বাগমারাশিরোনাম

বাগমারায় সোনালী ব্যাংকে গ্রাহক অসন্তোষ বেড়েছে

বাগমারা প্রতিনিধি: রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার সোনালী ব্যাংক ভবানীগঞ্জ শাখায় গ্রাহকরা নানা বিড়ম্বনার শিকার হয়ে গ্রাহকদের মাঝে অসন্তোষ বেড়েছে। কাঙ্খিত সেবা না পেয়ে গ্রাহকদের মাঝে চরম ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শাখা ব্যবস্থাপকের অবহেলার কারনে টাকা উত্তোলনসহ নানা কাজে ব্যাংকে আসা শিক্ষকসহ বিভিন্ন গ্রাহকরা নানা ভাবে হয়রানীর শিকার হচ্ছেন বলে জানা গেছে।
জানা যায়, উপজেলা সদরের বে-সরকারী শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন ভাতা উত্তোলনের একমাত্র ব্যাংক সোনালী ব্যাংক শাখায় প্রায় ৮ হাজার গ্রাহক। এর মধ্যে ৫ হাজার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছে। বর্তমানে জনবল সংকট না থাকলেও ব্যাংকের কতিপয় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবহেলার কারণে বে-সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কর্মচারীরা বেতন বিলের টাকা উত্তোলনে প্রতি নিয়তই ভোগান্তির শিকার হন। ভুক্তভোগী এসব শিক্ষকদের অভিযোগ, ব্যাংকের অনেক কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা স্থানীয় হবার সুবাদে শিক্ষকদেরকে হয়রানী করে আসছে। বেতন বিলের টাকা তুলতে গিয়ে শিক্ষক-কর্মচারীরা ব্যাংকে ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকেন। অভিযোগ রয়েছে এসব ব্যাংক কর্মকর্তাদের নানা অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারীতার কারনে শিক্ষকরা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। শিক্ষকরা অভিযোগ করে বলেন, প্রতি ১/২ মাস পর ব্যাংকে বেতন ভাতা তুলতে এসে ভোগান্তিতে পড়তে হয়।  বৃহস্পতিবার ব্যাংকে আসা প্রধান শিক্ষক ইসমাইল হোসেন জানান, সকালে চেক দিয়ে দুপুর গড়িয়ে গেলেও চেকের অবস্থান জানা জায়নি। গনিপুরের শিক্ষক আবু জাফর, পলাশীর নয়ন উদ্দিন জানান, বেতন ভাতা তুলতে এসে হয়রানী হতে হচ্ছে। এছাড়াও প্রধান শিক্ষক মোজাম্মেল হকসহ বেশ কয়েকজন শিক্ষক-কর্মচারীরা ওই শাখায় বেতন ভাতা তুলতে এসে ভোগান্তির কথা জানিয়েছেন। লেনদেনের এক পর্যায়ে ক্যাশ অফিসার রেজাউল করিম বিরক্ত হয়ে কাজ বন্ধ করে দেয়। এ সময় ব্যাংকের ভেতরেই গ্রাহকদের মাঝে হট্রগোল বেধে যায়। ব্যাংকের এসব নানা অনিয়মের জন্য শাখা ব্যবস্থাপকের তেমন কোন ভুমিকা লক্ষ করা যায়না বলে ভূক্তভোগীরা অভিযোগ করেন। তারা এসমস্ত অনিয়ম বন্ধে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করেছেন।
এ ব্যাপারে শাখা ব্যবস্থাপক তারিক হাসানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ব্যাংকে ভীড় দেখে ক্যাশে আরেকজন কে দায়িত্ব পালনের কথা বললে তিনি একাই পারবেন বলে জানালে আমি কি আর করতে পারি। তবে মাঝে মাঝে বেতন উত্তোলনের সময় একটু আধটু ভীড় হয়। বরেন্দ্র বার্তা/আম/অপস

Close