মহানগরশিরোনাম

রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক: দীর্ঘ পাঁচ বছর পর রোববার (৮ ডিসেম্বর) আবারও অনুষ্ঠিত হচ্ছে বহুল আকাঙ্ক্ষিত রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন।
আজ বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে রাজশাহী বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্স মাঠে জাতীয় সঙ্গীত ও পতাকা উত্তোলন ও পাইরা উঠিয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম এমপি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি, রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনের সমন্বয়ক ও রাসিক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, রাজশাহী জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী এমপি, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ প্রমুখ।
বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্স মাঠে সকালে এর উদ্বোধন করবেন দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম। প্রধান বক্তা হিসেবে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নাম থাকলেও ব্যস্ততার কারণে তিনি সময় দিতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন নেতারা।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তৃণমূলের নেতাদের চাওয়া অনুযায়ী এবং বিতর্ক এড়াতে শনিবার বিকাল পর্যন্ত সম্মেলনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে কাউন্সিলরদের ভোট গ্রহণের প্রস্তুতি ছিলো। তবে আজ কাউন্সিলরদের ভোট গ্রহণ করা হবে, নাকি কেন্দ্রীয় নেতারা ভোট ছাড়াই সভাপতি-সম্পাদকের নাম ঘোষণা করে যাবেন তা এখনো নিশ্চিত নয়। ভোট ছাড়া কাউকে নেতৃত্বে আনা হলে তা শুধু দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনাই সিদ্ধান্ত দেবেন বলে দলের স্থানীয় নেতারা জানিয়েছেন।
সম্মেলন উপলক্ষে নেতাদের ব্যানার-ফেস্টুনে ভরে গেছে পুরো রাজশাহী মহানগরী। নগরীর প্রবেশদ্বারসহ বিভিন্ন স্থানে মোট ৩০টি তোরণও নির্মাণ করা হয়েছে জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে। এর মধ্যে সম্মেলনস্থলের প্রধান তোরণটি উৎসর্গ করা হয়েছে জাতীয় চার নেতার অন্যতম রাজশাহীর কৃতি সন্তান শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামানকে। অন্য তোরণগুলো উৎসর্গ করা হয়েছে দলের প্রয়াত অন্য নেতাদের। সম্মেলনে আওয়ামী লীগের জেলার প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে শুরু করে উপজেলা এবং জেলা পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা অংশ নেবেন। তবে কাউন্সিলর থাকবেন ৩৬০ জনের মতো। এবার জেলা আওয়ামী লীগের ২১ জন উপদেষ্টাও কাউন্সিলর হবার সুযোগ পাচ্ছেন।
রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সর্বশেষ ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন হয়েছিল ২০১৪ সালের ৬ ডিসেম্বর। ওই সম্মেলনে শুধুমাত্র সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা করে চলে যান কেন্দ্রীয় নেতারা। এর প্রায় এক বছর পর পুর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়।বরেন্দ্র বার্তা/অপস

Close