বিনোদন

সবাইকে পাশে চান ‘বিস্ময় বালক’

বিনোদন ডেস্ক: গানের মাধ্যমে এপার-ওপার দুই বাংলায় তুমুল জনপ্রিয়তা ও পরিচিতি পেয়েছেন গোপালগঞ্জের ছেলে মাঈনুল আহসান নোবেল। ভারতের জি বাংলা চ্যানেলে প্রচারিত সংগীত বিষয়ক রিয়েলিটি শো ‘সা রে গা মা পা’র অন্যতম সেরা প্রতিযোগী ছিলেন তিনি। প্রতি পর্বে তার গান মুগ্ধ করেছে দর্শক এবং শুরু থেকে এবারের আসরে বিচারকের আসনে দায়িত্ব পালন করা শ্রীকান্ত আচার্য, শান্তনু মৈত্র ও মোনালি ঠাকুরকে। তারা নোবেলের নাম দিয়েছিলেন ‘বিস্ময় বালক’। নোবেলকে তারা চ্যাম্পিয়ন হওয়ার অন্যতম দাবিদারও বলেছিলেন।
দর্শকদেরও প্রত্যাশা ছিল, নোবেল চ্যাম্পিয়ন হবেন। কিন্তু সবাইকে আশাহত করে প্রথম হয়েছেন ভারতের প্রতিযোগী অঙ্কিতা। নোবেল হয়েছেন তৃতীয়। শোয়ের আরেক অন্যতম প্রতিযোগী প্রীতমের সঙ্গে যৌথভাবে দ্বিতীয় রানারআপ হয়েছেন তিনি। প্রথম রানারআপ হয়েছেন গৌরব সরকার ও স্নিগ্ধজিৎ। গত শনিবার কলকাতার বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয় ‘সা রে গা মা পা’র গ্র্যান্ড ফিনালে। সেখানে ঘোষণা হয় এই ফলাফল।
অনাকাক্সিক্ষত এই ফলাফলে মন ভারী নোবেলের ভক্তদের। তবে এই ফলাফলে নাকি খোদ নোবেলেরই কোনো কষ্ট নেই। কারণ বিচারকদের রায়ে তৃতীয় হলেও দর্শকদের ভোটে ‘মোস্ট ভিউয়ার চয়েস’-এ তিনি চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। নোবেলের কথা, ‘চ্যাম্পিয়ন হওয়ার চেয়ে আমি সবসময় গানটা ঠিকমতো গাওয়ার দিকে বেশি জোর দিয়েছি। ফলাফল যা-ই হোক, আপনারা আগে যেমন আমার সঙ্গে ছিলেন, আশা করছি ভবিষ্যতেও সেভাবেই আপনাদের পাশে পাব।’
নোবেল আরও বলেন, ‘সা রে গা মা পা’ শোয়ের মাধ্যমে আমি দুই বাংলায় পরিচিতি পেয়েছি। সবাই আমার গান পছন্দ করেছেন, আমাকে ভালোবেসেছেন। সবার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। ফলাফলে আমি বিচলিত নই। গ্র্যান্ড ফিনালের পর্বটি রেকর্ড হয়েছে। পর্বটি জি বাংলা চ্যানেলে দর্শকরা দেখতে পাবেন আগামী ২৮ জুলাই রাতে। এখনো প্রায় এক মাস বাকি। তাই এটা নিয়ে ২৮ জুলাইয়ের আগে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলতে পারছি না।’
জি বাংলায় ‘সা রে গা মা পা ২০১৮-১৯’ প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছিল গত বছরের সেপ্টেম্বরে। ভারত থেকে নির্বাচিত ৪৮ জন প্রতিযোগী অংশ নিয়েছিলেন। বাংলাদেশ থেকে অংশ নিয়েছিলেন অবন্তি সিঁথি, তানজীম শরীফ, রোমানা ইতি, মেজবা বাপ্পী, আতিয়া আনিসা, মন্টি সিনহা ও মাঈনুল আহসান নোবেল। বাকিরা নানা ধাপে ছিটকে গেলেও গোপালগঞ্জের ছেলে নোবেল জায়গা করে নেন চূড়ান্ত পর্বে। বরেন্দ্র বার্তা/অপস

Close