বাঘাশিরোনাম

ভাগ্নিকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় মামাকে কুপিয়ে হত্যা

ষ্টাফ রির্পোট: রাজশাহীর বাঘায় স্কুলছাত্রীকে উত্ত্যক্তের জেরে নাজমুল হোসেন (২৫) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় আহত হয়েছেন তার ভাগ্নে তারিকুল ইসলাম ও ভগ্নিপতি শাহজাহান আলী মাস্টার।
মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার সুলতানপুর গ্রামের ভোলার মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নাজমুল সুলতানপুর গ্রামের আলহাজ আজিজুর রহমানের ছেলে। আহত শাহজাহান মাস্টার ও তারিকুল ইসলামের বাড়িও উপজেলার সুলতানপুর গ্রামে।
বাঘা থানার ওসি নজরুল ইসলাম জানান, শাহজাহান মাস্টার ভোলার মোড়ে বসে ছিলেন। এ সময় পাশের উপজেলা নাটোরের লালপুরের মনিহারপুর গ্রামের ১০ থেকে ১৫ জন যুবক ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে শাহাজান মাস্টারের ওপর হামলা করে। এ খবর পেয়ে তার শ্যালক নাজমুল হোসেন ও ছেলে তারিকুল ইসলাম সেখানে যায়। এ সময় তাদের মধ্যে ওই যুবকরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে তিনজনকে জখম করে চলে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন তারিকুল ও নাজমুলকে উদ্ধার করে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক কামরুন নাহার কান্তা নাজমুলকে মৃত ঘোষণা করেন। এছাড়াও শাহজাহান মাস্টারকে ভর্তি করা হয়েছে লালপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে।
ওসি নজরুল বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে লালপুর থানা পুলিশকে অবগত করা হয়েছে। খুনিদের ধরতে দুই থানার পুলিশ যৌথ অভিযান চালাবে বলেও জানান তিনি।
চিকিৎসক কামরুন নাহার বলেন, হাসপাতালের আসার আগেই নাজমুলের মৃত্যু হয়েছে। তার শরীরে একাধিক ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। অতিরিক্ত রক্ত ক্ষরণের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
আহত তারিকুল ইসলাম জানান, তার বোনকে বিভিন্ন সময়ে উত্ত্যক্ত করত লালপুরের মনিপুর গ্রামের আরজেদ আলীর ছেলে সুমন। মঙ্গলবার দুপুরে বিষয়টি নিয়ে সুমনের বাবার কাছে অভিযোগ করে তার বাবা (শাহজাহান)। এর জের ধরে সন্ধ্যায় সুমন দলবল নিয়ে গিয়ে তার বাবার ওপর হামলা চালানোর চেষ্টা করে। মুঠোফোনে খবর পেয়ে দ্রুত সেখানে গেলে তারা আমার মামা নাজমুলকে কুপিয়ে হত্যা করে। এ সময় বাধা দিতে গেলে তারা আমাকে ও আমার বাবাকেও কুপিয়ে জখম করে চলে যায়। বরেন্দ্র বার্তা/অপস

Close