চারঘাটশিরোনাম-২

চারঘাটে চাল বিতরনে অনিয়মের অভিযোগ

 

নিজস্ব প্রতিবেদক: সারাদেশের মত রাজশাহীর চারঘাট উপজেলাতেও মরনঘাতি করোনা ভাইরাস এর ফলে নিম্ন আয়ের মানুষ চরম বিপাকে পড়েছে।
এসব কর্মহীন হয়ে বাড়িতে বসা থাকা হতদরিদ্র মানুষদের জন্য সরকার থেকে জিআর মানবিক সহায়তা কর্মসূচীর আওতায় প্রথম ভাগে ২৮ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ করা হয়েছে।
জানা যায়, উপজেলার পৌরসভা ও ইউনিয়ন দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি ও মানবিক সহয়তা কমিটি চাল বিতরনের তালিকা অনুযায়ী প্রথম ভাগে ২ হাজার ৮০০ পরিবার ১০ কেজি করে চাল সহায়তা পাচ্ছে। কিন্তু কয়েক জায়গায় এসকল কর্মহীন ও হতদরিদ্রদের তালিকা প্রনয়নে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
উপজেলার শলুয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে মানবিক সহায়তার তালিকায় ব্যাপক অনিয়মের ঘটনা ঘটেছে। ঐ ওয়ার্ডের তজিরুল ইসলাম কান্দু এবং তার একমাত্র ছেলে মোহাম্মদ অপু দুজনের নামই ঐ তালিকায় রয়েছে। বাবা-ছেলে দুজন ১০ কেজি করে চালও পেয়েছে। বাবা-ছেলে একই পরিবারের সদস্য এবং ছেলে অবিবাহিত। বাবা তজিরুল ইসলাম কৃষিকাজ করেন ও ছেলে অপু পড়ালেখা করেন।
এদিকে সরকারী নিয়ম অমান্য করে তালিকা করায় শলুয়া ইউনিয়নের কর্মহীন হতদরিদ্ররা চরম ক্ষোভ জানিয়েছেন।
তারা বলেন, তালিকা তৈরিতে কিছু ব্যাক্তি দলীয় ও স্বজনপ্রীতির পরিচয় দিচ্ছেন। এভাবে চলতে থাকলে কর্মহীন হতদরিদ্ররা বেশিদিন কাজ কর্ম বাদ দিয়ে বাড়িতে বসে থাকতে পারবে না।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে তজিরুল ইসলাম বলেন, আমি একটি দলের রাজনীতি করি। আমার কাছে থেকে রাতে ফোন করে কয়েকটি নাম চাওয়া হয়েছিল। আমি তড়িঘড়ি আমার ও আমার ছেলের নামটাই দিয়েছি। অন্য কাউকে খুঁজে দেখার মত সময় পাইনি।
শলুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউল হক মাসুম বলেন, খুব দ্রুত মানবিক সহয়তার তালিকা প্রস্তুত করতে হচ্ছে। এজন্য আমরা যাচাই বাছাই করার সময় পাচ্ছি না। একই ওয়ার্ডে ভিন্ন ভিন্ন ব্যাক্তি নাম দেওয়ার কারনেও সমস্যাগুলো তৈরি হচ্ছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে চারঘাট উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শামীম আহমেদ বলেন, আমরা পৌর ও ইউপি কমিটির দেওয়া তালিকা অনুযায়ী চাল বিতরন করছি। তবে তাতে কোনো অনিয়ম হয়ে থাকলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। বরেন্দ্র বার্তা/সই/অপস

Close