গোদাগাড়িশিরোনাম

গোদাগাড়ীর রিশিকুল ইউনিয়ন এলাকায় মাটির রাস্তা সংস্কার নিয়ে বিরোধ, আটক-১

নিজস্ব প্রতিবেদক: গোদাগাড়ীর রিশিকুল ইউনিয়ন পরিষদের বিলধবইল এলাকার মাটির রাস্তা সংস্কার নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়েছে। এ ইউনিয়নের ১,২,৩ নং সংরক্ষিত আসনের নারী মেম্বর ফিরোজা বেগম অভিযোগ করে বলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্যর বরাদ্দকৃত চাউল দিয়ে তিনি বিলধবইল পাকা রাস্তা হতে ডুবির বিল ব্রিজ পর্যন্ত ১কিলোমিটার রাস্তা নতুন করে মাটি দিয়ে সংস্কার কাজ শুরু করেন। এরজন্য তিনি ১৪ মেট্রিকটন চাল পান। তিনি এই কাজের সভাপতি। চলতি মাসের ৩ তারিখ থেকে কাজ শুরু করলে ২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি বিলধবইল গ্রামের আতাহার আলী ও নজরুল ইসলাম এবং সৈয়দপুর গ্রামের ওয়াসিম ও সেলিমসহ তাদের সঙ্গীরা মিলে প্রথম দিন থেকেই কাজ বন্ধ করতে বলেন এবং চাঁদা দাবী করেন।
চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন ও প্রান নাশের হুমকি দেন বলে জানান ফিরোজা। বিষয়টি অত্র ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম টুলু, গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার, প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার এবং রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারকে তিনি অবহিত করেন। সেইসাথে স্থানীয় সংসদ সদস্যকেও এ বিষয়ে অবগত করেন জানান তিনি। চেয়ারম্যান বিষয়টি নিয়ে বসে সমাধান করার জন্য উভয় পক্ষকে ডাকলেও বিবাদী পক্ষ হাজির হননি বলে জানান তিনি। কোন সমাধান না হওয়ায় গোদাগাড়ী মডেল থানায় ঐ চারজনের নামে মামলা দায়ের করেন ফিরোজা। বর্তমানে ওয়াসিম নামে একজন গ্রেফতার হয়ে জেল হাজতে আছেন। কিন্তু বাহিরে থাকা আসামীগণ এবং তাদের পরিবারের লোকজন ফিরোজাকে প্রাণনাশের হুমকি অব্যাহত রেখেছেন বলে জানান তিনি। জীবন রক্ষার্থে তিনি আইনশৃংখলা বাহিনী ও প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন ফিরোজা বেগম।
ঘটনা সম্পর্কে চেয়ারম্যান এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, যারা কাজে বাধা প্রদান করেছিলেন বিষয়টি সমাধান করার জন্য তাদের নিয়ে বসার কথা বললেও তারা আসেননি। পরে প্রকল্পপের সভাপতি থানায় মামলা করেন। এখন বিষয়টি থানার এখতিয়ারে চলে গেছে। আদালত যা করবেন তাই হবে বলে জানান চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম টুলু।
চাঁদাবাজির বিষয়ে মামলার আসামী ও ২নং ওয়ার্ড সভাপতি আতাহার আলীর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, রাস্তায় মাটি না দিয়ে ট্রাক্টর দিয়ে চাষ করে মাটিকাটার মত করছিলেন ইউপি সদস্য ফিরোজা বেগম। এই কাজে বাধা দিলে পরে মেম্বর রাস্তায় মাটি কাটেন বলে জানান তিনি। তবে ফিরোজা বেগমের নিকট কোন প্রকার চাঁদা দাবী ও কাজ বন্ধ করে চলে যাওয়ার কথা তারা বলেন নি। কিন্তুমেম্বর ও চেয়ারম্যান ষড়যন্ত্র করে তাদের চারজনকে আসামী করে চাঁদাবাজীর মামলা দিয়েছেন। যা সম্পুর্ন সাজানো ও মিথ্যা বলে দাবী করেন আতাহার। সঠিকভাবে তদন্ত করে এর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আইনশৃংখলা বাহিনী ও প্রশাসনের নিকট দাবী জানান তিনি । বরেন্দ্র বার্তা/ফকবা/অপস

Close