নওগাঁশিরোনাম-২

মান্দার গনেশপুর ইউনিয়ন আ’লীগ সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান হানিফের বিরুদ্ধে নিয়োগ বানিজ্য ও চাঁদাবাজির অভিযোগ

নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁর মান্দা উপজেলার গনেশপুর ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব হানিফ উদ্দিন মন্ডলের বিরুদ্ধে প্রায় কোটি টাকার নিয়োগ বানিজ্য ও চাঁদাবাজির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্থানীয় সতীহাট কেটি হাইস্কুল ও কলেজের সভাপতির দায়িত্বে থাকা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হানিফ উদ্দিন মন্ডলের বিরুদ্ধে রাজাকারের সন্তান, নিয়োগ বানিজ্য, সরকারি জমি দখল করে নিজের অফিস ও মার্কেট নির্মান করে ভাড়া দেয়া, মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মাসিক লাখ টাকা চাঁদা নেয়া, জমি দখল, সতীহাটে অতিরিক্ত টোল আদায় থেকে সপ্তাহে ৩০হাজার টাকা আদায় এবং হাটে দোকান ঘর নির্মাণ থেকে চাঁদাবাজি সহ বিভিন্ন অভিযোগে গনেশপুর ইউনিয়ন আ’লীগের পক্ষ থেকে দলীয় প্যাডে মান্দা উপজেলা আ’লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগের অনুলিপি দেয়া হয়েছে নওগাঁ জেলা আ’লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, জেলা এবং উপজেলা আ’লীগের সম্মেলনের দায়িত্ব প্রাপ্ত নেতৃবৃন্দ বরাবর।
লিখিত অভিযোগ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মান্দা উপজেলার গনেশপুর ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব হানিফ উদ্দিন মন্ডল দলে অনুপ্রবেশকারী। সভাপতি হওয়ার পূর্বে তিনি কখনো আ’লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের কোন পদেই ছিলেন না। তার পিতা ছিল একজন রাজাকার। তিনি রাজাকার পরিবারের সন্তান এবং তার বড় ভাই খোদাবক্স জামায়াতের রুকন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তার পিতা রাজাকার খয়ের আলীকে মুক্তিযোদ্ধারা ব্রাসফায়ার করে মেরেছে।
অভিযোগ সূত্রে এবং গনেশপুর ইউনিয়ন আ’লীগ ও যুবলীগের একাধিক নেতৃবৃন্দের সাথে কথা বলে জানা যায়, স্থানীয় সতীহাট কেটি হাইস্কুল ও কলেজের সভাপতি হিসেবে সাম্প্রতি তিনি ২৩লক্ষ টাকার বিনিময়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর রুকন আবদুল জলিল শেখের ছেলে, বিএনপির গনেশপুর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের সভাপতি ও ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিস্ফোরক আইনে মামলার ৫নং আসামি এবং মীরপুর দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক সাজ্জাদ হোসেন হেলালকে। এছাড়াও তিনি প্রায় ৪লক্ষ টাকার বিনিময়ে প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ দিয়েছেন লুৎফর রহমান এবং অফিস সহকারী পদে ১২লক্ষ টাকার বিনিময়ে নিয়োগ দিয়েছেন পরাণপুর ইউনিয়নের রাজাকার পরিবারের ছেলে বেলাল হোসেনকে।
সাতবাড়ীয়া বাজারে দুটি মার্কেট দখলে ৩০লক্ষ টাকা, মৈনম ইউনিয়ন আ’লীগ নেতা বয়েন উদ্দিনের কাছ থেকে সতীহাটের ঘর বাবদ ৮০হাজার টাকা এবং সরকারি জমি দখল করে নিজের অফিস ও মার্কেট নির্মাণ করে ভাড়া দিয়েছেন। তিনি সতীহাটে সরকারি জায়গায় বিভিন্ন দোকান ঘর নির্মানে সহযোগীতা করে প্রতিটি দোকান ঘর থেকে মোটা অংকের টাকা চাঁদা হিসেবে নিয়ে থাকেন।
ঋষি পাড়ার মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রতিমাসে ১লক্ষ টাকা, সতীহাটে অবৈধ ভাবে খাজনা আদায় থেকে প্রতি সপ্তাহে ৩০হাজার টাকা নেয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়াও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে কাবিখা প্রকল্পে দূর্নিতী, জনপ্রতি ৩হাজার টাকার বিনিময়ে বয়স্ক-বিধবা-প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড করে দেয়া এবং ৪০ দিনের সৃজনশীল কর্মসূচী ও এলজিএসপির টাকা হরিলুটের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব হানিফ উদ্দিন মন্ডল মুঠোফোনে দূর্ণিতী, নিয়োগ বানিজ্য এবং চাঁদাবাজির প্রসঙ্গ এড়িয়ে গিয়ে বলেন, আমার কমিটির সাধারণ সম্পাদকের দাদাও রাজাকার ছিলেন। আর যারা আমার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ করেছে তারাই চাঁদাবাজীর সাথে জড়িত। তিনি বলেন, আগামী ৩১ তারিখে ইউনিয়ন আ’লীগের সম্মেলন আছে, এই সম্মেলনে আমি যাতে আর সভাপতি হতে না পারি সে জন্য একটি গ্রুপ উঠেপড়ে লেগেছে।
