নওগাঁশিক্ষাঙ্গন বার্তাশিরোনাম-২

মহাদেবপুরে চকরাজা আহম্মদিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার ও সভাপতির বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্ণীতি ও অর্থ আত্নসাতের অভিযোগ

 

মো.আক্কাস আলী, মহাদেবপুর (নওগাঁ) নওগাঁর মহাদেবপুরের চকরাজা আহম্মদিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার ও সভাপতির বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্ণীতি ও অর্থ আত্নসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগে জানা গেছে, চকরাজা আহম্মদিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার জালাল উদ্দীন, সভাপতি হাদিউজ্জামান হাদি ও কেরানি মোস্তফার যোগসাজসে পকেট কমিটি গঠন, সরকারী ও বেসরকারীভাবে শিশু সদনের জন্য বরাদ্দের টাকা সহ প্রায় ১৫ বছর যাবত মাদ্রাসার জমি থেকে প্রাপ্ত প্রায় সাড়ে চার হাজার মন ধান বিক্রির টাকা আত্নসাত করেন।
চকরাজা গ্রামের আঃ রহমানের ছেলে মোঃ রাসেল উদ্দীন আরো অভিযোগ করেন যে, মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি হাদিউজ্জামান হাদি একজন কুখ্যাত সন্ত্রাসী, মাদকসেবী, প্রতারক এবং ভূমিদস্যু। সে চকরাজা জামে মসজিদে তার পূর্ব পুরুষের অছিয়তকৃত দান সম্পত্তির আড়াই বিঘা দখল করে নিয়েছেন এবং ওই এলাকায় ভূমিহীন সমবায় সমিতি গঠন করে ভূমিহীনদের জমি দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন সময়ে কয়েক লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এ বিষয়ে এলাকায় সরেজমিনে গেলে অত্র মাদ্রাসার সভাপতি ও নওগাঁ জেলা আমিন সমিতির সাধারণ সম্পাদক হাদিউজ্জামান হাদি’র বিরুদ্ধে নারী কেলেংকারীতে জড়িত থাকার অভিযোগে বিভিন্ন পোস্টার দেখা যায়। এ বিষয়ে চেরাগপুর গ্রামের রতন, আব্দুল কাদেরের পুত্র সালাম জানান, গত বুধবার দুপুরে জমি জরিপ করতে এসে এলাকায় এক মহিলার সাথে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তোলে। বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে এলাকাবাসী তাকে আটক করে মহাদেবপুর থানায় খবর দেয়। কিন্তু ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছানোর পূর্বেই হাদিউজ্জামান পালিয়ে যায়। এ ব্যাপারে এলাকায় তার নারী কেলেংকারি নিয়ে কিছু পোস্টার লাগানো হয়। এ বিষয়ে আহম্মদিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার জালাল উদ্দীন এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, প্রথমত এতিমখানার কমিটির কোনো সদস্য আমি নয়, মাদ্রাসার যে জমিগুলো আছে সেগুলো আদি দেওয়া আছে। সেখান থেকে প্রাপ্ত ধানের অর্থ আমরা মাদ্রাসার উন্নয়ন কাজে ব্যয় করে থাকি। সভাপতির নারী কেলেংকারীর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান যে, বিষয়টি আমার জানা নেই। এবিষয়ে হাদিউজ্জামান হাদির মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে মোবাইল বন্ধ পাওয়া গেছে। বরেন্দ্র বার্তা/অপস

Close