বাগমারাশিরোনাম-২

বাগমারার দামনাশে প্রভাবশালী এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে রাস্তার সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ

আব্দুল মতিন, বাগমারা প্রতিনিধি: রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার ১নং গোবিন্দপাড়া ইউনিয়নের দামনাশ বাজারের কাছে, রাস্তার ধারের সরকারি একটি আম গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় একটি সুত্রে জানা যায় যে দামনাশ গ্রামের মৃত রিয়াজ উদ্দিনের পুত্র প্রভাবশালী ময়েজ উদ্দিন গত ৫/১০/১৯ ইং তারিখে কাউকে না জানিয়ে ঐ আমগাছটি কাটেন।তখন থেকে এলাকা বাসীর মধ্যে চরম ক্ষোবের সৃষ্টি হয়েছে। এবিষয়ে এলাকাবাসির নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই বলেন ময়েজ শুধু রাস্তার গাছই কাটেননি,তিনি দামনাশ মসজিদের ঐতিহ্যবাহী শতবর্ষী তেতুল গাছটি ও দেড় লক্ষ টাকা দিয়ে বিক্রি করেছিল মসজিদের উন্নয়ন মুলক কাজ করবে বলে।কিন্তুু ১টি টাকা ও তিনি মসজিদের উন্নয়ন মুলক কাজে ব্যবহার করেননি।এবিষয়ে মসজিদ কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব আবুল কাশেম সহ নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই বলেন তেতুল গাছটি বিক্রির টাকা তো মসজিদে দেননি বরং মসজিদের পাঁচশত ইটের খোয়া(ভাংড়ি) ময়েজ উদ্দিন নিয়ে গিয়ে নিজের বাড়ির মেঝে পাকাকরন করেন। ময়েজের এসব অপকর্মের কথা দামনাশ গ্রামের মুনছুর রহমানের ছেলে শাহিন আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমাকেও সে ধোকা দিয়েছেন।পার দামনাশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পিয়ন পদে চাকুরি দেওয়ার নাম করে প্রায় ৪ লক্ষ টাকা নিয়ে এখন চাকুরিও দিচ্ছেন না টাকা চাইলে টাকা ও ফেরত দিচ্ছেন না। জমিজমা বিক্রি করে সম্পূর্ন টাকা দিয়ে আজ আমরা খুব কষ্টে মানবেতর জীবন যাপন করছি।এ বিষয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান সহ এলাকার অনেক গন্যমান্য ব্যাক্তিকেই বিষয়টি জানানো হয়েছে।কিন্তুু কোন সুরাহা পায় নি।তাই খুব অল্প সময়ের মধ্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের স্বরনাপূর্ন হবেন বলে ও জানান তিনি।ময়েজ উদ্দিনের এই সকল অপকর্মের কারনে এলাকাবাসি অতিষ্টি। এজন্য এলাকাবাসি ময়েজের সকল প্রকার অপকর্ম থেকে মুক্তির জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উদ্ধোর্তন কর্মতার নিকট আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।এবিষয় ময়েজ উদ্দিনের সাথে কথা বললে তিনি বলেন আইনী ভাবে কোন শাস্তি হলে আমি মাথা পেতে নিবো, ইউপি চেয়ারম্যান বিজন সরকার এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন আমি বিষয়টি জানার সাথে সাথে সেখানে গ্রামপুলিশ পাঠিয়েছিলাম এবং সেখানে পুলিশ ও পাঠানো হয়েছিলো গাছ কাটা বন্ধ করার জন্য,কিন্তুু গ্রামপুলিশ যাবার আগেই গাছের ডালপালা সম্পূর্ন কেটে ফেলেছে। এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব শরীফ আহম্মেদের সাথে কথা বললে তিনি বলেন আমি গাছের বিষয়টি শুনেছি এবং সঙ্গে সঙ্গে ঐ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কে বিষয়টি কথা জানিয়েছি। এবং অন্যান্য বিষয়ে যদি তার বিরুদ্ধে আমার কাছে কেউ অভিযোগ করেন তাহলে অবশ্যই বিষয়টি দেখবো। বরেন্দ্র বার্তা/অপস

Close