দূর্গাপুরশিরোনাম-২

দুর্গাপুরে কিশোরী অপহরণ

ষ্টাফ রির্পোট : রাজশাহীর দুর্গাপুরে অস্ত্রের মুখে বাড়ি থেকে এক হিন্দু কিশোরীকে তুলে নিয়ে গেছে একদল বখাটে। উপজেলার কয়ামাজমপুর গ্রামের মন্ডলপাড়ায় সোমবার বেলা ৩টার দিকে ওই কিশোরীকে তুলে নিয়ে যাওয়ার সময় মাকে মারপিট করে স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ লুট করে নিয়ে যায় তারা। বখাটের মধ্যে টুটুল নামে একজন বেশ কিছুদিন ধরে ওই কিশোরীকে উত্ত্যক্ত করে আসছিল বলে তার পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।
ওই কিশোরী কয়ামাজমপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেনির ছাত্র। বখাটেদের হাত থেকে রক্ষা করতে ওই কিশোরীর বিয়ে ঠিক করে পরিবারের সদস্যরা। আগামী ১০ সেপ্টেম্বর তার বিয়ের দিন ধার্য রয়েছে।
অপহরণের শিকার কিশোরির বাবা জানান, বাড়িতে তার মা ও স্ত্রী ছিল। বিকেল ৩টার দিকে দুইটি মোটরসাইকেল যোগে নিয়ে ৪/৫ জন তার বাড়িতে হামলা চালায়। প্রথমে তারা অস্ত্রের মুখে জম্মি করে স্বণালংকার ও নগদ অর্থ লুট করে। পরে তার কিশোরী কন্যাকে জোর করে মোটরসাইকেলে তুলে গিয়ে চলে যায়। এ সময় তার স্ত্রী বাধা দিতে গেলে তাকে মারপিট করে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়।
তিনি আরও জানান, হামলাকারিদের একজনের হাতে পিস্তল ও একজনের হাতে ধারালো অস্ত্র (চাকু) ছিল। হামলার সময় বাহিরে আরও দুইতিন ছিল বলে পরে জানতে পেরেছি।
তিনি বলেন, প্রায় বছর খানেক ধরে কায়ামাজমপুর গ্রামের ফেরদৌস আলীর বখাটে ছেলে টুটুল তার মেয়েকে উত্ত্যক্ত করে আসছিল। এ নিয়ে কয়েকবার তার বাবাকে বলা হয়। এতে কোন কাজ হয়নি। টুটুলের বাবা ৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। ভয়ে এ নিয়ে তিনি পুলিশকে জানাতে পারেননি। ফলে বাধ্য হয়ে মেয়ের বিয়ে ঠিক করা হয়েছিল। আগামী ১০ সেপ্টেম্বর তার বিয়ের দিন নির্ধারণ করা হয়। এক সপ্তাহ আগে তার আর্শিবাদ হয়েছে বলে জানান কিশোরীর বাবা।
দুর্গাপুর থানার ওসি খুরশিদা বানু কনা বলেন, খবর পেয়ে সাথে সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়। মেয়েটিকে উদ্ধারে পুলিশের কয়েকটি টিম মাঠে নেমে পড়েছে। আশপাশের সব থানায় বার্তা পাঠানো হয়েছে। আগে মেয়েটিকে উদ্ধারে বেশী গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। পর আইনগত পক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা। বরেন্দ্র বার্তা/অপস

Close