গোদাগাড়িশিরোনাম

গোদাগাড়ীর ইসমাইল হত্যার ১৮ আসামির জামিন নামঞ্জুর

ফের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে সহিংসতায় নিহত ইসমাইল হোসেন হত্যা মামলার ১৮ আসামির জামিন আবেদন আদালতে নামঞ্জুর হয়েছে। আদালত তাদের ফের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার ধার্য্য দিনে আজ মঙ্গলবার আসামিদের কারাগার থেকে রাজশাহীর আমলী আদালত-৫ এ হাজির করা হয়। এ সময় আসামিদের আইনজীবী তাদের জামিন আবেদন করেন। তবে আদালতের বিচারক রাসেল মাহমুদ জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে আসামিদের কারাগারে পাঠান।
এসব আসামিরা হলেন, অসীম রেজা (৩২), মো. জাহির (৪৫), মোস্তাক আহম্মেদ ওরফে মেজরা (৩৫), শরীফ দুলাল ওরফে সেতু (৩৬), সাখাওয়াত হোসেন (৪০), মীর কাশিম ওরফে সাহেব (৪৮), মো. লাভলু (৫০), ভকত আলী (৪২), আমিনুল ইসলাম (৪৫), মো. সিহাব (২০), মাসুম আক্তার স্বাধীন (৪৩), মো. বুলবুল (৪৫), মো. হিটলার (৩৫), গিয়াস উদ্দিন (৫৭), ওমর ফারুক জিহাদি (৪০), আকবর আলী (৪০), মুক্তার আলী (৩০) ও সাকিম উদ্দিন (৪২।
গোদাগাড়ী উপজেলার দেওপাড়া ইউনিয়নের মালিগাছা ও ধরমপুর গ্রামে তাদের বাড়ি। এরা সবাই বিএনপি-জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। গত প্রায় দুই মাস ধরে তারা রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে আছেন। এ মামলায় এজাহারনামীয় আসামির সংখ্যা ২২ জন। এদের মধ্যে প্রধান আসামি আবু সুফিয়ান (৫০) ও ১৯ নম্বর আসামি আবদুল মালেক পান্না (৪০) পলাতক। মামলার ১৩ ও ১৫ নম্বর আসামি যথাক্রমে মিনারুল ইসলাম (৩৯) ও গোলাম দোস্তগীর (৩৮) জামিনে।
মামলাটির বাদীপক্ষের আইনজীবী এজাজুল হক মানু জানান, মঙ্গলবার মামলার ধার্য্য দিনে আসামিপক্ষের আইনজীবী তাদের জামিন চান। তবে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে আবার কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। আগামী ২২ আগস্ট এ মামলার পরবর্তী দিন ধার্য্য করেছেন আদালত।
নিহত ইসমাইল হোসেন দেওপাড়া ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি ছিলেন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ওই ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। গেল বছরের ৩০ ডিসেম্বর ভোট গ্রহণের দিন বিএনপি-জামায়াতের কর্মীরা পালপুর ভোটকেন্দ্র দখলে নিতে গেলে বাধা দিতে যান ইসমাইল। এ সময় তাকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করা হয়। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় তার স্ত্রী বিজলা বেগম বাদী হয়ে গোদাগাড়ী মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। বরেন্দ্রবার্তা/ফকবা/অপস /

Close