মহানগরশিরোনাম-২

তানোরে পুকুরে বিষ, ১২ লক্ষাধিক টাকার মাছ মরে নষ্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহীর তানোরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রতিপক্ষ পুকুরে বিষ প্রয়োগ করলে ১২ লক্ষাধিক টাকার মাছ মরে গেছে মর্মে অভিযোগ পাওয়া গেছে। রাজশাহীর লক্ষ্মীপুর ভাটাপাড়া বাকীর মোড় এলাকার পুকুর মালিক ফয়সাল খান এই অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, নগরীর মহিষবাথান এলাকার শহিদুল্লাহ খান বাদশা তার সম্পর্কে মামা। বাদশাই এই ঘঠনা ঘটিয়েছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন। ফয়সাল বলেন, তানোরের রাতৈল মৌজায় তাঁর সাড়ে ৯বিঘা জমিতে পুকুর খনন করে মাছ চাষ শুরু করেন। এক সময় বাদশা এই পুকুর অল্প মুল্যে লিজ নেওয়ার জন্য প্রস্তাব দেন। কিন্তু প্রস্তাবে রাজী না হলে বাদশা জোর করে পুকুরপাড়ে অবস্থিত পাহারাদারের ঘরের তালা ভাঙ্গতে যান। পাহারাদার বিষয়টি মোবাইলে জানালে তাৎক্ষণিক পুকুরে যান বলে ফয়সাল জানান। পুকুরে পৌঁছালে বাদশা প্রাণ নাশের হুমকী ও চাষকৃত মাছ বিষ প্রয়োগ করে মেরে ফেলার হুমকী দেন বলে জানান ফয়সাল। এ নিয়ে ২৮ এপ্রিল তানোর থানায় জান মালের নিরাপত্তা চেয়ে একটি সাধারণ ডায়েরী করেন তিনি। সাধারণ ডায়েরী ও মামলা উপেক্ষা করে বাদশা গত ২১ আগস্ট বুধবার দুপুরে ফাঁকা পেয়ে আরো দুইজনকে সাথে করে নিয়ে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। গতকাল বিকেলে পুকুরে সরেজমিনে গেলে শতশত ছোট বড় মাছ ভাসতে দেখা যায়।
পুকুরের পাহাদার জাকির হোসেন জাকিম বলেন, দুপুরে দিকে খেতে যান। খেয়ে দ্রুত পুকুরে ফিরে আসেন। একপর্যায়ে পুকুরের পশ্চিম দিকে দুই থেকে তিনজন লোককে দেখা যায়। তারা পুকুরে কি যেন ছিটিয়ে দিয়ে পুকুরের কিনারে পাঁচটি ছোট ছোট ব্যাগ ফেলে দ্রুত পালিয়ে যায়। সে সময়ে তিনি এই ধরনের ঘটনা বুঝতে পারেননি বলে জানান । সন্ধ্যার পর থেকে মাছ মরে ভাসতে শুরু করলে তাৎক্ষনাত তিনি পুকুরের মালিক ফয়সালকে খবর দেন।
এদিকে শহিদুল্লাহ খান বাদশার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা সম্পূর্ন মিথ্যা। এ ধরনের ঘটনা তিনি ঘটাননি। তাকে ফাঁসানোর ষড়যন্ত্র চলছে। এবিষয়ে তানোর থানার এসআই ও পুর্বের জিডিকৃত মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হামিদুল ইসলাম জানান, পুকুরের বিষ প্রয়োগ করে মাছ মেরে ফেলা সম্পর্কে পুকুর মালিক ফোন করে বলেছেন। কিন্ত অন্য কাজে থানার এরিয়ার বাহিরে থাকায় পুকুর মালিক ফয়সালকে থানায় গিয়ে অফিসার ইনচার্জ ইনচার্জরের সাথে কথা বলার পরামর্শ দেন তিনি। বরেন্দ্র বার্তা/ফকবা/অপস

Close