মহানগর

রাজশাহীর তারুণ্য এগিয়ে আসছে মহামারির এই দুর্যোগে

 

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি: করোনাভাইরাস সচেতনতায় নিরাপদে থেকে কাজ করছেন রাজশাহীর তরুণরা।করোনাভাইরাস সচেতনতায় শুরুর আগে থেকেই সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন রাজশাহীর বিভিন্ন তরুণ সংগঠনগুলো। বরেন্দ্র অঞ্চল যুব সংগঠন ফোরামের সদস্য সংগঠনগুলো কারোনাভাইরাস সচেতনতায় হ্যান্ডবিলি, মাস্ক, সাবান হ্যান্ড সেনিটাইজারসহ বিভিন্ন উপকরণ সহায়তা করছেন। বিগত দিনগুলোতে রাজশাহীর তরুণ সংগঠনগুলো প্রায় ১৬ হাজার হ্যান্ডবিলি প্রদান করেছেন রাজশাহী নগরসহ বিভিন্ন গ্রামে। সূর্য়কিরণ বাংলাদেশ, স্বপ্নপূরণ ফাইন্ডেশন, ইয়ুথ এ্যাকশন ফর সোশ্যাল চেঞ্জ(ইয়্যাস), সম্মেলিত স্বেচ্ছাসেবী ফোরাম রাজশাহী, মোহর স্বপন আশার আলো, বারনই লোকসাহিত্য ও সংস্কৃতি পরিষদ, তানোর সাহিত্য পরিষদ, স্বপ্নচারী যুব উন্নয়ন সংগঠন, আলোর পথে তরুণযাত্রী, জিরোপয়েন্ট সিক্স জিরআরজেড, স্বপ্নে ভেলা যুব সংগঠন, ডেন্টিস্ট ক্লাব, বরেন্দ্র স্টুডেন্ট সেশ্যাল ডেভলপমেন্ট, টুকরো হাসি, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কমিটি, আদিবাসী যুব পরিষদ, বরেন্দ্র পক্ষীনিবাস ও প্রাণবৈচিত্র সোসাইটি সহ বিভিন্ন সংগঠনগুলো করোনাভাইরাস সচেতনতায় গ্রাম শহরের মানুষের নানাভাবে সহায়তা করছেন।
এ বিষয়ে স্প্নপূরণ ফাউন্ডেশনের ড. আমাননুল্লাহ বিন আখতার (আবিদ) বলেন-“ শুধু আতংক আর কথা না বলে আমরা তরুণরা নিরাপদে, নিজের সেফটি নিয়ে নিয়ম-কানুন মেনে জনসাধারনের পাশে দাঁড়িয়েছি। মাস্ক, সাবানসহ বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে সহায়তা করছি।” রাজশাহীর তরুণ সংগঠন সূর্য়কিরণ বাংলাদেশ এর সভাপতি শাইখ তাসনীম জামাল বলেন- “ আমরা অনেক আগেই যখন করোনাভাইরাস কমিউনিটি ট্রনান্সমিশন পর্যায়ে যায়নি, তখনেই শহরের বস্তি এলাকাসহ রাজশাহীর বিভিন্ন উপজেলায় গ্রাম পর্যায়ে সচেতনতামূলক লিফলেট বিলি করেছি। মানুষকে এ বিষয়ে সচেতন করেছি।”
বরেন্দ্র অঞ্চল যুব সংগঠন ফোরামের উপদেষ্টা ও বারসিক আঞ্চলিক সমন্বয়কারী শহিদুল ইসলাম বলেন- “ বারসিক তরুণদের এই কাজগুলোতে সহযোগীতা করছে। কোন তরুণ সংগঠন এই মহামারি করোনাভাইরাসের সময়ে নিরাপদে থেকে যেকোন ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করলে বারসিক তাঁর সাধ্যমত পাশে থাকবে।” তিনি আরো বলেন- এই দুর্যোগকালিন সময়ে সবাইকে তাঁর জায়গা থেকে সাধারণ এবং অসহায় মানুষের পাশে এসে দাড়ানো দরকার। যাতে কেউ না খেয়ে থাকে।
আগামীতে প্রস্তুতি সম্পর্কে সূর্যকিরণ বাংলাদেশের সভাপতি শাইখ তাসনীম জামাল বলেন-“ আমরা সকলে মিলে প্রস্তুতি নিচ্ছি, শহরের গরীব প্রান্তিক মানুষগুলোকে খাদ্য সহায়তা দিবো। চাল, ডাল, আটা, আলুসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় উপকরণ দেয়া হবে।” তিনি বলেন- এই কাজে আমাদের পাশে থেকে সবাইকে সহায়তা করার অনুরোধ করছি। বরেন্দ্র বার্তা/অপস

Close