মহানগরশিরোনাম

রাজশাহী রেল ভবনে টেন্ডার নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে আ.লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ

নিজস্ব প্রতিনিধি : রাজশাহী রেল ভবনে টেন্ডার নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছে। আজ বুধবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় আওয়ামী লীগের রাজা গ্রুপ ও সুজন গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে ৫ কর্মী আহত হন। আহত ৩জনকে চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহতরা হলেন বাস্তহারা এলাকার মৃত আবুল কাসেমের ছেলে বোয়ালিয়া থানা আওয়ামী লীগের (পূর্ব) সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন রাজা,তার ভাই রাসেল ও বোয়ালিয়া থানাধীন খুলি পাড়া এলাকার রবির ছেলে মনা।
আজ বুধবার দুপুর দুইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছেন চন্দ্রিমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মো. গোলাম মোস্তফা।
তিনি বলেন, রেলভবনের টেন্ডার নিয়ন্ত্রণকে ঘিরে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের মধ্যে দীর্ঘদিন থেকে আধিপত্য বিস্তারের ঘটনা ঘটছিল। এরই সূত্র ধরে বোয়ালিয়া থানা আওয়ামী লীগের (পূর্ব) সাংগঠনিক সম্পাদক রাজার সঙ্গে স্থানীয় সুজন আলীর বিরোধ চলছিল। বুধবার দুপুরে এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়।‘এক পর্যায়ে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এসময় ঘটনাস্থল থেকে একটি ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এ ব্যাপারে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।
এ বিষয়ে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক (সিওএস) প্রকৌশলী বেলাল হোসেন বলেন, আমার অফিসের সামনে আমাকে বা অন্য কাউকে গালিগালাজ করার এমন ঘটনা আমার জানা নেই। আজকে একটি টেন্ডার ওপেন হচ্ছিল এমন সময় বাইরে তাদের দুই গ্রপে সংযর্ষ বাধে। তবে কি নিয়ে তাদের সংযর্ষ বেধেছে বিষয়টি তিনি জানেন না ।
ঘটনার বিষয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে সাংবাদিকদের সামনে বোয়ালিয়া থানা আওয়ামী লীগের (পূর্ব) সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন রাজা গ্রুপের মাসুমসহ অন্যন্যরা বলেন, আজ বুধবার পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক (সিওএস) প্রকৌশলী বেলাল হোসেনের অফিসের সামনে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে সুজন আলীর অনুসারীরা। এ সময় রাজা,তার ভাই রাশেল,মনাসহ তার অনুসারীরা সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক (সিওএস) প্রকৌশলী বেলাল হোসেনকে গালিগালাজ করতে নিষেধ করলে দুই গ্রুপে কথা কাটাকাটি এক পর্যায়ে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ লেগে যায়। এ সময় স্থানীয় সুজন আলীর অনুসারীরা ধারালো অস্ত্রদিয়ে রাজা,তার ভাই রাশেল ও মনাসহ তার অনুসারীদের ওপড়ে হামলা করলে রাজা,তার ভাই রাশেল ও মনা গুরুতর আহত হন। বর্তমানে রাজার ভাই রাসেলের অবস্থা আশংখা জনক বলে জানান তারা।
এদিকে সুজন আলীর মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তাদের কেউ পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক (সিওএস) প্রকৌশলী বেলাল হোসেনের অফিসের সামনে কাউকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ দেয়নি। বড়ং রাজা,তার ভাই রাসেল গ্রুপের অনুসারীরা স্থানীয় সিনিয়র ঠিকাদারদেরকে গালিগালাজসহ অপমানজনক কথা বলছিলো এ সময় তাদের বাধা দিতে গিয়ে দুই গ্রুপে কথা কাটাকাটি এক পর্যায়ে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। এ ঘটনায় আমাদের দুইজন আহত হয়েছে। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি । বরেন্দ্র বার্তা/অপস

Close