চারঘাটশিরোনাম

চারঘাটে নদীর তীরবর্তী বাড়িগুলোতে ভয়ংকর ফাটল

মো: সজিব ইসলাম, চারঘাট: পদ্মার পানি বাড়ার সাথে সাথে চারঘাট উপজেলার নদী তীরবর্তী এলাকার মানুষের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।কোনো এলাকায় ব্যাপক ভাঙ্গন শুরু হয়েছে,আবার কোথাও নদীর তীরবর্তী দালান ঘরগুলোতে ভয়ংকর ফাটল দেখা দিয়েছে।
পাশবর্তী দেশ ভারত ফারাক্কা বাধের সবকটি গেট খুলে দেওয়ায় ৩০ সেপ্টেম্বর সোমবার থেকে পদ্মা নদী পানি ব্যপকভাবে বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে।এখন পর্যন্ত পানি কমেনি। এতে পদ্মা নদী তীরবর্তী চারঘাট উপজেলার গোপালপুর, পিরোজপুর, রাওথা,চন্দনশহর, সারদা থানাপাড়া,সারদা কুঠিপাড়া, ইউসুফপুর টাঙ্গনসহ নদী তীরবর্তী এলাকার মানুষের আতঙ্কে রাতের ঘুম হারাম হয়ে গেছে।
এদিকে পানি বাড়ার সাথে যোগ হয়েছে নদী ভাঙ্গন।ভাঙ্গনের মুখে রয়েছে একটি প্রাচীন মসজিদ,স্কুল,ঘর বাড়িসহ নানা স্থাপনা।পদ্মা নদীর শাখা বড়ালের মোহনার আশেপাশের বাড়িগুলো রয়েছে বেশি ঝুঁকিতে।বড়ালের মোহনার দক্ষিণ পাশের দালান বাড়িগুলোর নদীর তীরবর্তী অংশ দেবে গিয়ে ভয়ংকর ফাটল দেখা দিয়েছে।পদ্মা বড়ালের উত্তর মোহনায় চারঘাট গুচ্ছ গ্রামটিও হুমকির মুখে রয়েছে।
ভুক্তভোগী আন্জুমনোয়ারা আহমেদ ময়না বলেন,প্রচন্ড আতংঙ্কে রয়েছি।আমার বাড়ির উত্তর পাশের অংশ পুরোটা দেবে গেছে।দালান ঘর গুলোতে ভয়ংকর ফাটল দেখা দিয়েছে।কতৃপক্ষ যদি দ্রুত কোনো ব্যবস্থা গ্রহন না করে তাহলে আমার ঘরবাড়ি সর্বস্ব হয়তো নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।
ইতিমধ্যে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব শাহরিয়ার আলম এমপি বন্যার কারণে চারঘাট-বাঘার নদী তীরবর্তী এলাকার মানুষকে আতংকিত না হয়ে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষকে সহযোগিতার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে রাজশাহী জেলা প্রশাসক হামিদুল হক ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে চারঘাট উপজেলা প্রশাসন ও সর্বস্তরের মানুষকে সর্তক থেকে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য আহবান জানিয়েছেন।
এ ব্যাপারে চারঘাট উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ফকরুল ইসলাম বলেন, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য সার্বক্ষনিক প্রস্তুত রয়েছি আমরা।বাকিটা আল্লাহ ভরসা, সবার সহযোগিতা কামনা করছি।আমরা সবাইকে সাথে নিয়ে বন্য পরিস্থিতি মোকাবেলা করবো। বরেন্দ্র বার্তা/অপস

Close