সাহিত্য ও সংস্কৃতি

গ্রহের ফের

হুমায়ূন সিরাজ

জলধারার সমারূহ। ভাসমান শৈবাল। তাঁর উপর আধ্যাত্তিক শিশির বিন্দু। মিষ্টি পাণির অগ্রভাগ। তারপর আলোকিত আনন। আপদমস্তক বাতিক নর। ওই একই শিশির পাজরে পবন নারী। নতুন এগারতম গ্রহ এক্সে দু’টি মাত্র মনঃপ্রাণী। বিশেষ উদ্দেশ্য সাধন কল্পে তাঁরা সৃষ্টি। পৃথিবীতে যাত্রার উপসর্গ। শর্তাবলীতে অজস্র মন:বীক্ষণ সমন্বয়ে মানুষ্য মনঃসমীক্ষা। বাতিক নর পবন নারী একে অপরের সম্পূরক পরিপূরক। কিন্তু বাতিক নর প্রদান করে পৃথিবীর কোন অন্যায়ের উপশমের রায়। পঁয়ত্রিশ সংখ্যায় সৃষ্টি দেবদূত পর্যবেক্ষণে উচ্চ মানুষ্য উদ্ভব। মানবিক ও আন্তর্জাতিকভাবে বাতিক নর পবন নারী উৎপত্তি। কোন কার্যক্রমের ব্যতিক্রমে তাঁরা ভেঙ্গে ভবিষ্য শিরাজে পরিণত। কোন দেশের ভীষণ বিপদের উপস্থিতিতে পবন নারী বিভিন্ন গ্রহ সম্পর্কে তথ্য অবহিতকরণ ও বিভিন্ন দেশ সম্পর্কে তত্ত্ব সচেতন করেন বাতিক নরকে। কিন্তু কোন আলোকবর্তিকাতে বাতিক নরের অনুরোধে পবন নারী পৃথিবীর সমগ্র মানুষের মস্তিস্কে গতিশীলতা হতে অন্ত:সারশূন্য ত্রিচিত চিত্রপটে ছবিসহ বার্তা প্রেরণে বদ্ধপরিকর। হঠাৎ মহাশূন্যে থেকে একটি উড়ন্ত চাকির অবতরণ। নভোযানে চড়ে তাঁর দু’জন পৃথিবীতে পর্দাপন। তাঁদের উদ্দেশ্য মানুষের মস্তিষ্কের অশ্লীল দণ্ডের নিউরণগুলো শাসনতান্ত্রিক ভাবে বর্হিভূতকরণ, দূরীকরণ ও কার্যকরণের সংরক্ষণ। অন্য ভাষায় একটি আধুনিক বিজ্ঞান সম্মত বসবাসের কার্য উপযোগি সমাজ কাঠামো সৃষ্টি। পৃথিবীর অধিপতির সাক্ষাতে কড়া আলাপের তাগিদে তাঁরা বসুমতিতে সবচেয়ে উন্নত দেশ নির্বাচনরত। ঠিক বিপরীতধর্মী চিত্র পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে দূর্নীতিগ্রস্থ রাষ্ট্র নির্বাসনরত। এতে বুঝায় যায় বাস্তুকলা বাস্তুসংস্থান বিষয়ে সমাজের কাঠামোগত রূপরেখা বর্তমান। তাঁদের কাছে নব প্রতিজ্ঞার বিজয়ের ছন্দের গণতান্ত্রিক কাঠামো গ্রহণযোগ্য। স্বৈরতন্ত্রের অনুসারিরা মূর্দাবাদ। তাদের পোষাকের অদ্ভূত লেসগুলো ডোরা কাটা ছোপ ছোপ। সঙ সেজে লোক হাসানো ব্যবসা। এ-বিধান মানুষের কোন উপকারে সাহার্যরত নহে। ক্লাউনের বিধি পরিবর্তন জরুরী। বিশ্ব পরিবেশে জানার অধিকার রক্ষার জন্য বাতিক নর এবং পবন নারীর উদ্ভব।
কোন একটি বিশাল মাঠের মধ্যে উড়ন্ত ইলেক্ট্রনিক্স ফ্লাইং অবজেক্টটি আবার নামলো। কার্যকলাপ পরিচালনার সুবিধার্থে পাণি গ্রহনে বৈজয়ন্তী অবশ্যকৃয়। ভিন্ন ভিন্ন নিমিত্তে অত্যাধুনিক যন্ত্র পাণিতে। রাবিজ’ কিউর মত সব রঙ মিলিয়ে আদিভৌতিক সাক্ষাৎকার গ্রহণে আবশ্যকীয়। কোন মনঃসমীক্ষার সুচিন্তিত মতামত এক মাত্রা মস্তিষ্কে প্রেরণ। উন্নত বিশ্বের দেশ পতির সাথে সাক্ষাৎকার।

