জাতীয়শিরোনাম-২

সারা দেশে ওয়ানটাইম প্লাস্টিক পণ্য ব্যবহার বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের

বরেন্দ্র বার্তা ডেস্ক: দেশের সকল হোটেল-মোটেল-রেস্টুরেন্ট এবং সকল উপকূলীয় অঞ্চলে ওয়ানটাইম প্লাস্টিক সামগ্রীর ব্যবহার বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একবছরের মধ্যে এই আদেশ কার্যকর করতে বলা হয়েছে। এই আদেশ কার্যকর করে ২০২১ সালের ৫ জানুয়ারির মধ্যে অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শিল্প সচিব, বেসরকারি বিমান ও পর্যটন সচিব, বাংলাদেশ প্লাস্টিক প্রোডাক্ট প্রডিউসার অ্যান্ড এক্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যানসহ ৮ জনকে ওই প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। এ ছাড়াও প্লাস্টিক সামগ্রীর ব্যবহার রোধে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে।
বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ সোমবার এ আদেশ দেন। বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতিসহ (বেলা) ১১টি সংগঠনের করা এক রিট আবেদনে এ আদেশ দেওয়া হয়। রিট আবেদনকারীপক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ও সাঈদ আহমেদ কবীর। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সাইফুদ্দিন খালেদ।
সোমবার শুনানিতে বিভিন্ন গবেষণাপত্র ও প্লাস্টিক রোধে বিভিন্ন দেশে নেওয়া ব্যবস্থাগুলো আদালতে তুলে ধরেন রিট আবেদনকারীর আইনজীবী।
রিট আবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুসারে পলিথিন নিষিদ্ধ করার বিধান রয়েছে। ২০০২ সালে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপনও রয়েছে। কিন্তু কটন বার্ড, প্লাস্টিক বোতল, প্লেট, ব্যাগ ও ফুড প্যাকেজিংয়ে প্লাস্টিকের বিভিন্ন সামগ্রী ব্যবহার দিনদিন বেড়েই চলেছে। যত্রতত্র এসব প্লাস্টিক সামগ্রী ব্যবহারের কারণে দেশের ৫৪টি নদী ও উপকূলীয় অঞ্চল থেকে প্লাস্টিক বর্জ্যগুলো বঙ্গোপসাগরে ফেলছে। এতে পানি, মৎস্য ও সামুদ্রিক প্রাণীর মধ্যে বিরূপ প্রভাব পড়ছে।
এর আগে ট্রাভেলার্স অফ বাংলাদেশ নামের একটি ফেসবুক গ্রুপের সংগঠক মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ’র পক্ষে অ্যাডভোকেট শেখ ওমর শরীফের করা এক রিট আবেদনে হাইকোর্ট পৃথক রুল জারি করেন। রুলে সারা দেশে বর্জ্যমুক্ত পর্যটন নিশ্চিত করতে যথাযথ প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহনের কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না এবং সেন্টমার্টিন দ্বীপে দূষণমুক্ত পরিবেশ রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না তা জানতে চাওয়া হয়। বরেন্দ্র বার্তা/অপস

Close