নওগাঁশিরোনাম-২

সাপাহারে প্রতিমা শিল্পীদের ব্যস্ততা

নিজস্ব প্রতিবেদক: আর কয়েকদিন পরেই শান্তিরবার্তা নিয়ে ভবে অবতরন করবেন হিন্দু সম্প্রদায়ের দুর্গতনাশিনী দেবী দুর্গা। সে উপলক্ষে উপজেলার হিন্দু পাড়ার প্রতিটিমন্দিরে মন্দিরে চলছে প্রতিমা তৈরীর কাজ। দম ফেলার সময় নেইপ্রতিমা তৈরীর কারিগরদের। তবে আয়োজকদের প্রত্যাশা খরচ যতইহোক পূজার আয়োজন যেন হয় জাকজমকপূর্ন।
গত বুধবার সদরের বাজার বারোয়ারী দূর্গা মন্দির, শাহাপাড়া দূর্গা মন্দির সহবেশ কয়েকটি দূর্গা মন্দির ঘুরে দেখা গেছে বেশির ভাগ মন্দিরেই প্রতিমা তৈরীর কাজ প্রায় শেষের দিকে। এখন শুধু বাঁকী রয়েছে শিল্পীদের নিপুন হাতের ছোঁয়ায় রঙের কাজ। রঙ্গের কাজ শেষ হলেই দেবীদূর্গা পাটে বসবে শুরু হবে পূজার মহোৎসব।
হিন্দু ধর্মালম্বীদের সব চেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূর্গাপূজা। পূজা উৎসবের আমেজে হিন্দু পাড়াগুলোতে চলছে সাজ সাজ রব। পূজার আর মাত্র ১৫/১৬ দিন বাকি পূজা উদযাপন উপলক্ষে বিভিন্নস্থানে প্রতিমা তৈরীর কাজও প্রায় শেষের দিকে। প্রতিমা তৈরীর ছেলেকারিগদের পাশাপাশি মেয়ে কারিগরদেরও কাজ করতে দেখা গেছে। দিনরাত সমানতালে তারা প্রতিমা তৈরির কাজ করে এখন পার করছে তাদেরব্যস্ত সময়।
এবারে উপজেলার ছয় ইউনিয়নে ১৭ টি মন্ডপে দূর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে বলে সাপাহার উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদেরসভাপতি শ্রী মন্মত সাহা ও সাধারন সম্পাদক শ্রী গোপাল মন্ডল জানিয়েছেন।
তাদের বর্ণনা মতে পূজা মন্ডপ গুলো হলো সাপাহারসদর ইউনিয়ন পরিষদে ৬ টি, গোয়ালা- ৪ টি, তিলনায়- ৫ টি ওআইহাই ইউনিয়নে ১টি শিরন্টি ইউনিয়নে ১টি মন্ডপ সহ মোট ১৭টি মন্ডপ বা মন্দিরে পূজা অনুষ্ঠিত হবে।
বুধবার এলাকার বিভিন্ন পূজা মন্ডব ঘুরে দেখা যায় সকল জায়গাতে প্রতিমা তৈরির কাজ প্রায় শেষ। প্রতিমা তৈরীর কারিগররা জানান, বছরের এই সময়টা ব্যাস্ততায় কাটালেও অন্য সময় তাদের হাতে থাকেনা কোন কাজ। বছরে একবার কঠোর পরিশ্রম করেও বাকী সময়তাদের কাটাতে হয় মানবেতর জীবন-যাপন। ধর্মীয় টান ও বাপ-দাদার পেশা হওয়ায় কোন রকমে এখনও তারা এই পেশা টিকে কোন রকমেটিকে রেখেছেন। ইতোমধ্যেই অনেকেই এই পেশা ছেড়ে অন্য পেশায় চলে গেছে।
এ বিষয়ে সাপাহার উপজেলা নির্বাহী অফিসার কল্যান চৌধুরী ওথানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল হাই নিউটন জানান, হিন্দু ধর্মের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূর্গা পূজা উপলক্ষে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, সে সাথে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকল হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনদের কেশারদীয় শারদীয় শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। বরেন্দ্র বার্তা/আবি/অপস

Close