মহানগরশিরোনাম-২

জেড ফোর্সের সৈনিকেরা আন্দোলনের মাধ্যমে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করবে :মিনু

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশে যে ভাবে বিচার হীনতা ও পক্ষপাতমূলক বিচার শুরু হয়েছে তার জন্য বিচারপতিরা দায়ী কম নয়। এর জন্য বাংলাদেশের জনগণ এই সকল বিচারপতিদের বিচার করবে। পক্ষপাতমুলক ও বর্তমান সরকারের আজ্ঞাবহ বিচারপতিরা বেগম খালেদা জিয়াকে জামিন কিংবা মুক্তি দিচ্ছেন। আদালতের আর কোন জামিন বা মুক্তি চাওয়া হবেনা । জেড ফোর্সের বর্তমান সৈনিকেরা কঠোর আন্দোলন করে তিনবারের সফল প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত কবরে।
শনিবার বিকেলে কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে রাজশাহী মহানগর ও জেলা বিএনপি’র আয়োজনে নগরীর মালোপাড়াস্থ বিএনপি কার্যালয়ের সামনে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার নি:শর্ত মুক্তির দাবীতে বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথি বক্তব্যে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার অন্যতম উপদেষ্টা, সাবেক মেয়র ও সংসদ সদস্য জননেতা মিজানুর রহমান মিনু এই কথা বলেন।
মিনু বলেন, বর্তমান সরকারের কোন জনসমর্থন নাই। পাপাচারে নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে। ক্ষমতা হারানো এবং বেগম জিয়ার জিয়ার মত পরিণতি হওয়ায় ভয়ে সরকার বেগম জিয়াকে মুক্তি দিচ্ছনা। বেগম খালেদা জিয়াকে বৃহস্পতিবার মুক্তি না দেয়ায় ১৬ কোটি মানুষ কাঁদছে। এই সকল মানুষের কান্না বৃথা যাবেনা। গণ আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে বেগম খালেদাকে মুক্ত করা হবে। তিনি বলেন, এই সরকার বেগম জিয়াকে মুক্তি দিবে না। তাঁর মুক্তির এখন একটাই পথ কঠোর আন্দোলন। আর এই আন্দোলন রাজশাহী থেকে সুচনা করা হবে। কারণ ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে স্বাধীনতা আন্দোলনের সূচনা হয়েছিলো এই রাজশাহী থেকে। বেগম জিয়ার মুক্তির আন্দোলনে সকল নেতাকর্মী ও দেশবাসীকে রাজপথে নামার আহবান জানান মিনু।
, রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র সভাপতি ও রাসিক সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান বক্তা ছিলেন জেলা বিএনপি’র আহবায়ক আবু সাঈদ চাঁদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির ত্রান ও পুণর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক এ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন, বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সহিদুন্নাহার কাজী হেনা, সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপি’র সদস্য জাহান পান্না, জেলা বিএনপি’র সদস্য সৈয়দ মহসিন আলী, অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম, গোলাম মোস্তফা মামুন, সদর উদ্দিন, মিজানুর রহমান মিজান, আমিনুল হক মিন্টু ও আব্দুর রাজ্জাক। সমাবেশ সঞ্চালনা করেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ওয়ালিউল হক রানা।
এছাড়াও বোয়লিয়া থানা বিএনপি’র সভাপতি সাইদুর রহমান পিন্টু, রাজপাড়া থানা বিএনপি’র সভাপতি শওকত আলী, মহানগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক আসলাম সরকার, শাহ্ মখ্দুম থানা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মতিন, মহানগর কৃষক দলের আহবায়ক ওয়াদুদ হাসান পিন্টু, জেলা কৃষক দলের আহবায়ক আলামিন, সদস্য সচিব নাজমুল হক, জেলা যুবদলেল সাবেক আহবায়ক আনোয়ার হোসেন উজ্জল, মহানগর যুবদলের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সুইট, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হাসনাইন হিকোল, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম সমাপ্ত, সাংগঠনিক সম্পাদক জুলফিকার রহমান ভুট্টো, মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক রুহুল আমিন বাবলু, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি জাকির হোসেন রিমন, সাধারণ সম্পাদক আবেদুর রেজা রিপন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক ওয়ালিউজ্জামান পরাগ, মহানগর মহিলা দলের যুগ্ম আহবায়ক এ্যাডভোকেট রওশন আরা পপি, অধ্যাপিকা সখিনা খাতুন, মুসলিমা বেলী, সামসুন নাহার, জেলা মহিলা দলের সভাপতি এ্যাডভোকেট সামসাদ বেগম মিতালী, সাধারণ সম্পাদক ফরিদা, মহানগর মহিলা দলের যুগ্ম আহবায়ক জরিনা, রোজি, গুলশান আরা মমতা ও নারী নেত্রী রিতা উপস্থিত ছিলেন।
আরো উপস্থিত ছিলেন ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (রাজশাহী বিভাগ) ও মহানগর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রবি, সভাপতি আসাদুজ্জামান জনি, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম জনি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আকবর আলী জ্যাকি, রাবি ছাত্রদলের যুগ্ম সাধরণ সম্পাদক সুলতান আহম্মেদ রাহীসহ মহানগর, থানা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও বিভিন্ন ওয়ার্ডের বিএনপি, অঙ্গ ও সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ। বরেন্দ্র বার্তা/ফকবা/অপস

Close