জাতীয়শিরোনাম

১০ বছরে ফুরিয়ে যাবে মজুদ গ্যাস

বরেন্দ্র বার্তা ডেস্ক: বর্তমানে দেশে উত্তোলনযোগ্য মজুদ গ্যাসের পরিমাণ ১০ দশমিক ৬৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু। তিনি বলেন, গ্যাসক্ষেত্র থেকে প্রতিদিন গড়ে দুই হাজার ৫৭০ মিলিয়ন ঘনফুট হারে গ্যাস উৎপাদন করা হচ্ছে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে বিদ্যমান এই মজুদ দিয়ে আগামী ২০৩০ সাল পর্যন্ত জনগণ ও শিল্পকারখানাসহ অন্যান্য গ্রাহকের সরবরাহ করা সম্ভব হবে।
মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমানের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এ কথা জানান। এর আগে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৈঠকের শুরুতে প্রশ্নোত্তর টেবিলে এটি উত্থাপিত হয়।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে নতুন গ্যাস ফিল্ড আবিষ্কারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। রাঙ্গামাটির সীতাপাহাড় ভূগঠনে ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ চলমান রয়েছে। অনশোরের বিভিন্ন ব্লকে ২ডি সাইসমিক জরিপ করার জন্য ডিপিপি অনুমোদন পর্যায়ে রয়েছে। শ্রীকাইল ইস্ট-১ অনুসন্ধান কূপ খননের প্রস্তুতিমূলক কাজ চলমান রয়েছে। এছাড়া সমুদ্রাঞ্চলে তেল/গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ৪টি (এসএস-০৪, এসএস-০৯, এসএস-১১ ও ডিএস-১২) ব্লকে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক তেল কোম্পানির সঙ্গে উৎপাদন বণ্টন চুক্তি (পিএসসি) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এসব ব্লকে সম্পাদিত দ্বি-মাত্রিক এবং ত্রি-মাত্রিক জরিপের ভিত্তিতে অগভীর সমুদ্রের ৩টি ব্লকে ৪টি অনুসন্ধান কূপ খনন করা হবে। শীঘ্রই এসএস-০৪ এ একটি অনুসন্ধান কূপ খনন শুরু হবে।
তিনি বলেন, ঢাকা মহানগরসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলাগুলোতে দুই লাখ ৪৪ হাজার ৭৬০ মিটার অবৈধ বিতরণ লাইন আছে। এর মধ্যে ঢাকা মহানগরে এক হাজার ৪৬০ মিটার, ঢাকা জেলায় ১৮ হাজার ৫০০ মিটার, মুন্সিগঞ্জে ৩১ হাজার মিটার, নারায়ণগঞ্জে এক লাখ ৭৯ হাজার ৩০০ মিটার এবং গাজীপুরে এক হাজার ৪৫০ মিটার।
নসরুল হামিদ বলেন, বিচ্ছিন্ন করা অবৈধ বিতরণ পাইপ লাইনের দৈর্ঘ্য দুই হাজার ৫৮৫ কিলোমিটার, বিচ্ছিন্ন করা গ্যাস বার্নারের সংখ্যা ১২ লাখ ৪৯ হাজার ৯০০টি। এ কারণে বিভিন্ন থানায় মোট ১০৪টি মামলা করা হয়েছে। অবৈধ গ্যাস বিতরণ বিচ্ছিন্নে ২০১৬-১৭ সাল থেকে এ পর্যন্ত মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ১ কোটি ২৫ লাখ ৭৬ হাজার ১০০ টাকা আদায় করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। বরেন্দ্র বার্তা/অপস

Close