জয়পুরহাটশিরোনাম-২

জয়পুরহাটে চিকিৎসা কেন্দ্রগুলোতে নেই কোন ভেন্টিলেটর

 

জয়পুরহাট প্রতিনিধি: সারাবিশ্বেই থাবা বসিয়েছে মারণ ভাইরাস করোনা ৷ প্রতিদিনই বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা ৷ সেই তালিকায় পিছিয়ে নেই বাংলাদেশও ৷ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য জয়পুরহাট আধুনিক হাসপাতালসহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে ভেন্টিলেটর মেশিন নেই। সাধারণ রোগীদের কৃত্রিমভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক রাখতে হাসপাতালগুলোতে ভেন্টিলেটর মেশিন প্রয়োজন হয়। তা ছাড়া হাসপাতালগুলোতে ভেন্টিলেটর মেশিন স্থাপনের জন্য যে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটের (আইসিইউ) প্রয়োজন হয় সেটিও নেই।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২৫০ শয্যার আধুনিক জেলা হাসপাতালে কোনো ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট নেই। আশপাশের জেলাগুলো থেকে এই হাসপাতালে সংকটাপন্ন রোগী গেলে তাদেরকে সাধারণ ওয়ার্ডে শুধু অক্সিজেন দেওয়া হয়। পার্শবর্তী জেলাগুলো থেকেও উন্নত চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন সময় জয়পুরহাট আধুনিক হাসপাতালে রোগী আসে। কিন্তু তাদেরকেও ভেন্টিলেটরের পরিবর্তে অক্সিজেন দেওয়া হয়ে থাকে। শুধু সরকারি প্রতিষ্ঠান নয়, জেলায় কোনো বেসরকারি হাসপাতালেও মুমূর্ষু রোগীদের কৃত্রিমভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস সচল রাখার জন্য কোনো ভেন্টিলেটর মেশিন নেই।
জয়পুরহাট আধুনিক হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. সরদার রাশেদ মোবারক জুয়েল বলেন, মহামারী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসাসেবায় জেলা আধুনিক হাসপাতালে একটি ভেন্টিলেটর আছে তবে সেটি অকার্যকর। ‘করোনা আক্রান্ত কোনো মুমূর্ষু রোগীর ভেন্টিলেটর প্রয়োজন হলে আমরা তা দিতে অক্ষম।
জয়পুরহাট জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ সেলিম মিঞা বলেন, জয়পুরহাটে করোনা রোগী চিকিৎসায় আইসোলেশন ওয়ার্ড ও প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন সেন্টার প্রস্তুত করা হলেও সেখানে কোনো ভেন্টিলেটর ও আইসিইউ এর ব্যবস্থা নেই। তবে ভেন্টিলেটর ও আইসিইউ সাপোর্টের অভাবে জেলায় করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঘটলে রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়ায় পাঠানো হবে। জেলায় বর্তমানে ২১০টি আইসোলেশন বেড ও ৩০টি কোয়ারেন্টিন বেড প্রস্তুত রাখা হয়েছে। জেলায় এখন পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে কেউ আক্রান্ত হয়নি। বরেন্দ্র বার্তা/রিআরি/অপস

Close