নওগাঁশিরোনাম-২

নিষিদ্ধ পলিথিনে সয়লাব নওগাঁর হাট-বাজার

মো.আককাস আলী, নওগাঁ : পলিথিন শপিংব্যাগ বর্জন করে দেশকে পরিবেশ বিপর্যয় থেকে রক্ষা পলিথিন শপিং ব্যাগ বিরোধী অভিযান শুরু হলেও নওগাঁর পৌরশহরসহ উপজেলার হাট-বাজারে সর্বত্র এখন নিষিদ্ধ পলিথিনে সয়লাব।
প্রতিটি বাজারে নিষিদ্ধ পলিথিনের ব্যবহারে সয়লাব নওগাঁর হাট-বাজারসহ সব ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পণ্যসামগ্রীর সঙ্গে এ ব্যাগ দেয়া হচ্ছে। এতে রাস্তাঘাট,নদী-নালা,ড্রেন ও মাটির গর্তে বর্ষার পানিতে পলিথিনের আবর্জনা ছড়িয়ে পড়ছে। বন্ধ হচ্ছে ড্রেনের মুখ। জেলার ছোট-বড় হাট-বাজার থেকে পাড়া মহলার স্টেশনারী, মুদি দোকান,ফল ব্যবসায়ীরা প্রকাশ্যে নিষিদ্ধ পলিথিনের অবাধ ব্যবহার চলছে।
বাংলাদেশ পরিবেশ অধিদপ্তরের উদ্যোগে গোটা বাংলাদেশে ছয় সপ্তাহব্যাপি পলিথিন শপিং ব্যা গবিরোধী অভিযান শুরু করলেও এই জেলার তার কোন প্রভাব পড়েনি। জানা যায়, পলিথিন শপিং ব্যাগের ক্ষতিকারক বিষয়গুলো বিবেচনা করে ২০০২ সালের ৮ এপ্রিল সরকারী সিদ্ধান্তে সর্বপ্রকার পলিথিন শপিংব্যাগ উৎপাদন,আমদানি, বাজারজাত করণ, বিক্রয়, বিক্রয়ের জন্য প্রদর্শন, মজুদ, বিতরণ, বাণিজ্যি উদ্দেশ্যে পরিবহন ও ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষনা করা হয়। এ প্রজ্ঞাপন জারির পর কিছু দিন পলিথিন শপিংব্যাগের ব্যবহার বন্ধ হয়ে পড়ে। কিন্তু আইন বাস্তবায়নে কার্যকরী কোন পদক্ষেপ পরিলক্ষিত না হওয়ায় দেশের বিভিন্নস্থানের মতো নওগাঁ পৌরশহরসহ জেলা ও উপজেলার সর্বত্র সর্বপ্রকার পলিথিন ব্যাগের ব্যবহার হচ্ছে। সরকার পলিথিন ফ্যাক্টরি বন্ধ করে সর্বত্র এর ব্যবহার নিষিদ্ধ করার ফলে বিগত কয়েক বছর নওগাঁ জেলাসহ শহরের বিভিন্ন শপিংমলে পলিথিন ব্যাগ চোখে পড়েনি। পলিথিন মাটিতে পচে না এবং মাটির উর্বরা শক্তি কমিয়ে দেয়। সরকারী উদ্যোগে পলিথিন ফ্যাক্টরিগুলো সম্পূর্ণরুপে বন্ধ করতে হবে বলে তারা মন্তব্য করেন। পলিথিন ব্যাগ ড্রেন,নর্দমায় পড়ে পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, এমনকি ড্রেন বা নালার মুখ বন্ধ হয়ে হাট-বাজারে জলবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে।মাছ, তরিতরকারী, ফলমূল, বিস্কুট ও স্টেশনারিসহ সব প্রকার পণ্যসামগ্রীর সঙ্গে অবাধে পলিথিন শপিংব্যাগ দেয়া হচ্ছে। নওগাঁর কাঁচা বাজারের ব্যবসায়ী আনিসূর রহমান ও মুকুল প্রামানিক বলেন, ফ্যাক্টরি থেকে পলিথিন ব্যবসায়ীরা নির্বিঘেœ ব্যাগ এনে বাজারে বিক্রি করছেন। এবং পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে চলবে পলিথিনের জমজমাট ব্যবসা। যে কারণে সব ব্যবসা প্রতিষ্টানে ক্রতাদের মালামালের সঙ্গে ব্যাগ ফ্রি দেয়া হচ্ছে। ফলে যত্রতত্র ব্যাগ ফেরে পরিবেশ দূষিত করে তোলা হচ্ছে। স্থানীয় দোকানদারদের কথা বললে তারা জানান, একদল নেটওর্য়াক চক্র প্রশাসনকে ম্যানেজ করে জমজমাটভাবে চালিয়ে যাচ্ছে পলিথিনের এ ব্যবসা। বরেন্দ্র বার্তা/অপস

Close