মহানগরশিরোনাম-২

‘নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় এখনও বৈষম্য রয়ে গেছে’

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি: আমরা নারী-পুরুষের সমান অধিকারের কথা স্বীকার করে থাকি। কিন্তু সেই অধিকারের বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে এখনও বৈষম্য রয়ে গেছে। বিভিন্ন অযুহাতে, যেমন- পারিবারিক সম্পত্তিতে নারী-পরুষের সমান অধিকার নেই। পিতার সম্পত্তিতে কন্যার অধিকার সমান নয়। এভাবে বৈষম্য থেকেই গেছে।
আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে  রোববার বিকালে রাজশাহী মহানগরীর বড়কুঠি মুক্তমঞ্চে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা খাদ্য নিরাপত্তা নেটওয়ার্ক-খানি ও পরিবর্তন আয়োজিত এক আলোচনায় বক্তারা এসব কথা বলেন। ‘খাদ্য লড়াইয়ে নারী’ শীর্ষক এ আলোচনা অনুষ্ঠানে নারী কৃষকের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দাবি করা হয়।
অনুষ্ঠানে রাজশাহী-২ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, দেশে ৪০-৪৫ লাখ নারী গার্মেন্টে কাজ করেন। আর এক কোটিরও বেশি নারী কৃষি কাজ করেন। কৃষিতে নারীর অংশগ্রহণ হাজার বছরের। কিন্তু আজও তারা পুরুষের সমান মজুরি পান না। তাদের বঞ্চিত করা হয়। আমরা এই শোষণ ব্যবস্থার অবসান চাই। এ জন্য রাষ্ট্রকে উদ্যোগ নিতে হবে।
তিনি বলেন, নারী কৃষকের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির যে দাবি খানি তুলেছে তা মেনে নেয়া উচিত। কারণ, আমাদের সংবিধান নারী-পুরুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করেছে। তাই দাবি মেনে নেয়ার পথ খোলা রয়েছে। সংবিধান আমাদের সমর্থন যোগাবে। আর সংবিধান সমর্থন দিলে বাস্তবায়নও সহজ।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন- জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির রাজশাহী বিভাগীয় প্রধান অ্যাডভোকেট দিল সেতারা চুনি, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা পরিবর্তন এর সভাপতি অ্যাডভোকেট নাসরিন আখতার মিতা ও জাতীয় মহিলা সংস্থার জেলার সভাপতি মর্জিনা পারভীন। সভাপতিত্ব করেন পরিবর্তনের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট মোমিনুল ই্সলাম বাবু। পরিচালনা করেন সংস্থাটির পরিচালক রাশেদ রিপন। আলোচনা শেষে সাংষ্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে কৃষিতে নারীর ভূমিকা নিয়ে গম্ভীরা পরিবেশিত হয়। বরেন্দ্র বার্তা/অপস

Close