চাঁপাই নবাবগঞ্জপবাপাবনাবাগমারামহানগরশিরোনাম

পদ্মায় পানি বাড়লেও শহরে এখনই তা ঢুকবে না

শরের সাথে সংযুক্ত সুইচগেটগুলো শিগগিরই বন্ধ করে দেয়া হবে।

ষ্টাফ রির্পোট: ভারতের উত্তর প্রদেশ ও বিহারে ভারী বর্ষণে সৃষ্ট বন্যায় ১২২ জনের প্রাণহানি হয়েছে। বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে বিস্তীর্ণ এলাকা। এজন্য ফারাক্কা বাঁধের ১১৯টি গেট খুলে দিয়েছে ভারত।
বিহার ও উত্তর প্রদেশে বন্যার কারণেই সোমবার বাঁধ খুলে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।
রাজশাহীতে মঙ্গলবার সকাল ৬ টায় পদ্মায় পানির উচ্চতা ছিলো ১৮ দশমিক ৪ মিটার। অর্থ্যাৎ বিপদসীমার মাত্র ৪৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।
সোমবার সকাল ৬টায় পানির উচ্চতা ছিল ১৭ দশমিক ৯০ মিটার। ২৪ ঘণ্টায় পানি বেড়েছে ১৪ সেন্টিমিটার।
রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপাত্ত সংগ্রহকারী এনামুল হক এসব তথ্য জানিয়েছেন।
রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী বলেন, পদ্মায় পানি বাড়লেও শহরে এখনো তা ঢুকবে না। শহরের সাথে সংযুক্ত সুইচগেটগুলো শিগগিরই বন্ধ করে দেয়া হবে। তবে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, গোদাগাড়ী, পবা, বাঘা ও চারঘাটের চরাঞ্চলে বন্যায় ক্ষতির আশংকা আছে। পানি বৃদ্ধির কারণে নদী তীরবর্তী অংশ বিশেষ করে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ব্যাপক নদী ভাঙন শুরু হয়েছে।
এদিকে বাঘার চরাঞ্চলের ১১ টি স্কুল রোববার থেকে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সেখানে প্রায় দুই হাজার পরিবার পানিবন্দী রয়েছে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম তার ফেসবুকে জানিয়েছেন, এসব পানিবন্দী মানুষকে সরিয়ে নিতে জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. চৌধুরী সারোয়ার জাহান বলেন, পদ্মা নদীর পানি যে হারে বাড়ছে তাতে ভারী বৃষ্টি হলেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে। তাই বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় বন্যা মোকাবেলায় এখনই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নিয়ে কাজ না করলে নদী শাসন অসম্ভব হয়ে পড়বে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পদ্মায় হঠাৎ পানি বেড়ে যাওয়ায় রাজশাহীর শহর রক্ষা বাঁধ সংলগ্ন নগরীর শ্রীরামপুর, পাঁচানি মাঠ, সোনাইকান্দি, বাজে কাজলা, পঞ্চবটি, শ্মশান ঘাট, তালাইমারি বাদুড়তলা এলাকায় পানি প্রবেশ করেছে। এছাড়া টি-বাঁধ, আই-বাঁধ, বড়কুঠি এলাকায় বিনোদ প্রেমিদের আনাগোনাও কমে গেছে।
পবা উপজেলার হরিয়ান ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মফিদুল ইসলাম বাচ্চু বলেন, চরখানপুর ও মধ্যচর মিলে বানভাসি মানুষদের ৩৬৫ পরিবারের মাঝে শুকনা খাবার ও চাল বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া রাজশাহীর বাঘা ও গোদাগাড়ী উপজেলার মানুষও পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। স্থানীয় হিসাবমতে, বাঘার ১৫টি চরের প্রায় তিন হাজার ৬০০ পরিবার গত সাত দিন ধরে পানিবন্দি রয়েছেন। পবা ও গোদাগাড়ীতে পদ্মার পানি বৃদ্ধিতে ভাঙনের কবলে পড়েছে পদ্মাপাড়ে বসবাসকারী মানুষ। বাঘায় পদ্মার পানি বৃদ্ধিতে চরাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় এরই মধ্যে ১১টি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুল অনির্দিষ্টকালের জন্য ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। দুটি স্কুল ভাঙনের কবলে পড়ার শঙ্কায় পড়েছে। স্থানীয় বাজার ও মসজিদও যেকোনও সময় বিলীন হতে পারে পদ্মায়।
বাঘা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন রেজা বলেন, আমরা ভাঙন কবলিত এলাকায় সার্বক্ষণিক খোঁজ-খবর রাখছি। এরমধ্যে, দেড় হাজার মানুষ পানিবন্দি রয়েছেন। ৮৫টি পরিবারের বাড়িঘর নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এসব পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে।
বাঘা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এবিএম সানোয়ার হোসেন বলেন, স্কুলের আঙিনায় পানি উঠে যাওয়ায় আমরা এর মধ্যে ১১টি স্কুল বন্ধ ঘোষণা করতে বাধ্য হয়েছি।
