মহানগরশিরোনাম

রাজশাহীতে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: আজ পবিত্র ঈদুল আযহা। সারাদেশের মত রাজশাহীতেও যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে ঈদ।
নগরীতে ঈদ-উল-আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয় সোমবার (১২ আগস্ট) সকাল ৮টায় হজরত শাহ্ মখদুম (রহ.) কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে। ঈদগাহে নামে মানুষের ঢল।
এ জামাতে সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে রাজশাহীর আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ বিভিন্ন দলের নেতাকর্মীরা এক কাতারে পাশাপাশি অবস্থান নিয়ে ঈদের নামাজ আদায় করেন।
নামাজ আদায় করেন রাজশাহী সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, রাজশাহী সদর আসনের সাংসদ ফজলে হোসেন বাদশা, রাজশাহী- (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনের সাংসদ ডা. মনসুর রহমান, বিভাগীয় কমিশনার নূর উর রহমান, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু, নগর বিএনপি সভাপতি মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলসহ হাজার হাজার মুসল্লি। এছাড়া বিভিন্ন সরকারি দফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা-কর্মচারী, রাজনৈতিক নেতাসহ সাধারণ মুসল্লিরা ঈদের নামাজ আদায় করেন।
রাজশাহীর বিশাল এই ঈদ জামাতে ইমামতি করেন মহানগরীর ঐতিহ্যবাহী জামিয়া ইসলামীয়া শাহ্ মখদুম (রহ.) মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুফতি মাওলানা মোহাম্মদ শাহাদাত আলী। সহকারী ইমাম ছিলেন হেতমখাঁ বড় মসজিদের ইমাম মুফতি মালানা ইয়াকুব আলী। বয়ান করেন জামিয়া ইসলামীয়া মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা নাজমুল হক। তাকে সহায়তা করেন মুফতি ক্বারি রেজাউল করিম।
একই সময় ঈদের দ্বিতীয় প্রধান ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয় মহানগর ঈদগাহ (টিকাপাড়া) ময়দানে। তৃতীয় জামাতও অনুষ্ঠিত হয় সকাল ৮টায় মহানগরীর সাহেব বাজার বড় রাস্তায়। রাজশাহীতে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিতরাজশাহীতে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত
ঈদের প্রধান জামাতে দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ শেষে দেশ ও জাতি ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর সুখ-শান্তি, অগ্রগতি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এসময় দেশ ও জাতির স্বার্থে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য রক্ষার ডাক দেওয়া হয়। আহ্বান জানানো হয় সন্ত্রাসবাদ পরিহারের।
পরে কেন্দ্রীয় ঈদগাহে সবাই একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি করে ঈদ-উল-আজহার শুভেচ্ছা ও কুশলাদি বিনিময় করেন। এছাড়া একই সময় রাজশাহী মহানগরের ১১৮টি ঈদগাহসহ জেলার নয়টি উপজেলার শতাধিক ঈদগাহে ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
ঈদের নামাজ শেষে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মহান আল্লাহর দরবারে প্রয়াত পিবাবা-মা ও স্বজনদের রুহের মাগফেরাত কামনার জন্য বিভিন্ন গোরস্থানে যান এবং কবর জিয়ারত করেন।
পরে ঈদ জামাত থেকে নিজ নিজ এলাকায় ফিরে সবাই আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি লাভের আশায় হজরত ইব্রাহিমের (আ.) ত্যাগের দৃষ্টান্ত স্মরণ করে সাধ্যমতো পশু কোরবানি করছেন। বরেন্দ্র বার্তা/অপস

Close