গোদাগাড়িশিরোনাম-২

গোদাগাড়ীর দেওপাড়া ইউপি-তে এ পর্যন্ত ২৪৮৩ জনের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক: করোনা ভাইরাসের কারণে দেশব্যাপি লকডাউন চলছে। এর ফলে ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান ও যানবাহনের চাকা এবং উন্নয়নমূলক সকল কার্যক্রম বন্ধ থাকায় খেটে খাওয়া মানুষগুলো হয়ে পড়েছে কর্মহীন। তাদের ঘরে দেখা দিয়েছে খাদ্যের এবং নগদ অর্থের অভাব। এই সকল শ্রমজীবী মানুষের কথা চিন্তা করেন দেশের প্রথানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা দলমত নির্বিশেষে সবাইকে ত্রাণ প্রদানের জন্য স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি ও দলীয় নেতাকর্মীদের দায়িত্ব প্রদান করেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পাঠানো ত্রাণ সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে দেওপাড়া ইউনিয়নের জনগণের মধ্যে বিতরণ করে যাচ্ছেন বলে জানান দেওপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামান আখতার। এ পর্যন্ত অত্র ইউনিয়নের ২৪৮৩ জন ত্রাণ পেয়েছেন বলে জানান তিনি।
এদের সবাইকে ১০ কেজি করে চাল প্রদার করা হয়েছে। এর মধ্যে ১নং ওয়ার্ডে ২৭৪ জন, ২নং ওয়ার্ডে ২৭৩ জন, ৩নং ওয়ার্ডে ২৭৫ জন, ৪নং ওয়ার্ডে ২৬৭ জন, ৫নং ওয়ার্ডে ২৬৮ জন, ৬নং ওয়ার্ডে ২৭৩ জন, ৭নং ওয়ার্ডে ৩০৭ জন, ৮নং ওয়ার্ডে ২৭৪ জন ও ৯নং ওয়ার্ডে ২৭২ জন।
এছাড়াও ৫৪৪ জনকে চাউলের সাথে সবজি প্রদান করা হয়। সেইসাথে আবাসন প্রকল্পে বসবাস রত ১০৫ জনকে ১০ কেজি করে চাল প্রদান করা হয় এবং ইসলামী ফাউন্ডেশনের দেয়া তালিকা অনুযায়ী ৭ জনকে ১০ কেজি করে চাল প্রদান করা হয়। ৪৮ জনকে ২৫০ টাকা এবং ১৪৫ জনকে ৫০০ টাকা করে নগদ প্রদান করা হয়েছে। ৪৮ জন শিশুর জন্য ১ প্যাকেট করে গুড়া দুধ বিতরণ করা হয়। সেইসাথে ৭ কার্টুন শুকনা খাবারও বিতরন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
নতুন করে আবার ৩৫৬ জনের জন্য ১০ কেজি করে চাল প্রদানের জন্য এবং সবজি ক্রয়ের জন্য ১৪,০০০ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে বলে জানান চেয়ারম্যান। সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষনা দিয়েছেন কোন ব্যক্তি না খেয়ে থাকবে না। নিজ নিজ এলাকার প্রতিটি পরিবারে খোঁজ খবর রাখার জন্য স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর নির্দেশ অনুযায়ী ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত রয়েছে। তার এলাকার একটি পরিবারের লোকও অনাহারে মারা যাবেনা বা না খেয়ে থাকবেনা বলে প্রত্যয়ব্যক্ত করেন চেয়ারম্যান।
এছাড়াও তাঁর ইউনিয়নের জনগণকে সরাকরী ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়ম ও নির্দেশনা মেনে চলার আহবান জানান। সেইসাথে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে কাজ করার পরামর্শ দেন তিনি। বরেন্দ্র বার্তা/ফকবা/অপস

Close