রাজশাহীর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক মো. শামসুল হক জানান, বন্যায় জেলায় ১০২ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সবই চরাঞ্চলের ফসল। এর মধ্যে মাস কলাইয়ের ডাল বেশি।
রাজশাহী জেলা ত্রাণ ও পুর্নবাসন কর্মকর্তা মো. এনামুল হক বলেন, জেলার পবা, গোদাগাড়ী ও বাঘা উপজেলা বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। এর মধ্যে পবার মধ্যচরের ৩৬৫টি পরিবারের বাড়িঘর বন্যায় তলিয়ে গেছে। আর গোদাগাড়ীতে ৫৫ পরিবার ও বাঘায় এক হাজার ৫৮৬ পরিবার পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে। এদের মধ্যে ৯০৪ প্যাকেট শুকনা খাবার ও ৪৩ মেট্রিক টন চাল বিতরণ করা হয়েছে। যেকোনও দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে।পদ্মায় পানি বাড়লেও শহরে এখনো তা ঢুকবে না
ঈশ্বরদী: পানি উন্নয়ন বোর্ড পাবনার নির্বাহী প্রকৌশলী জহুরুল ইসলাম জানিয়েছেন, যে গতিতে পানি বাড়ছে, তাতে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ঈশ্বরদীর হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে পানি বিপদসীমা অতিক্রম করবে। পাউবোর এ কর্মকর্তা আরও বলেন, পদ্মার গুরুত্বপূর্ণ বাঁধগুলোতে সার্বক্ষণিক নজর রাখা হচ্ছে
পানি উন্নয়ন বোর্ড পাবনার উপ সহকারী প্রকৌশলী সানজানা নাজ বলেন, প্রতিদিনই পদ্মার পানি পাঁচ-ছয় সেন্টিমিটার করে বাড়ছে। সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় ঈশ্বরদীর হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে পানির উচ্চতা মাপা হয়েছে ১৪ দশমিক ১৭ সেন্টিমিটার। এতে পদ্মার পানি যে হু হু করে বাড়ছে তা এ পরিসংখ্যানই দেখা যায়।
সানজানা নাজ বলেন, ঈশ্বরদীর হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পদ্মার পানির বিপদসীমা ১৪ দশমিক ২৫ সেন্টিমিটার। এতে বিপদ সীমার মাত্র আট সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে পদ্মা। এভাবে পানি বাড়তে থাকলে আগামী এক-দুই দিনের মধ্যে পদ্মার পানি বিপদসীমা অতিক্রম করতে পারে।
সাঁড়া ইউনিয়নের পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান এমদাদুল হক রানা সরদার জানান, কয়েক বছরের তুলনায় এই অসময়ে এভাবে পানি বাড়তে দেখা যায়নি। কোমরপুর থেকে সাঁড়াঘাট পর্যন্ত রক্ষা বাধের তিন থেকে চার ফুট নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।
পাকশী ইউপি চেয়ারম্যান এনামুল হক বিশ্বাস বলেন, দ্রুতই পাকশী পদ্মায় পানি বাড়ায় রূপপুরের সড়কের মাথায় নিচু জমির ফসল তলিয়েছে। বৃহস্পতিবার পাকশী ইউনিয়নের নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। তবে বসতবাড়ির কোন ক্ষতি হয়নি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবদুল লতিফ বলেন, সাঁড়া, পাকশী ও লক্ষীকুন্ডা ইউনিয়নের আখ, ফুলকপি, গাজর, মাষকলাই, মূলা, বেগুন, শিম, পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচ, ধানসহ ৪০০ হেক্টর জমির সবজি ও ফসল তলিয়ে গেছে। সবচেয়ে বেশি ফসলের ক্ষতি হয়েছে লক্ষীকুন্ডার দাদাপুর, চরকুরুলিয়া, কামালপুর, ও বিলকেদায়। মাঠপর্যায়ে প্রাথমিক জরিপে এ তথ্য জানা গেছে। তবে পানি কমে না যাওয়া পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নিরূপণ করা যাচ্ছে না।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ: চাঁপাইনাবগঞ্জে পদ্মা ও মহানন্দা নদীর পানি বিপদসীমার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও আরও নতুন করে ৫ টি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এদিকে গত ২৪ ঘন্টায় ৫২ মিমি বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে জেলায়।
পানি উন্নয়ন বোর্ড চাঁপাইনবাবগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ সাহিদুল আলম জানান, পদ্মায় গত ২৪ ঘন্টায় ১০ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার .৫৬ সেন্টিমিটার (বিপদসীমা ২২.৫০ সেমি) এবং মহানন্দায় গত ২৪ ঘন্টায় ১২ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার .৫৮ সেন্টিমিটার (বিপদসীমা ২১ সেমি) নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তিনি আরও জানান,পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় বন্যার সম্ভাবনা রয়েছে।
