বাগমারাশিরোনাম-২

দুর্গোৎসব এখন সার্বজনীন উৎসবে রুপ নিয়েছে: এমপি এনামুল হক

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজশাহীর বাগমারা আসনের সংসদ সদস্য, সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং একাদশ জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশনে সংসদ কার্যপরিচালনা কমিটির প্যানেল স্পিকার ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক বলেছেন, বাংলাদেশ বিভিন্ন ধর্মের লোক থাকলেও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ব বৃহৎ শারদীয় দুর্গোৎসব এখন সার্বজনীন উৎসবে রুপ নিয়েছে। বাংলাদেশ সাম্প্রদায়ীক সম্প্রীতির দেশ। এ দেশে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের লোকজন বসবাস করলেও শারদীয় দুর্গোৎসবে ভেদাভেদ ভুলে অনেকেই পূজো দেখতে যান মন্দিরে।

সোমবার বেলা ১১ টায় উপজেলার তাহেরপুরে রাজা কংস নারায়ন রায় বাহাদুরের শ্রী শ্রী দুর্গামাতা মন্দিরে দুর্গা পূজা উপলক্ষে মন্দির পরিদর্শন শেষে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।  তিনি আরো বলেন, রাজা কংস নারায়ন রায় বাহাদুর তৎকালীন ভারত উপমহাদেশে ১৪৮০ খ্রিঃ প্রথম দুর্র্গা পূজা শুরু করেন। রাজার সেই মারদীয় দুর্গোৎসবের স্থানটিকে এবং এর ইতহাসকে স্মরণীয় করে রাখতে এখানে স্থাপন করা হয়েছে অষ্টধাতু দিয়ে তৈরি ব্রোঞ্জের প্রতীমা। স্বাধীন দেশে আ’লীগ সরকারের আমলে সবাই স্বাধীন ভাবে তাদের উৎসবাদী পালন করে চলেছে। সকল প্রকার উগ্রবাদ তুলে দিয়েছে আ’লীগ সরকার। প্রধান অতিথি উপস্থিত সকলকে স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।

অপরদিকে অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার সঞ্জীব কুমার ভাটী বলেন, রাজা না থাকলেও তাঁর ইতিহাস আজও অক্ষুন্ন রেখেছে সনাতন ধর্মবলম্বীরা। প্রায় সাড়ে পাঁচ শত বছর যাবৎ পালিত হয়ে আসছে শারদীয় দুর্গোৎসব। বাংলাদেশে যেভাবে পালিত হচ্ছে ভারতেও সেভাবে পালিত হচ্ছে দুর্গা পূজা। তিনি আরো বলেন, ধর্ম যার যার উৎসব সবার। এই সত্যকে বুকে ধারণ করতে হবে সকলকে। এর আগে ভারতীয়
সহকারী হাই কমিশনার সঞ্জীব কুমার ভাটী সপরিবারে রাজার মন্দিরে অঞ্জলি পূজা করেন। এ সময় বক্তব্য রাখেন, জেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি ও হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ স্ট্রাষ্টের ট্রাস্টি, বাগমারা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অনিল কুমার সরকার, তাহেরপুর শ্রী শ্রী দুর্গামাতা মন্দিরের সভাপতি নিশিত কুমার সাহা। উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনারের পত্নী সুনন্দা ভাটী, ভারতীয় দর্শনার্থী চাম্পা দাস, তপন কুমার, তাহেরপুর পৌরসভার মেয়র আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি মতিউর রহমান টুকু, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক গোলাম সারওয়ার আবুল, সহ-দপ্তর সম্পাদক নুরুল ইসলাম, সহ-প্রচার সম্পাদক ফরহাদ হোসেন মজনু, কার্যকরী কমিটির সদস্য হাচেন আলী, বকুল খরাদী, চেয়ারম্যান আজাহারুল হক, আনোয়ার হোসেন, তাহেরপুর পৌর আ’লীগের সভাপতি আবু বাক্কার মৃধা মনসুর, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুর রহমান বিপ্লব, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান আসাদ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মমতাজ আক্তার বেবী, তাহেরপুর শ্রী শ্রী দুর্গামাতা মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক চিরঞ্জীব রায়, আ’লীগ নেতা আমজাদ হোসেন, শাহরিয়া, ফরিদ উদ্দীন সহ আ’লীগ ও অংগ সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ
ও হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন।
বরেন্দ্র বার্তা/ সরা/ নাসি

Close