চারঘাটশিরোনাম-২

আমন ধানের চারা রোপনে ব্যস্ত চারঘাটের কৃষকরা

মো: সজিব ইসলাম, চারঘাট: আষাঢ়ে অনাবৃষ্টির কারণে আমনের আবাদ নিয়ে বিপাকে পড়েছিলেন চারঘাটের চাষীরা। কিন্তু আষাঢ় মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে প্রকৃতিতে বৃষ্টি ধারা বইতে শুরু করেছে। আষাঢ়-শ্রাবণের রিমঝিম বৃষ্টিতে মাঠের জমিতে জমতে শুরু করেছে আকাশের পানি।প্রকৃতি থেকে পাওয়া বৃষ্টির পানিতে আমন ধানের চারা রোপনে ব্যস্ত সময় পার করছেন চারঘাটের চাষীরা। তবে একই সাথে জমি চাষাবাদের কারণে বেড়েছে শ্রমিকের মজুরিও। তবুও থেমে নেই আমান ধান রোপনের প্রস্তুতি।তবে এই মৌসুমে বেশি খরচের কারনে ধানে লাভ কম হওয়ার আশঙ্কা করছেন উপজেলার কৃষকরা।

এর আগে আষাঢ় মাস শুরু হয়েছিল বৈশাখের রূপ নিয়ে। বৃষ্টির দেখা মিলছিল না। মাঝেমধ্যে ছিটেফোটা বৃষ্টিতেই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে এ অঞ্চলের মানুষকে। সময় পেরিয়ে গেলেও বৃষ্টিনির্ভর আমন চাষাবাদ শুরু করার সাহসই পাচ্ছিলেন না কৃষকরা। তবে আষাঢ়ের বিদায় বেলায় দেখা মিলেছে ভারি বর্ষণের। এতে স্বস্তি ফিরে এসেছে কৃষকের মাঝে। এখন পুরোদমে আমন রোপনে মাঠে নেমে পড়েছেন চারঘাটের কৃষকরা।

উপজেলার পিরোজপুর গ্রামের কৃষক জিয়ার উদ্দীন বলেন, এবার তিনি ৬ বিঘা জমিতে আমন ধান রোপন করার প্রস্তুতি নিয়েছেন।তবে আষাঢ়ের প্রথমে টেনশনে থাকলেও, বৃষ্টি হওয়ার কারণে স্বস্তি নেমে এসেছে কৃষকদের মনে।এখনো পুরোদমে কাজ চলছে বলে জানান তিনি।

উপজেলার নিমপাড়া ইউনিয়নের কৈডাঙ্গা গ্রামের আব্দুল গাফফার বলেন,এখন আমরা আমন ধান রোপনে ব্যস্ত সময় পার করছি কিন্তু মজুরের দাম অনেক বেশি।এমনিতে বৃষ্টির কারণে আমন ধান রোপেন অনেকটা দেরি হয়ে গেছে,তার পরেও মজুরি দিতে হচ্ছে অনেক বেশি। কিন্তু উপায় নেই জমিতো আর ফেলে রাখা যাবে না। তাই বাধ্য হয়েই ধান রোপন করছি।

এ বিষয়ে চারঘাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মুহাম্মদ মুনজুর রহমান জানান, উপজেলাতে এবার প্রায় ৫ হাজার হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে।বৃষ্টি অনুকুলে থাকলে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে জানান তিনি।
বরেন্দ্র বার্তা/ নাসি

Close