মান্দার গনেশপুর ইউনিয়ন আ’লীগ সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান হানিফের বিরুদ্ধে কোটি টাকার নিয়োগ বানিজ্য ও চাঁদাবাজির অভিযোগ
নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁর মান্দা উপজেলার গনেশপুর ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব হানিফ উদ্দিন মন্ডলের বিরুদ্ধে প্রায় কোটি টাকার নিয়োগ বানিজ্য ও চাঁদাবাজির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্থানীয় সতীহাট কেটি হাইস্কুল ও কলেজের সভাপতির দায়িত্বে থাকা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হানিফ উদ্দিন মন্ডলের বিরুদ্ধে রাজাকারের সন্তান, নিয়োগ বানিজ্য, সরকারি জমি দখল করে নিজের অফিস ও মার্কেট নির্মান করে ভাড়া দেয়া, মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মাসিক লাখ টাকা চাঁদা নেয়া, জমি দখল, সতীহাটে অতিরিক্ত টোল আদায় থেকে সপ্তাহে ৩০হাজার টাকা আদায় এবং হাটে দোকান ঘর নির্মাণ থেকে চাঁদাবাজি সহ বিভিন্ন অভিযোগে গনেশপুর ইউনিয়ন আ’লীগের পক্ষ থেকে দলীয় প্যাডে মান্দা উপজেলা আ’লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগের অনুলিপি দেয়া হয়েছে নওগাঁ জেলা আ’লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, জেলা এবং উপজেলা আ’লীগের সম্মেলনের দায়িত্ব প্রাপ্ত নেতৃবৃন্দ বরাবর।
লিখিত অভিযোগ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মান্দা উপজেলার গনেশপুর ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব হানিফ উদ্দিন মন্ডল দলে অনুপ্রবেশকারী। সভাপতি হওয়ার পূর্বে তিনি কখনো আ’লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের কোন পদেই ছিলেন না। তার পিতা ছিল একজন রাজাকার। তিনি রাজাকার পরিবারের সন্তান এবং তার বড় ভাই খোদাবক্স জামায়াতের রুকন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তার পিতা রাজাকার খয়ের আলীকে মুক্তিযোদ্ধারা ব্রাসফায়ার করে মেরেছে।
অভিযোগ সূত্রে এবং গনেশপুর ইউনিয়ন আ’লীগ ও যুবলীগের একাধিক নেতৃবৃন্দের সাথে কথা বলে জানা যায়, স্থানীয় সতীহাট কেটি হাইস্কুল ও কলেজের সভাপতি হিসেবে সাম্প্রতি তিনি ২৩লক্ষ টাকার বিনিময়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর রুকন আবদুল জলিল শেখের ছেলে, বিএনপির গনেশপুর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের সভাপতি ও ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিস্ফোরক আইনে মামলার ৫নং আসামি এবং মীরপুর দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক সাজ্জাদ হোসেন হেলালকে। এছাড়াও তিনি প্রায় ৪লক্ষ টাকার বিনিময়ে প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ দিয়েছেন লুৎফর রহমান এবং অফিস সহকারী পদে ১২লক্ষ টাকার বিনিময়ে নিয়োগ দিয়েছেন পরাণপুর ইউনিয়নের রাজাকার পরিবারের ছেলে বেলাল হোসেনকে।
সাতবাড়ীয়া বাজারে দুটি মার্কেট দখলে ৩০লক্ষ টাকা, মৈনম ইউনিয়ন আ’লীগ নেতা বয়েন উদ্দিনের কাছ থেকে সতীহাটের ঘর বাবদ ৮০হাজার টাকা এবং সরকারি জমি দখল করে নিজের অফিস ও মার্কেট নির্মাণ করে ভাড়া দিয়েছেন। তিনি সতীহাটে সরকারি জায়গায় বিভিন্ন দোকান ঘর নির্মানে সহযোগীতা করে প্রতিটি দোকান ঘর থেকে মোটা অংকের টাকা চাঁদা হিসেবে নিয়ে থাকেন।
ঋষি পাড়ার মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রতিমাসে ১লক্ষ টাকা, সতীহাটে অবৈধ ভাবে খাজনা আদায় থেকে প্রতি সপ্তাহে ৩০হাজার টাকা নেয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়াও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে কাবিখা প্রকল্পে দূর্নিতী, জনপ্রতি ৩হাজার টাকার বিনিময়ে বয়স্ক-বিধবা-প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড করে দেয়া এবং ৪০ দিনের সৃজনশীল কর্মসূচী ও এলজিএসপির টাকা হরিলুটের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব হানিফ উদ্দিন মন্ডল মুঠোফোনে দূর্ণিতী, নিয়োগ বানিজ্য এবং চাঁদাবাজির প্রসঙ্গ এড়িয়ে গিয়ে বলেন, আমার কমিটির সাধারণ সম্পাদকের দাদাও রাজাকার ছিলেন। আর যারা আমার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ করেছে তারাই চাঁদাবাজীর সাথে জড়িত। তিনি বলেন, আগামী ৩১ তারিখে ইউনিয়ন আ’লীগের সম্মেলন আছে, এই সম্মেলনে আমি যাতে আর সভাপতি হতে না পারি সে জন্য একটি গ্রুপ উঠেপড়ে লেগেছে। বরেন্দ্র বার্তা/কাকাহো/অপস

Close