খেলা

শেষ ম্যাচ জিততে ৩১৬ রান করতে হবে টাইগারদের

ক্রীড়া ডেস্কঃ সেমিফাইনালে যেতে বাংলাদেশকে ৭ রানের মধ্যে অলআউট করতে হবে পাকিস্তানের। সরফরাজ আহমেদ ম্যাচের আগে ‘৫০০ রানের লক্ষ্য’ নিয়ে ব্যাট করার ঘোষণা দেন। ভাগ্য জোরে টস জিতে ব্যাটিংও নেন তিনি। তার দল ৯ উইকেট হারিয়ে তুলেছে ৩১৫ রান। বাংলাদেশ ব্যাটে নামার আগেই তাই পাকিস্তান সেমি থেকে ছিটকে গেছে।

তাদের বিদায় হওয়া নিয়ে অবশ্য প্রশ্ন ছিল না। টাইগার ভক্তদের আক্ষেপ তাই বড় রান তুলে ফেলেছে পাকিস্তান। ক্যাচ মিস করেছে বাংলাদেশ। হতশ্রী ফিল্ডিং হয়েছে। সেই খেদ এখন ব্যাটিংয়ে মেটাতে হবে টাইগারদের। মান বাঁচাতে তাই ব্যাটিংয়ে ভালো করতে হবে তামিম-সৌম্যদের।

ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতে মেহেদি মিরাজ-সাইফউদ্দিনের বোলিংয়ে সুবিধা করতে পারেনি পাকিস্তান। ম্যাচের অষ্টম ওভারে সাইফউদ্দিনের বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ফখর জামান। সেই ধাক্কা ইমাম-উল ও বাবর আযম সামলে নেন। জীবন পাওয়া বাবর ফেরেন ৯৬ রানে। ব্যক্তিগত ৫৭ রানে মুস্তাফিজের বলে তার ক্যাচ ফেলেন মোসাদ্দেক। এছাড়া আরও একটি জীবন পান তিনি। ইমাম-উলের সঙ্গে তিনি ১৫৭ রানের জুটি গড়ে ফেরেন।

এরপর সেঞ্চুরি তুলে নেন ইমাম-উল হক। আট ম্যাচ পরে সেঞ্চুরি পেলেন তিনি। বিশ্বকাপে নিজের প্রথম সেঞ্চুরি। মুস্তাফিজের বলে ১০০ রান করে হিট উইকেট হন ইমাম-উল। মিজবাউল হকের পর দ্বিতীয় পাকিস্তানী ব্যাটসম্যান হিসেবে বিশ্বকাপে হিট উইকেট হলেন তিনি।

দলের রান তখন ৪২তম ওভারে ২৪৬। পরের ৯ রানের মধ্যে আরও দুই উইকেট তুলে নেয় বাংলাদেশ। মোহাম্মদ হাফিজ ২৭ রান করে ফেরেন মিরাজের বলে। এরপর দারুণ ফর্মে থাকা হারিস সোহেলকে ফেরান মুস্তাফিজ। তবে পাকিস্তানের রান বাড়িয়ে নেন ইমাদ ওয়াসিম। তিনি শেষ ওভারে ৪৩ রান করে ফেরেন। বড় রান পেয়ে যায় পাকিস্তান।

বাংলাদেশের হয়ে এ ম্যাচে পাঁচ উইকেট নেন মুস্তাফিজুর রহমান। বিশ্বকাপে বাংলাদেশের প্রথম বোলার হিসেবে ভারতের বিপক্ষে পাঁচ উইকেট নেন তিনি। এবার টানা দুই ম্যাচে পাঁচ উইকেট নিলেন ফিজ। ক্যারিয়ারের প্রথম দুই ম্যাচে পাঁচ উইকেট নেওয়ার কীর্তি গড়েন তিনি। আবার টানা দুই ম্যাচে নিলেন পাঁচ উইকেট। ক্যারিয়ারে এটি তার পঞ্চম পাঁচ উইকেট। এছাড়া বাংলাদেশের হয়ে তিনটি উইকেট নেন সাইফউদ্দিন। একটি উইকেট নেন মেহেদি মিরাজ।
বরেন্দ্র বার্তা/ নাসি

Close