অর্থ ও বাণিজ্যনাগরিক মতামত

বাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য ভূমিকা রাখতে পারে মনিটরিং ব্যবস্থা

বরেন্দ্র বার্তা : পবিত্র রমজানে বাজার পরিস্থিতি থাকে ঊর্ধ্বমুখী। রমজান আসলেই খরচ বেড়ে যায় সাধারণ মানুষের। এ নিয়ে প্রতিবছর সরকার ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলা হয়। অনেক সময় অভিযান চালানো হয়। কিন্ত মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। এই অবস্থায় ভোক্তারা জানিয়েছেন, বাজার ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণে রাখার উপায়। অনেকে প্রকাশ করেছেন ক্ষোভ।

ভোক্তারা বলেছেন, বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না থাকার পেছনে বড় কারণ কতিপয় ব্যবসায়ীর অতি মুনাফার চিন্তা। এর বাইরে রয়েছে সিন্ডিকেট ও কারসাজি করে দাম বাড়ানোর প্রবণতা। এগুলো সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জানা থাকলেও তারা ব্যবস্থা নিতে প্রতিবছরই ব্যর্থ হয়ে আসছেন। এই ব্যর্থতার জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর দায়িত্বশীলতা ও আন্তরিকতাও নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

এমতাবস্থায় বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছেন তারা। ভোক্তাদের পরামর্শগুলো সংক্ষিপ্তভাবে তুলে ধরা হলো:

বেসরকারি চাকরিজীবী বলেন, ‘বাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য ভূমিকা রাখতে পারে মনিটরিং ব্যবস্থা। এজন্য বাজারে বাজারে ইন্টেলিজেন্স টিম পাঠানো। থাকতে হবে অস্থায়ী ক্যাম্প, যেন ভোক্তারা যে কোনো অভিযোগ জানাতে পারেন।

তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন পণ্যের পর্যাপ্ত মজুদ থাকে। কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে দাম বাড়ানো হয়। এজন্য সরকারের সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশকে (টিসিবি) নিজেদের মজুদ বাড়াতে হবে।

রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি প্রসঙ্গে আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘রমজান আসার আগেই সব সময় ‘বাজার গরম’ হয়। বাজারের পরিস্থিতি মোকাবেলা করে ঘরে ফিরে গিন্নির হাতে বাজারের ব্যাগ ধরে দিলে শুনতে হয় গিন্নির চিৎকার-এটা আনোনি কেন, ওটা কই, এটা ছাড়া কি চলে, মসুর ডাল কই?-এভাবে তো চলতে পারে না।

তিনি বলেন, দেশে আইন আছে কিন্তু সেটা যথাযথভাবে প্রয়োগ হয় না। সেটা করতে হবে। এর বাইরে বাজারের নিয়ন্ত্রণ যেন মুষ্টিমেয় ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে না যায়, সেটা দেখতে হবে।’

আরিফ বলেন, ‘রমজানে সবজির পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকে। সবগুলোর দাম খুব একটা বাড়ে না। তবে কিছু কাঁচামাল আছে-যা রমজান শুরুর আগেই বেড়ে যায়।

বরেন্দ্রবার্তা/শহাস

Close