নওগাঁশিরোনাম-২

কেউ আমাদের খোঁজ খবর রাখে না

মো.মাহবুবুউল আলম,মহাদেবপুর,(নওগাঁ) প্রতিনিধি: প্রবীণেরা সমাজের বোঝা নয়। তারাও এক সময় আমাদের মত নবীণ ছিল। সুখে-দুঃখে তাদের পাশে থেকে সেবা করাই নবীণদের কাজ। কিন্ত বাস্তবে তা ঘটছে না। সরেজমিনে জেলার বিভিন্ন পরিবার ঘুরে দেখাগেছে, ছোট-বড় অনেক পরিবারেই প্রবীণদের তদারকী নেই। অবহেলা আর অযত্মের ফলে ওইসব প্রবীণদের জীবন-জীবিকা চলছে। তাদের নানা অভিযোগ, কেউ বলছেন, আমার ২ ছেলে, ৩ মেয়ে থেকেও রাখে না কেউ আমাদের খোঁজ খবর। আবার অনেকে বলছেন, আমি ছোট ছেলের কাছে থাকলেও তার বউ আমাকে দেখতে পারে না,আমার কথা শুনে না। আমার মত আমাকে চলতে দেয় না। হাজারো অভিযোগ প্রবীণদের। তাদের এই অভিযোগ কে শুনবে, কে তাদের তদারকী করবে! ওইসব প্রবীণদের পাশে দাঁড়িয়েছেন,সাংবাদিক,কবি মো.আককাস আলী। ওইসব প্রবীণদের হাজারো অভিযোগ সমাধানের লক্ষ্যে বিভিন্ন এনজিও বিভিন্ন ভাবে কাজ করে যাওয়ার পর আর কোন খোজ খবর থাকে না তাদের। এমনি অভিযোগ সাংবাদি,কবি মো.আককাস আলীর। তিনি জানান,দুই বা তিন বছরের জন্য কোন এনজিও প্রবীণদের নিয়ে কাজ করলেও ওই প্রকল্প শেষ হয়ে গেলে ওইসব এনজি আর কোন খোজ খবর রাখেন । তাঁর মতে ঘর থেকে প্রবীণদের যদি খোজ খবর না রাখলে তাদের এমনি হাজারো অভিযোগ থেকেই যাবে । কাজের কাজ কাজ কিছুই হবে না। তিনি আরও বলেন, শত কাজের মধ্যে থেকেও ছেলে-মেয়েদেরকে প্রবীণ বাবা-মায়ের খোজ খবর রাখা, তাদের চাহিদা মিটানো, তারা কি চাচ্ছে তা পুরুণ করা। সাংবাদিক,কবি মো.আককাস আলী সমবাদ পত্র ও কবিতার মাধ্যমে লেখনি লেখে হতদরিদ্র প্রবীণদের সুরক্ষা ও তাদের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে হাসপাতাল,ব্যাংকে বয়ষ্ক ভাতা উঠানোর ক্ষেত্রে তাদের অগ্রাধিার প্রতিষ্টিত করেছেন। এখন আর প্রবীণদের র্দীঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে ঔষুধ থেকে শুরু করে বয়ষ্কভাতা নিতে হয় না। বরেন্দ্র বার্তা/অপস

Close