শিরোনামসিরাজগঞ্জ

দুর্ঘটনার দেড় ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল শুরু

বরেন্দ্র বার্তা ডেস্ক: সিরাজগঞ্জে দুর্ঘটনা দেড় ঘণ্টা পর ঢাকার সঙ্গে উত্তর-দক্ষিণের রেল যোগাযোগ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী ‘লোকাল ৫৫১ আপ ট্রেনটি’ দুর্ঘটনার শিকার হয়। বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম পাড়ে জেলার কামারখন্দ উপজেলার ওভার ব্রিজের কাছে ঢাকা-ঈশ্বরদী রেলপথে ট্রেনের ইঞ্জিনে হঠাৎ করে আগুন ধরে যায়। বড় ধরনের ক্ষতি না হলেও ইঞ্জিনটি বিকল হয়ে ঢাকার সঙ্গে উত্তর-দক্ষিণের রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
তবে, কি কারণে ইঞ্জিনে আগুন ধরেছে তা প্রাথমিকভাবে জানা যায়নি। মাত্র দুই সপ্তাহের মাথায় সিরাজগঞ্জে আবারও ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটেছে।
খবর পেয়ে পশ্চিমাঞ্চল রেল বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারিরা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। সকাল ১০টা পর্যন্ত ট্রেনটি আটকে থাকায় উভয় পাড়ে ঢাকা ও খুলনা, রাজশাহী ও ঈশ্বরদীর থেকে আসা কমপক্ষে ১০/১২টি ট্রেন আটকা পড়ে। পরে, দুর্ঘটনাস্থলের অদূরে জামতৈল স্টেশনে অপেক্ষমান একটি ট্রেনের ইঞ্জিন এনে বিকল ইঞ্জিনসহ ট্রেনটি ঠেলে সয়দাবাদ স্টেশনে নিয়ে যাওয়ার পর আবার ট্রেন চলাচল শুরু হয়। সকাল সোয়া ১০টার পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয় বলে জানা যায়।
পশ্চিমাঞ্চল রেল বিভাগ পাকশীর বিভাগীয় ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) আহসান উদ্দিন ভুইয়া বলেন, ‘ঢাকা-ঈশ্বরদী রেলপথে ট্রেনের ইঞ্জিন আকস্মিক বিকল হয়ে যায়। পরে স্থানীয়ভাবে অন্য ইঞ্জিন দিয়ে ট্রেনটিকে ঠেলে সয়দাবাদ স্টেশনে পাঠানো হয়। দুর্ঘটনার প্রায় দুই ঘণ্টা পর সকাল সোয়া ১০টার দিকে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়। কি কারণে দুর্ঘটনা ঘটলো সেটা অনুসন্ধানের চেষ্টা চলছে।ি
উল্লেখ্য গত ১৪ নভেম্বর ঢাকা-ঈশ্বরদী রেলপথে সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লপাড়া স্টেশনে রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেনটি আকস্মিক দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। ওই সময় ট্রেনের ইঞ্জিনসহ ৭টি বগি লাইনচ্যুত হয়। এছাড়া, ইঞ্জিনে আগুন ধরে আরও ৩টি বগিতে ছড়িয়ে পড়ে। দুর্ঘটনার কারণ চিহ্নিতকরণ ও অনুসন্ধানে রেলমন্ত্রণালয়, পশ্চিমাঞ্চল রেল বিভাগ ও জেলা প্রশাসন ৪টি পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। জেলা প্রশাসনের তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদনে সিগন্যালের পাশাপাশি লাইনের ত্রুটির বিষয়টি উল্লেখ করেছে। অপরদিকে, পশ্চিমাঞ্চল রেল বিভাগ পাকশীর বিভাগীয় কমিটি লাইনের ত্রুটির বিষয় উল্লেখ করে সিরাজগঞ্জ-ঈশ্বরদী রেলপথের বেশ কিছু স্থান দ্রুত সংস্কার ও শক্তিশালী করার সুপারিশ করেছে। বরেন্দ্র বার্তা/অপস

Close