মহানগরশিক্ষাঙ্গন বার্তাশিরোনাম

এ বছর রাকসু নির্বাচন অনিশ্চিত

ষ্টাফ রির্পোট: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের পর চলতি বছরই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহান। তবে, শিক্ষকদের একাংশ বলছে, চলতি বছর রাকসু নির্বাচন হচ্ছে না। ছাত্র সংগঠনগুলোর হল কমিটি না থাকা, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের প্রার্থী হতে না পারা, কোটা আন্দোলনকারীদের আড়ালে শিবিরের অবস্থানের অভিযোগ, সরকারের সবুজ সংকেত না থাকা, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের জবাবদিহিতার ‘ভয়’-এর মতো বিভিন্ন কারণে এ বছর রাকসু নির্বাচনের সম্ভাবনা নেই বলে মনে করছেন তারা।
শিক্ষকরা বলছেন, ডাকসুর অনুসরণে এখনই এ ধরনের নির্বাচন করতে চায় না রাবি প্রশাসন। তাছাড়া এখন নির্বাচন দিলে ক্ষমতাসীন ছাত্র সংগঠনের প্রার্থিতা নিয়েও সংকট তৈরি হবে। কারণ রাকসু’র গঠনতন্ত্র অনুযায়ী শাখা ছাত্রলীগের বর্তমান সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক কেউই প্রার্থী হতে পারবেন না। দীর্ঘ চার বছর ধরে হল কমিটি না থাকায় বঙ্গবন্ধু হল ছাড়া অন্য হলগুলোয় ছাত্রলীগের নিয়ন্ত্রণ নেই। এছাড়া, এখানে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের আড়ালে শিবিরের শক্ত অবস্থান রয়েছে। তারা সরাসরি নির্বাচন না করলেও কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ব্যানারে নির্বাচন করে ক্যাম্পাসে ফেরার আশঙ্কা রয়েছে। তাই এখনই রাকসু নির্বাচন না দিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে ‘ধীরে চলোনীতি’তে এগোতে চায় প্রশাসন।
বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক হাবিবুর রহমান বলেন, ‘রাকসু নির্বাচন একটি গণতান্ত্রিক পক্রিয়া। সেক্ষেত্রে গণতান্ত্রিক কাঠামোর মধ্য দিয়ে নির্বাচন দিতে হবে। কোনও অঘটনা যেন না ঘটে, সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। তবে, বিশ্ববিদ্যালয়ে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীর গতিতে এগোনো উচিত।’
ক্যাম্পাস সূত্র জানায়, ডাকসু নির্বাচনের পেছনে কাজ করেছেন এমন উচ্চ পর্যায়ের কয়েকজন গোয়েন্দা কর্মকর্তা সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনৈতিক পরিবেশ পর্যবেক্ষণে এসেছিলেন। তারা বলেছেন, হলগুলোতে সব ছাত্রসংগঠনের সহবস্থান ও সমান কর্মকাণ্ড নেই। বিশেষ করে ছাত্রলীগের অবস্থান নেই বলেও তারা জানান।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আওয়ামীপন্থী এক সিনিয়র শিক্ষক বলেন, ‘দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে রাকসু নির্বাচনের জন্য সরকারের সাহায্য সহযোগিতা আবশ্যক। সেক্ষেত্রে সরকার যদি না চায়, তবে চলতি বছর কেন, আগামী ছয়-সাত বছরেও রাকসু নির্বাচন দেওয়া সম্ভব নয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘রাকসু নির্বাচন হলে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হতে হবে। সেক্ষেত্রে ডাকসু নির্বাচনে সরকার যে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে। তারপরও রাকসু নির্বাচন দেবে কিনা, সেটিও একটি বড় প্রশ্ন। এছাড়া ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের বর্তমান যে অবস্থান এ অবস্থায় নির্বাচন হলে প্রার্থিতা সংকটে পড়তে হবে।’
কী বলছেন ছাত্র সংগঠনের নেতারা
বিশ্ববিদ্যালয়ে সক্রিয় ছাত্র সংগঠনগুলোর নেতারা বলছেন, রাকসু নির্বাচন দিলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের একক যে আধিপত্য তা কমে যাবে। সেক্ষেত্রে প্রশাসন চাইবে রাকসু নির্বাচন না দিয়ে কালক্ষেপণ করতে। তাই আন্দোলনের মাধ্যমে রাকসু নির্বাচন আদায় করে নিতে হবে। তবে তারা এখনই কোনও ধরনেন আন্দোলনে যাবেন না, আরও কিছুদিন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবেন।
এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল ছাত্রজোটের সমন্বয়ক ও বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক রঞ্জু হাসান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জবাবদিহিতার ভয়ে রাকসু নির্বাচন দিতে চায় না। রাকসু হলে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন অধিকার নিয়ে ছাত্র প্রতিনিধিরা প্রশ্ন তুলবেন। সেক্ষেত্রে বর্তমানে যে একনায়কতন্ত্র চলছে তা বন্ধ হয়ে যাবে। তাই বিভিন্ন অজুহাতে রাকসু নির্বাচন দিতে চায় না প্রশাসন।’ প্রগতিশীল ছাত্রজোট রাকসু আদায়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন করে যাবে বলেও জানান তিনি।
এখনই কোনও ধরনের কর্মসূচিতে যেতে চায় না ছাত্রদলও। ছাত্রদলের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান বলেন, ‘আমরা তো চাইলেই আন্দোলন সংগ্রাম করতে পারবো না। কারণ আমরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে বের হলে ছাত্রলীগ হামলা করে, ফের আমাদের নামেই মামলা দেয়। বিগত সময় আমরা এটি দেখেছি। তাই আমরা কিছু দিন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবো। যদি প্রশাসন রাকসু নির্বাচনের জন্য দৃশ্যমান কোনও পদক্ষেপ না নেয়, তবে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন করে ।
শাখা ছাত্রলীগের হল কমিটি, রাকসু নির্বাচন নিয়ে ছাত্রলীগের তৎপরতা এবং প্রার্থিতা নিয়ে কথা বলেন ছাত্রলীগের বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সভাপতি গোলাম কিবরিয়া এবং সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনু।
বিশ্ববিদ্যালয় কমিটির মেয়াদ প্রায় তিন বছর হয়ে গেলেও এসময়ের মধ্যে হল কমিটি না হওয়ার কারণ কী—এমন প্রশ্নের জবাবে গোলাম কিবরিয়া বলেন, ‘আমরা চাইলেই হল কমিটি দিতে পারি না। এটি নির্ভর করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাদের ওপর। আমাদের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন হওয়ার পর থেকে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক দুই জনই হল সম্মেলনের কথা বলেছি। কিন্তু কেন্দ্র এবং স্থানীয় প্রতিনিধিদের সাড়া না পাওয়ায় হল কমিটি দিতে পারিনি। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা হল কমিটির বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছেন। জুলাইতে হল সম্মেলনের কথাও আলোচনা হয়েছিল। কিন্তু পরে ব্যস্ততার কারণে তা হয়নি। আগামী সেপ্টেম্বরেই সম্মেলনের মাধ্যমে সবগুলো হলে একসঙ্গে কমিটি দেওয়া হবে।’
সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক রাকসু নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না, সেক্ষেত্রে রাকসু নির্বাচন করার মতো ছাত্রলীগে যোগ্য বিকল্প প্রার্থী আছে কিনা—এই প্রশ্নের জবাবে সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনু বলেন, ‘দীর্ঘ তিন দশক রাকসু নির্বাচন হয়নি। এ সময়ে অনেক কিছুই পরিবর্তিত হয়েছে। সেক্ষেত্রে নতুন করে নির্বাচন হলে আমাদের কিছু দাবি রয়েছে। সেগুলো আমরা জানিয়েছি। এখন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবে। সেখানে প্রার্থিতার জন্য যে শর্ত দেবে, তা যদি আমরা পূরণ করতে পারি, তবে প্রার্থী হবো। না হলে হবো না। তবে রাকসু নির্বাচন করার মতো অনেক যোগ্য প্রার্থী সংগঠনে রয়েছে।’
রাকসু নির্বাচন নিয়ে ছাত্রলীগের বর্তমান অবস্থান কী জানতে চাইলে, শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বলেন, রাকসু সচল করার দাবি ছাত্রলীগের পক্ষ থেকেই প্রথম জানানো হয়েছিল। তাদের অভিযোগ, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সংলাপে নামে কেবল কালক্ষেপণ করছে। আমরা শিগগরিই উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করে সংলাপের নামে কালক্ষেপণ না করে দ্রুত রাকসু নির্বাচনের দাবি জানাবো। এরপরও যদি প্রশাসন ঠুনকো কোনও অযুহাতে কালক্ষেপণ করে তবে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী সময়ে আন্দোলন কর্মসূচি দেবো।’
রাকসু নির্বাচন নিয়ে শিক্ষকরা কী বলছেন?