অপরপক্ষে ঠিক বিপরীতধর্মী চিত্রায়ণে পাজি বদমান হীন নীচ শাখামৃগ দুষ্টবুদ্ধি চরম দূর্নীতিগ্রস্ত রাষ্ট্র পতির সময়ের অবক্ষয় চিন্তার অবচয় সময়ের অপচয়। সময়ের তারতম্য ভেদে বাতিক নর ও পাবন নারী স্থানভেদে অবস্থানরত। তাঁদের অনুভূতিতে সংস্কৃতি শিল্প সাহিত্য কৃষ্টির আদর্শ। সমস্যা সম্পর্কে পরিচিত। দূরীকরণে বদ্ধপরিকর। সমস্ত পরিবেশ মোহিত। পুঁথিগত বিদ্যায় প্রফুল্ল। আদর্শ কাঠামোতে উন্নত সমাজব্যবস্থায় প্রজ্ঞা অভিজ্ঞতার আলোকে নভ রহস্যে সৃষ্টি। কিভাবে রাষ্ট্রপতির সময়-জ্ঞান-ভাণ্ডার বর্ধিত কথাবার্তার অনুসরণে প্রেষণা বৃদ্ধি। কেউ কেউ মনে করেন রাষ্ট্র পতির অনিয়ম হতু দূনীর্তি প্রদর্শিত। আবার বাতিক নর ও পবন নারী মনঃসমীক্ষার মাধ্যমে সাক্ষাৎকাররত। সংবিধিবদ্ধ ও অসংবিধিবদ্ধ আচরণ বুঝতে সক্ষম। বিচারিক কার্যক্রম অনুযায়ি অভিমতার্থে প্রেরণ, পুর্নরীক্ষণ, পুর্নবিবেচনা রাষ্ট্রটিকে পরিচালিত মঙ্গলকর। তারা অত্যাধুনিক স্বয়ংক্রিয় মস্তিস্ক ক্ষেপন প্রক্ষালক যন্ত্রে ভয় প্রদর্শিত চিত্র কল্পে সুচিত্রে মানচিত্র চিত্রপটে। সংবিধানের ভাষ্য অনুযায়ি রাষ্ট্রের সমগ্র নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান। সমতার ভিত্তিতে আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার সকলের সমান। বাণী প্রদর্শিতের পর তাঁরা মহাকাশ যানে প্রত্যাবর্তিত।

রাষ্ট্রপতির মনে হতে থাকে প্রচুল পরিমান জল গ্রহণ না করার কারণে তিনি পিপাষার্থ। তিনি ব্যক্তিগত পরিচালককে বললেন মিষ্টি জলপাই কোথায় বলুনতো? ব্যক্তিগত পরিচালক একটি কাঁচের গুবলেটে শুরা ঢেলে দিলেন। কথামালাকে তার সত্য বলে প্রতিয়মান হেতু পূর্ব পুরুষের চরিত্রের দোষে আড়ষ্ট বিধায় জল পিপাসায় শুরা পানেরত।
দেশের পরিস্থিতি হালচাল অবস্থা পরিবর্তন যোগ্য। উচ্চ মর্যাদা সম্পন্ন সুফী সাধক বিজ্ঞানী ব্যক্তিদের শরনাপন্ন একান্ত জরুরী। রাষ্ট্রীয় দূর্নীতির কশাঘাতে মুক্ত হতে প্রশাসনিক উপশমে প্রশাসনিক জনাবদিহিতা একান্ত জরুরী।

জনগণের সক্ষমতা সুলতান সরকার-বিচারক দ্বারা পরিচালিত এতটুকু প্রত্যাশা।

Close