জেলার সদর উপজেলার আলাতুলি, নারায়নপুর, চর অনুপনগর, শাহজাহানপুর ও চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলে নতুন করে পানি প্রবেশ করেছে। এই ৫ ইউনিয়নের ২ হাজার ২’শ পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। শিবগঞ্জ উপজেলার পাঁকা, দুর্লভপুর, মনাকষা, উজিরপুর, ধাইনগর, ঘোড়াপাখিয়া ও ছত্রাজিতপুর ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।
চরবাগডাঙ্গা ইউপি’র ৯ ওয়ার্ড সদস্য মো. কামরুজ্জামান টুটুল জানান, গোঠাপাড়া, বাগানপাড়া, চাকপাড়া, গিধনিপাড়া, মালবাগডাঙ্গা গ্রামের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে প্রায় ৫’শ পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। চরবাগডাঙ্গা বিওপি এলাকার গিধনিপাড়ায় নদীভাঙ্গন দেখা দিয়েছে।
শাহজাহানপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. আবদুস সালাম জানান, হাকিমপুর, সেকালিপুর রাবনপাড়া, দুর্লভপুর ও নরেন্দ্রপুরের কিছু অংশ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় প্রায় ৪’শ পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি বৃষ্টির কারণে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলো রান্না করতে পারছে না।
চর অনুপনগর ইউপি চেয়ারম্যান মো. সাদেকুল ইসলাম জানান, নতুনপাড়া, বিশ্বাসপাড়া, লম্বাপাড়া, মোন্নাপাড়া, চর অনুপনগর বাগানপাড়া, কলাবাগান ও চরকাশেমপুর ক্যানেলপাড়ার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় প্রায় ৪’শ পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
শিবগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রকৌশলী মো. আরিফুল ইসলাম জানান, পাঁকা, দুর্লভপুর, মনাকষা, উজিরপুর, ধাইনগর, ঘোড়াপাখিয়া ও ছত্রাজিতপুর ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় সাড়ে ৬ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। পরিবারগুলোর জন্য ত্রাণের জন্য চাহিদাপত্র জেলা প্রশাসনের নিকট প্রেরণ করা হয়েছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর চাঁপাইনবাবগঞ্জের উপ-পরিচালক মো. মঞ্জংরুল হুদা বলেন, গত ২৪ ঘন্টায় ৫২ মিমি বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় ৭ হাজার ৫’শ হেক্টর মাসকলাই তলিয়ে গেছে। এ ছাড়া ৫’শ ৮০ হেক্টর সব্জি ও ৭০ হেক্টর হলুদ নষ্ট হয়ে গেছে।
এদিকে, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আলমগীর হোসেন জানান, আলাতুলি ইউনিয়নে ইতমধ্যে ৫’শ পানিবন্দি পরিবারের মাঝে ৫ মেট্রিক টন চাল বিতরণ করা হয়েছে। নারায়নপুর ইউনিয়নে ৪’শ ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে চাল বিতরণ করা হবে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক এ কে এম তাজকির-উজ-জামান জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর ও শিবগঞ্জ উপজেলার পানিবন্দি ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের জন্য ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ে শুকনো খাবারের জন্য চাহিদাপত্র প্রেরণ করা হয়েছে।পদ্মায় পানি বাড়লেও শহরে এখনো তা ঢুকবে না
অন্যদিকে বাঁধ খুলে দেওয়ার ফলে ভারতের মুর্শিদাবাদের একাংশ ও বাংলাদেশে প্লাবনের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পদ্মা ছাড়াও মালদা জেলার প্রায় সমস্ত নদীতে পানি বাড়ছে। বর্ষা মৌসুমে প্রায় প্রতি বছরই ফারাক্কার গেট খুলে দিলে প্লাবনের শিকার হয় ভাটি অঞ্চলের মানুষ। এবারও গেট খুলে দেওয়ায় সেই আশঙ্কা আরও বেড়েছে।
এদিকে স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গত বৃহস্পতিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত উত্তর প্রদেশে অন্তত ৯৩ জন বন্যায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। অন্যদিকে বিহারে বন্যা সংশ্লিষ্ট কারণে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯। এ খবর দিয়েছে বিবিসি।
খবরে বলা হয়, শহুরে অঞ্চলগুলোতে বন্যার প্রভাবে সৃষ্ট দুর্দশার ছবি প্রকাশ পাচ্ছে ধীরে ধীরে। বিঘ্নিত হচ্ছে সড়কে যান চলাচল, ট্রেন সেবা, স্বাস্থ্যসেবা, স্কুল ও বিদ্যুৎ সরবরাহ। দুই অঙ্গরাজ্যের কর্মকর্তারাই নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। এর মধ্যে বিহারের প্রধান শহর পাটনায় অবস্থা দ্রুত বেগতিক হয়ে ওঠেছে। মানুষজন মূল সড়কগুলোয় নৌকা চালাচ্ছে। বরেন্দ্র বার্তা/অপস

Close