রাকসু নির্বাচন নিয়ে শিক্ষক সমিতির অবস্থান সম্পর্কে জানতে সমিতির সভাপতি শিক্ষক সমিতির সভাপতি সাইফুল ইসলাম ফারুকীকে ফোন করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এরপর সমিতি সূত্র জানায়, তিনি হজ পালনের জন্য বর্তমানে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন।
বিষয়টি নিয়ে সমিতির সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল আলম খানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘রাকসু নিয়ে সমিতির বৈঠকে আলোচনা হয়নি। তবে ব্যক্তিগত জায়গা থেকে তিনি মনে করেন, দ্রুত রাকসু সচল করা প্রয়োজন। তবে রাকসু নির্বাচন আয়োজনের আগে ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক সহাবস্থান নিশ্চিতের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘রাকসু নির্বাচন হলে শিক্ষার্থীরা রাজনৈতিকভাবে সচেতন হয়ে উঠবে। তাদের অধিকার নিয়ে সচেতন হবে। সেক্ষেত্রে মুখপাত্র হিসেবে কাজ করবে রাকসুর প্রতিনিধিরা।’
শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক আমজাদ হোসেন মনে করেন, ‘ছাত্র প্রতিনিধি না থাকলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসানের জবাবদিহিতা করতে হয় না। ফলে, প্রশাসন তাদের সুবিধা মতো কাজ করে। এতে এক ধরনের স্বেচ্ছাচারী হয়ে পড়ে প্রশাসন। শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে অনেক সময় শিক্ষক-শিক্ষার্থী সংশ্লিষ্ট ইস্যুতে কথা বললেও প্রশাসন এটিকে চাপ মনে করে না। যদি রাকসুর মাধ্যমে ছাত্রপ্রতিনিধি থাকে, তবে উভয়মুখী চাপে প্রশাসনের জবাবদিহিতা বাড়বে। কর্মকাণ্ডেও স্বচ্ছতা আসবে।’
প্রশাসনের অভিমত
সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য চৌধুরী মো. জাকারিয়া বলেন, ‘১৯৮৯-৯০ এর পর দীর্ঘ তিন দশক রাকসু নির্বাচন হয়নি। তাই নতুন করে নির্বাচন দিতে গেলে কিছু প্রতিবন্ধকতা থাকে। সেক্ষেত্রে ছাত্র সংগঠনগুলো চাইলে প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে দ্রুত রাকসু নির্বাচন দেওয়া হবে।’ তবে কবে নাগাদ নির্বাচন দেওয়া হতে পারে সেবিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।
রাকসু’র সংলাপ কমিটির আহ্বায়ক ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অধ্যাপক লুৎফর রহমান বলেন, ‘হলগুলোতে নির্বাচনের পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য আমরা চেষ্টা করছি। ইতোমধ্যে জোহা হলের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেছি। সেখানে অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের দৌরাত্ম বন্ধে হল প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্য হলগুলোতেও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংলাপ করবো। পরে রাকসুর সাবেক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবো।’
কবে নাগাদ রাকসু নির্বাচন হতে পারে জানতে চাইলে প্রক্টর বলেন, ‘চাইলেই তো আর যখন-তখন রাকসু নির্বাচন দেওয়া সম্ভব নয়। হলগুলোতে নির্বাচনের পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সময় লাগবে। এছাড়া মাঝে কোরবানির ঈদে বন্ধ থাকবে ক্যাম্পাস। ডিসেম্বরে সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এসবের জন্য কিছুটা সময় লাগবে। তবে আমরা যত দ্রুত সম্ভব রাকসু নির্বাচনের আয়োজনের চেষ্টা করছি।’
বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর দফতর সূত্রে জানা গেছে, ডাকসু নিবার্চনের রোড ম্যাপ ঘোষণা হওয়ার পর রাকসু নির্বাচনের দাবিতে প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি দেয় প্রগতিশীল ছাত্রজোট, ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন সংগঠন। এরপর গত ২২ জানুয়ারি প্রক্টর অধ্যাপক লুৎফর রহমানকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের কমিটি গঠন করে প্রশাসন। গত ৭ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সঙ্গে আলোচনার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে রাকসু নির্বাচনি সংলাপ শুরু হয়।
দীর্ঘ আড়াই মাসব্যাপী সংলাপ শেষে গত ৪ জুলাই হল প্রাধ্যক্ষদের সঙ্গে বৈঠক করে ‘সংলাপ কমিটি’। হলগুলোতে নির্বাচনের পরিবেশ নেই বলে জানানো হয় প্রাধ্যক্ষ পরিষদের পক্ষ থেকে। হলগুলোতে নির্বাচনের পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংলাপের প্রস্তাব করে প্রাধ্যক্ষ পরিষদ। পরে গত ২৫ জুলাই শহীদ শামসুজ্জোহা হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে ‘সংলাপ কমিটি’।
তবে, নাগাদ রাকসু নির্বাচন হবে জানতে চাইলে সরাসরি উত্তর না দিয়ে সংলাপ কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক লুৎফর রহমান বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে যাতে কেউ প্রশ্ন তুলতে না পারে, সেজন্য আমরা কাজ করছি।’ ক্যাম্পাসে সব ছাত্র সংগঠনের সহাবস্থান নিশ্চিতের পর রাকসু নির্বাচন দেওয়া হবে বলেও তিনি জানান। বরেন্দ্র বার্তা/অপস

Close