাদের জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। এনিয়ে মোট ২৩ জন আসামী আটক হলো।
এবিষয়ে জানতে চাইলে চাইলে বাদী পক্ষের এ্যাডভোকেট এপিপি এজাজুল হক মানু বলেন, ১-১০ নম্বর আসামীরা হাইকোটে থেকে দুই সপ্তাহের জামিনে ছিলেন। শেষ দিনে আজ আসামীরা আত্মসমর্পন করে জামিনে জন্য এই আদালতে হাজিরা দেন। এসময়ে পিপি ইব্রাহিম ও তিনি উপস্থিত থেকে জামিনে বিরোধা করেন। আসামী পক্ষের উকিল জুয়েল ও সামসুল হক উপস্থিত ছিলেন এসময়ে উপস্থিত ছিলেন। উভয় পক্ষের শুনানী শেষে বিচারক আসামীদের জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে সকলকেই জেল হাজতে প্রেরণ করার নির্দেশ দেন বলে জানান তিনি। এই আদেশে তিনি খুশি বলে উল্লেখ করেন।
এদিকে ইসমাইলের ছেলে নাইম আহম্মেদ বলেন, বিচারক যে রায় দিয়েছেন তাতে তিনি খুশি। সেইসাথে আসামীদের দ্রুত বিচার ট্রাব্যুনালের মাধ্যমে দ্রুত বিচার করে সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদানের দাবী করেন তিনি।
উল্লেখ্য গত বছরের ডিসেম্বর মাসের ৩০ তারিখ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন গোদাগাড়ীর পালপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নির্বাচনে সরকার দলীয় প্রার্থীর নির্বাচনী আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময়ে বিএনপি জামায়াতের সন্ত্রাসীদের হামলায় ইসমাইল গুরুত্বর আহত হন। পরে রাজশাহী মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। এতে নিহতের স্ত্রী বিজলী বেগম বাদী হয়ে এজাহারভূক্ত মোট বাইশজন আসামী ছাড়াও অজ্ঞাত ৫০-৬০জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। বরেন্দ্র বার্তা/ফকবা/অপস

Close