মহানগরশিরোনাম

চর জেগে উঠতে শুরু করেছে পদ্মায়

সবনাজ মোস্তারী স্মৃতি: মাত্র কিছু দিন আগেও পদ্মার স্রোতে রাজশাহীতে নদী তীরের বাধ ভেঙ্গে যাবার আশঙ্কা দেখা দিয়েছিলো।কিন্তু এখনই আবার পদ্মার বুক চিরে জেগে উঠেছে চর।তাই হারিয়ে গেছে পদ্মার উত্তাল ঢেউ।আর কিছু দিন পরই ধূ ধূ বালুচর হয়ে উঠবে পদ্মার গর্ভের বিস্তীর্ণ এলাকা।
পদ্মার এই নতুন চরে দল বেঁধে ঘুরে বেড়াতে শুরু করেছেন বিনোদন পিপাসুরা।টাঙ্গাইল থেকে রাজশাহীতে এক আত্নীয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসেছেন নাসরিন আক্তার ও কামাল হোসেন দম্পতি।তারা বলেন, আগের বছর যখন পদ্মায় চর ছিলো তখনও তারা এসেছিলেন।এবার পদ্মার নতুন চর তাদের বেশ ভালো লেগেছে।সন্ধায় পদ্মার পাড়ে তারা অনেকটা সময় কাটিয়েছেন।
নদীর মাঝের এই চরে বিনোদন খুজে পাওয়া গেলেও হতাশায় ভুগছেন জেলে আর মাঝিরা।কেননা,নদীতে পানি কমে গেলে মাছের পরিমানও কমে যায়।আর ভ্রমনের জন্য নৌকাগুলোও তেমন চলে না।কেশবপুর ঘাটে রাজু নামের এক নৌকা চালক বলেন, পদ্মায় পানি বেশি থাকলে বেশি লোক হয়।আর চর জাগলে নদী খুব ছোট হয়ে আসে। তখন নৌকা চলে না।ফলে আয় রোজগারেও ভাটা পড়ে।নদীতে পানি কমে গেলে জেলেদের জীবিকার ওপরেও ব্যাপক প্রভাব পড়ে।জেলে ইবরাহীম আলী বলেন, পদ্মায় যখন পানি থাকে তখন অনেক মাছ পাওয়া যায়।সে মাছ বিক্রি করে তিনি সংসার চালান।কিন্তু পানি যত কমছে মাছও তত কমছে। ফলে তার সংসার চালানো কষ্টকর হয়ে পড়বে।
রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোডের গেজ রিডার এনামুল হক জানিয়েছেন, এবার পানি বাড়তে থাকার পর সর্বোচ্চ পানির উচ্চতা ছিলো ১৮ দশমিক ১৯ মিটার।গতকাল মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় পানির উচ্চতা ছিলো ১৪ দশমিক ৪০ মিটার।নদীর পানি এখন কমতে থাকবে বলেও জানান তিনি। বরেন্দ্র বার্তা/অপস

Close