শিক্ষাঙ্গন বার্তাশিরোনাম

শাহ মখদুম মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএমডিসির রেজিস্ট্রেশনসহ ১৪ দফা দাবিতে মানববন্ধন করেছে রাজশাহীর শাহমখদুম মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা। রোববার সকাল ১০টার দিকে রাজশাহীর সাহেব বাজার জিরোপয়েন্টে মানববন্ধন থেকে ইন্টার্নশীপের ব্যবস্থা ও নিজস্ব পরীক্ষাকেন্দ্রসহ নিজেদের কলেজের প্রয়োজনীয় ল্যাব, পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল ফ্যাসিউলিটি, শিক্ষক ও লাইব্রেরী ব্যবস্থা করণের দাবি জানানো হয়। মানববন্ধনে ঊক্তব্য রাখেন প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী মামুনুর রশিদ মামুন, জান্নাতুন ফেরদাউস, রুমাইমা ফেরদৌস, সিরাজুম মনির মৌ, তৃথীয় ব্যাচের শিক্ষার্থী আপেল মাহমুদ, রিয়াজল হাসান, নুসরাত ফারজানা এনি, শাকিলা দিল আফরোজ, আলামি সরকার, মেহেদী হাসান ও ফারহান ফাহীসহ আরো অনেকে।
বক্তব্যে তারা বলেন, কলেজ কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের ভর্তি করে কোটি কোটি টাকা আদায় করলেও বিএমডিসি’র অনুমতি না পাওয়ায় ভর্তি হয় শিক্ষার্থীরা রয়েছেন চরম অনিশ্চয়তায়। কর্তৃপক্ষের কারণে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তায় পড়েছে। এছাড়া কলেজ কর্তৃপক্ষকে জানালে ম্যানেজিং ডিরেক্টর মনিরুজ্জামান স্বাধীন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের নানাভাবে ভয়-ভীতি প্রদান করেন। এমনকি শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদেরও হেনস্থা করেন স্বাধীন।
এর আগে সকালে একই দাবিতে হোস্টেলের সামনে অবস্থান নের শাহমখদুম মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা। সেখানেও তারা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। এসময় ম্যানেজিং ডিরেক্টর মনিরুজ্জামান স্বাধীন দলবল নিয়ে শিক্ষার্থীদের সেখান থেকে সরিয়ে দেন। এছাড়া শিক্ষার্থীদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিতও করে বলে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান। এ নিয়ে তারা গতকাল একই দাবীতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজের সামনেও মানবব্ণদন করেন বলে জানান শিক্ষার্থীরা। গত শনিবার বেলা ১১টার দিকে নগরীর খড়খড়ি এলাকার এই মেডিকেল কলেজের প্রশাসন ভবনের সামনে শিক্ষার্থীরা জোটবদ্ধ হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। তার আগে গত ৯ ফেব্রæয়ারি সকাল ১০টা থেকে বিক্ষোভ শুরু করেছেন শিক্ষার্থীরা। এছাড়া ক্লাস বর্জনসহ নানা কর্মসূচি পালন করছেন তাার। এবিষয়ে জানার জন্য রাজশাহীর শাহমখদুম মেডিকেল কলেজের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মনিরুজ্জামান স্বাধীনের মুঠোফোন কল করলে বন্ধ পাওয়া যায়।
উল্লেখ্য, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ কলেজে পরিদর্শন শেষে ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে ২৫ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করার অনুমোদন দেন। কিন্তু সেখানে ৫০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করেন কলেজ কর্তৃপক্ষ। পরে এ অনিয়ম রাবি কলেজ পরিদর্শকের নজরে আসার পর ২০১৬ সালে সেই সেশনের কার্যক্রম স্থগিত করে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন। পরে সঠিক উত্তর না পেয়ে ঐ সেশনের কার্যক্রম স্থগিত রাখার নির্দেশ দেন রাবি কর্তৃপক্ষ। ফলে ঐ সেশনের শিক্ষার্থীরা ৬ মাসের সেশনজটসহ নানা ভোগান্তির শিকার হন। বরেন্দ্র বার্তা/ফকবা/অপস

Close