সাহিত্য ও সংস্কৃতি

হুমায়ূন সিরাজের কবিতা ‘মক্ষিকা ও দেবদূত’

আমি অস্তগামী সূর্য গোধুলী সন্ধা বেলায় কখনও ধূলিময় পথে রঙধনু উদয়ে বিদায়
আমি জোনাকির আলো নিঝুম মতি হেলায় কখনও অশনির ডাকে বর্ণময় রাত্রির নির্জনে
আমি বারিধারা গর্জে আলোক স্পর্শে ঝিলিকে বল স্বদেশের যাত্রা মরুময় ক্লান্তির অর্জনে
আমি ফুলগুচ্ছ গন্ধে শান্তি বানির অলিকে বল মানুষের মুক্তি আচারণে শক্তির সদয়
আমি ক্রিড়াণকে চিঠি যাদুকরী অন্তরে গাইব দেখ সদায়ে কর বিতরনে মুসক আদায়
আমি কপোতের চিত্রে প্রবাহিত মন্তরে আনিব বল সারদের জলে সুরভিত সুবাস বিজনে
আমি সুশাসনের কাজলের নৈস্বর্গে আকাশে দেখ প্রজাপতি গঙ্গাঁ স্ফরিঙ্গের আবাসে স্বজনে
আমি যোগাযোগে মুদ্রাস্ফীতি পুঞ্জিও বাতাসে শুন বৈদেশিক দানে মুদ্রানীতি সৃষ্টিতে উদয়

আমি চিত্রপটে ছবি নৃত্যের ছন্দে প্রতিকি যেন মানচিত্র স্বর্ণে স্বাধিনতা অর্জিত বিজয়ে
আমি মনুমেন্ট তৈরি রক্ষিত আশা হ্নদয়ে যেন ভাগ্যহত মুন্ধে কারিগরে শানিত জাতকি
আমি উৎকর্ষে জেগে ভ্রাতৃত্বে দেশে চাতকি যেন করদাতা মনে উৎসাহ মন্দ্রিত নির্ভয়ে
আমি অধিকারে আদি মানবে সৃষ্টি ফটকি যেন বাগধারা জ্ঞানে নীতিকথা বর্নিল সময়ে
আমি হাস্যরণে মেঘে হাউই উড়ে বলয়ে যেন উদয়ণে গ্রহে আবাসনে মক্ষিকা মুসকি।।

Close