গোদাগাড়িশিরোনাম-২স্বাস্থ্য বার্তা

গোদাগাড়ীতে ২৪ ঘন্টায় অর্ধশতাধিক হাসপাতালে ভর্তি

শীতজনিত ভাইরাসে শিশুদের বেড়েছে ডায়রিয়ার প্রকোপ ও বৃদ্ধাদের শাসকষ্টে

 

মুক্তার হোসেন,গোদাগাড়ী (রাজশাহী): রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে শীতজনিত রোটা ভাইরাসে শিশুদের বেড়েছে ডায়রিয়ার প্রকোপ। গত এক সপ্তাহে উপজেলায় বিভিন্ন এলাকা থেকে শতাধিক শিশুসহ হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন দুই শতাধিক। গত ২৪ ঘন্টায় ভর্তি হয়েছে ৫০ শিশু। আর বৃদ্ধদের বেড়েছে শাসকষ্ঠ জনিত রোগ। গতকাল রোববার সকালে গোদাগাড়ী ৩১ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, হাসপাতালে রোগীদের জন্য মাত্র ৩১টি আসন রয়েছে। কিন্তু প্রতিদিন হাসপাতালে ২০ থেকে ২৫ জন রোগী ভর্তি হওয়ায় জায়গা সংকুলান হচ্ছে না। ফলে হাসপাতালের মেঝে ও বারান্দায় অনেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
অভিভাবকরা জানান, হঠাৎ করে পাতলা পায়খানার সাথে বমি শুরু হয়ে দেখা দেয় ডায়রিয়া। এরপর খাবার স্যালাইন ও বিভিন্ন ওষুধ খাওয়ানোর পরও কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না তারা। এ অবস্থায় উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা। তবে অভিভাবকরা অভিযোগ করে বলেন যে রাতে কোন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকায় চিকিৎস্া সেবা ব্যাহত হচ্ছে। এক শিশুর মা বলেন, হঠাৎ করেই তার দেড় বছরের শিশুটি বমি করতে থাকে। পরে বমির সঙ্গে শুরু হয় পাতলা পায়খানা। ঘনঘন বমি ও পায়খানার কারণে হাসপাতালে ভর্তি করেছি। হাসপাতালে ভর্তির পর স্যালাইন দিয়েছে কিন্তু এখনও কোনও উন্নতি হয়নি। শাসকষ্ঠ জনিত ভর্তি আছেন মুক্তিযোদ্ধা মুজিবুর রহমান তিনি বলেন,কয়েকদিন যাবত শাসকষ্ঠতে ভুগছি। এজন্য গত কয়েকদিন যাবত হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছি। গোদাগাড়ী ৩১ শয্যা বিশিষ্ট হাসপতালের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ অহেদা খাতুন বলেন, শীতকালের শেষে রোটা ভাইরাসের প্রার্দুভাব দেখা দেয়। পাঁচ বছরের নিচের শিশুরা এই ডায়রিয়ার বেশি আক্রান্ত হয়। সাধারণত এটি ঔষধে সাড়ে না। দুই-তিন দিন, সর্বোচ্চ সাতদিন পর্যন্ত এ ডায়রিয়ার স্থায়িত্ব থাকতে পারে। অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার পাশাপাশি অস্থির না হয়ে শিশুদের পানিশূন্যতা রোধে পর্যাপ্ত খাবার স্যালাইন ও রাইস স্যালাইন খাওয়ানোর পরামর্শ দেন এ চিকিৎসক। বরেন্দ্র বার্তা/অপস

Close